bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Mark 12
Mark 12
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 11
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 13 →
1
তারপর যীশু লোকদের একটি উপাখ্যান বলতে আরম্ভ করলেনঃ এক ব্যক্তি একটি দ্রাক্ষাকুঞ্জ তৈরী করে তার চারদিকে বেড়া দিয়ে ঘিরে দিলেন। দ্রাক্ষামাড়াই করার জন্য একটা কুণ্ড তৈরী করলেন এবং সেখাএ একটি চৌকিঘর তৈরী করলেন। তারপর চাষীদের সেটা বিলি করে দিয়ে বিদেশে চলে গেলন।
2
ফলের মরশুম এলে তিনি একটি ভৃত্যকে চাষীদের কাছে পাঠালেন দ্রাক্ষাকুঞ্জ থেকে ফলের ভাগ নেবার জন্য।
3
চাষীরা তাকে মেরেধরে খালি হাতে ফেরৎ পাঠিয়ে দিল।
4
তিনি আবার তাদের কাছে অন্য একটি ভৃত্যকে পাঠালেন। একেও তারা খুব অপমান করল, মেরে মাথা ভেঙ্গে দিল।
5
তিনি আর একজনকে পাঠালেন। তাকে তারা হত্যা করল। আরও অনেক জনের সঙ্গে একই ব্যবহার করল, কাউকে মারধোর করল, কাউকে বা হত্যা করল।
6
আর একজন মাত্র বাকী চিল, তিনি হলেন তাঁর প্রিয়তম পুত্র। শেষে তাঁকেই পাঠালেন তিনি। ভাবলেন, অন্ততঃ আমার পুত্রকে তারা মানবে।
7
কিন্তু চাষীরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে লাগল, এই হচ্ছে উত্তরাধিকারী। এস, একে আমরা মেরে ফেলি, তাহলে মালিকানা আমাদের হবে।
8
তারা তাঁকে হত্যা করে মৃতদেহটি দ্রাক্ষাকুঞ্জের বাইরে ফেলে দিল।
9
দ্রাক্ষাকুঞ্জের মালিক এবার কি করবেন? তিনি স্বয়ং এসে সেই চাষীদের ধ্বংস করবেন এবং দ্রাক্ষাকুঞ্জটি অন্য চাষীদের কাচে বিলি করে দেবেন।
10
তোমরা কি শাস্ত্রে একথা পড়নি: “যে শিলাখণ্ডটি স্থপতিরা করেছিল বর্জন সেটিই হল কোণের ভিত্তিপ্রস্তর
11
এ মহান কীর্তি প্রভুরই, আমাদের দৃষ্টিতে বিস্ময়কর।”
12
ইহুদী নেতারা বুঝতে পেরেছিলেন যে যীশু তাঁদের উদ্দেশ্য করেই এই উপাখ্যানটি বললেন তাই তাঁরা যীশুকে গ্রেপ্তার করার সুযোগ খুঁজতে লাগলেন। কিন্তু জনসাধারণের ভয়ে নিরস্ত হয়ে তাঁরা যীশুর কাছ থেকে চলে গেলেন।
13
তাঁরা গিয়ে কয়েকজন ফরিশী আর হেরোদীয় সম্প্রদায়ের কয়েকজনকে যীশুর কাচে পাঠিয়ে দিলেন তাঁকে কথার ফাঁদে ফেলে ধরবার জন্য।
14
তারা গিয়ে জিজ্ঞাসা করল, গুরুদেব, আমরা জানি, আপনি খাঁটি লোক, কাউকে পরোয়া করেন না, কারও মুখ চেয়ে কথা বলেন না। আপনি সত্যনিষ্ঠভাবে ঈশ্বরের পথের বিষয় শিক্ষা দিয়ে থাকেন। আচ্ছা বলুন তো, সীজারকে কর দেওয়া আমাদের উচিত কি না?
