bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Mark 11
Mark 11
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 10
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 12 →
1
জেরুশালেমের কাছাকাছি অলিভ পাহাড়ের ধারে বেথফাগে আর বেথানি গ্রামের কাছে এসে তাঁরা পৌঁছালেন। দুজন শিষ্যকে যীশু পাঠিয়ে দিলেন এই বলে:
2
সামনের ঐ গ্রামটিতে যাও। গ্রামে ঢুকেই দেখতে পাবে একটা গর্দভ শাবক বাঁধা রয়েছে, যার পিঠে কেউ কোনদিন চড়েনি, সেটিকে খুলে নিয়ে এস।
3
কেউ যদি তোমাদের বলে, ‘কেন এ কাজ করছ?’ তাহলে বলো, ‘প্রভুর প্রয়োজন আছে। তিনি আবার একে ফেরৎ পাঠিয়ে দেবেন।’
4
তাঁরা চলে গেলেন। গিয়ে দেখলেন, গর্দভ শাবকটি বাইর এদরজার পাশে রাস্তায় বাঁধা রয়েছে।
5
তাঁরা তার বাঁধন খুলতেই যারা সেখানে দাঁড়িয়েছিল, তারা জিজ্ঞাসা করল, কি করছ তোমরা, খুলছ কেন ওটাকে?
6
যীশু তাঁদের যেভাবে বলে দিয়েছিলেন সেই মত বলতে তারা তাঁদের যেতে দিল।
7
তাঁরা শাবকটিকে যীশুর কাছে নিয়ে এসে সেটার পিঠে নিজেদের জামা পেতে দিলেন। যীশু তার উপর বসলেন।
8
বহু লোক নিজেদের গায়ের জামা রাস্তার উপর পেতে দিতে লাগল, অন্যেরা মাঠ থেকে গাছের ডালপালা কেটে এনে পথের উপর বিছিয়ে দিতে লাগল।
9
শোভাযাত্রার সামনে ও পিছনে যারা ছিল সকলে চীৎকার করে বলতে লাগল, হোশান্না,
10
ধন্য আমাদের পিতা দাউদের আসন্ন রাজা, ধন্য ঊর্ধ্বতমলোকে হোক হোশান্না ধ্বনি।
11
যীশু জেরুশালেমে এসে মন্দিরে গেলেন। চারিদিকে সবকিছু দেখার পর বারোজন শিষ্যকে নিয়ে তিনি আবার বেথানিতে চলে গেলেন। কারণ ইতিমধ্যেই সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল।
12
পরের দিন বেথানি থেকে পিরে আসার সময় যীশু ক্ষুধার্ত হলেন।
13
দূরে পাতায় ভরা একটা ডুমুর গাছ দেখে গাছটার কাচে গেলেন যদি কিছু ডুমুর পাওয়া যায়। কিন্তু গাছটার কাছে গিয়ে পাতা ছাড়া আর কিছুই পেলেন না, কারণ তখন ডুমুরের মরশুম ছিল না।
14
তাই তিনি গাছটাকে বললেন, কেউ আর কখনও তোমার ফল খাবে না। শিষ্যেরা শুনলেন এ কথা।
15
তাঁরা গেলেন জেরুশালেমে। তারপর যীশু মন্দিরে গিয়ে যারা সেখানে ব্যবসা করছিল তাদের তাড়াতে আরম্ভ করলেন। পোদ্দারদের টেবিল আর পায়রা বিক্রেতাদের আসন উল্টে ফেলে দিলেন।
16
মন্দিরের ভিতর দিয়ে বিক্রীর কোন জিনিস কাউকে নিয়ে যেতে দিলেন না।
17
তারপর তাদের উপদেশ দিয়ে বললেন, শাস্ত্রে কি লেখা নেই, ‘আমার গৃহ সমস্ত জাতির প্রার্থনা ভবন বলে অভিহিত হবে?’ কিন্তু তোমরা একে করে তুলেছ ‘দস্যুর আস্তানা'
18
নেতৃস্থানীয় পুরোহিতেরা এবং শাস্ত্রীরা একথা শুনলেন এবং তাঁকে শেষ করে দেবার উপায় খুঁজতে লাগলেন। কারণ সমস্ত লোক যীশুর উপদেশ শুনে মুগ্ধ হত বলে তাঁরা তাঁকে ভয় করতে লাগলেন।
19
সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে যীশু শিষ্যদের নিয়ে শহরের বাইরে চলে গেলেন।
20
পরের দিন ভোরবেলায় সেই পথ দিয়ে যাবার সময় তাঁরা দেখলেন সেই ডুমুর গাছটা শিকড়শুদ্ধ শুকিয়ে গেছে।
21
পিতরের মনে পড়ল সব কথা। তিনি যীশুকে বললেন, গুরুদেব দেখুন, যে ডুমুরগাছটাকে আপনি অভিশাপপ দিয়েছিলেন, সেটা শুকিয়ে গেছে।
22
যীশু তাঁদের বললেন, ঈশ্বরে বিশ্বাস রাখ।
23
সত্যই আমি তোমাদের বলছি, কেউ যদি এই পাহাড়টাকে বলে, ‘উপড়ে গিয়ে সমুদ্রে পড়’ এবং মনে সন্দেহ না রেখে যদি সে বিশ্বাস করে যে সে যা কিচু বলবে তাই-ই ঘটবে, তাহলে তার জন্য তা-ই করা হবে।
24
সুতরাং আমি তোমাদের বলছি, যা কিছু তোমরা প্রার্থনায় চাও, বিশ্বাস কর যে তাই তোমরা পেয়ে গেছ, তাহলেই তোমরা তা পাবে।
25
যখন তোমরা প্রার্থনা করতে দাঁড়াও, তখন কারও বিরুদ্ধে যদি তোমাদের কোন অভিযোগ থাকে, ক্ষমা কর তাকে, তাহলে তোমাদের পিতা যিনি স্বর্গে থাকেন তিনিও তোমাদের ক্ষমা করবেন।
26
(কিন্তু যদি তোমরা ক্ষমা না কর তাহলে তোমাদের স্বর্গের পিতাও তোমাদের অপরাধ ক্ষমা করবেন না।)
27
তাঁরা আবার এলেন জেরুশালেমে। মন্দিরের মধ্যে যীশু যখন ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তখন নেতৃস্থানীয় পুরোহিত, শাস্ত্রী ও সমাজপতিরা তাঁর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন,
28
তুমি কোন অধিকারে এসব কাজ করছ? কে তোমায় এসব কাজ করার ক্ষমতা দিল?
29
যীশু তাঁদের বললেন, আমিও তোমাদের একটি প্রশ্ন করব, তার উত্তর যদি তোমরা দাও, তাহলে আমিও বলব কোন অধিকারে আমি এসব করছি।
30
বাপ্তিষ্ম দেবার অধিকার যোহন কোথা থেকে পেয়েছিলেন স্বর্গ থেকে, না মানুষের কাছ থেকে? উত্তর দাও।
31
এতে তাঁরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে বললেন, যদি আমরা বলি ‘স্বর্গ থেকে’ তাহলে ও বলবে ‘তবে কেন তোমরা তাঁকে বিশ্বাস করনি।
32
তাহলে কি বলব ‘মানুষ থেকে'? —কিন্তু জনতাকেও তাঁদের ভয়, কারণ যোহনকে সকলে প্রকৃত নবী বলেই মানত।
33
তাই তাঁরা যীশুকে উত্তর দিলেন, আমরা জানি না। যীশু তাঁদের বললেন, আমিও তোমাদেরর বলব না কোন অধিকারে আমি এসব করছি।
← Chapter 10
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 12 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16