15
আমরা তা দেব কি না? যীশু তাদের চালাকি বুঝতে পেরে বললেন, কেন আমায় ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করছ? একটা মুদ্রা নিয়ে এস আমার কাছে, দেখি আমি।
16
তারা নিয়ে এল মুদ্রা। যীশু তাদের বললেন, এ মূর্তি আর নাম কার? তারা বলল, সীজারের।
17
যীশু তাদের বললেন, যা সীজারের প্রাপ্য তা সীজারকে দা্য এবং যা ঈসবরের প্রাপ্য তা ঈশ্বরকে দাও। একথা শুনে তারা অবাক হয়ে গেল।
18
পুনরুত্থান বলে কিছু নেই —এই মতে যারা বিশ্বাসী, সেই সদ্দুকী সম্প্রদায়ের কয়েকজন লোক যীশুর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করল,
19
গুরুদেব, মোশি আমাদের বিধান দিয়ে গেছেন, যদি কোন ব্যক্তির ভাই নিঃসন্তান আবস্থায় স্ত্রীকে রেখে মারায় তাহলে সেই ব্যক্তি ঐ স্ত্রীকে গ্রহণ করে নিজের ভাইয়ের বংশ রক্ষা করবে।
20
(মনে করুন) সাতটি ভাই ছিল। বড় ভাই বিয়ে করল, কিন্তু নিঃসন্তান অবস্থায় মারা গেল।
21
তকন মেজ ভাই সেই স্ত্রীকে বিয়ে করল, সেও নিঃসন্তান অবস্থায় মারা গেল। সেজ ভাইও তাই করল।
22
এইভাবে সাত ভাই-ই তাকে গ্রহণ করল এবং কোন সন্তান না রেখে মারা গেল। সবশেষে সেই স্ত্রীলোকটিও মারা গেল।
23
তাহলে পুনরুত্থানের পর তারা যখন জীবিত হয়ে উঠবে তখন ঐ স্ত্রীলোকটি কার স্ত্রী হবে? কারণ সে তো সাতজনেরই স্ত্রী ছিল?
24
যীশু তাদের বললেন, তোমরা ভ্রান্ত, কারণ তোমাদের না আছে শাস্ত্রজ্ঞান, না আছে ঈশ্বরের শক্তি সম্বন্ধে কোন ধারণা।
25
তারা যখন মৃতলোক থেকে পুনরুত্থিত হয় তখন তারা বিয়ে করে না বা তাদের বিযে দেওয়অও হয় না। তারা তখন হয় স্বর্গদূতের মত।
26
তা ছাড়া মৃতদের পুনরুত্থানের বিষয়ে মোশির গ্রন্থে যেখানে ঝোপের ঘটনার উল্লেখ আছে, তা কি তোমরা পড়নি? সেখানে ঈশ্বর কিভাবে তাঁকে বলেছেন, ‘আমি অব্রাহামের ঈশ্বর, আমি ইসহাকের ঈশ্বর এবং যাকোবের ঈশ্বর?’
27
তিনি মৃতদের ঈশ্বর নন, জীবিতদের ঈশ্বর! তোমাদের ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।
28
একজন শাস্ত্রী সেখানে দাঁড়িয়ে তাঁদের বিতর্ক শুনছিলেন। তিনি যখন দেখলেন, যীশু তাদের উপযুক্ত উত্তর দিয়েছেন, তখন তিনি যীশুকে জিজ্ঞাসা করলেন, কোন আজ্ঞাটি সর্বপ্রধান?
29
যীশু উত্তর দিলেন, সর্বপ্রধান আজ্ঞা হল এই, ‘শোন হে ইসরায়েল, আমাদের প্রভু পরমেশ্বরই একমাত্র প্রভু।
30
তুমি তোমার হৃদয়, মন ও আত্মা দিয়ে এবং তোমার সমস্ত শক্তি দিয়ে তোমার প্রভু পরমেশ্বরকে ভালবাসবে।’
31
দ্বিতীয়টি হল এই, ‘তোমার প্রতিবেশীকে আত্মজ্ঞানে ভালবাসবে।’ এর চেয়ে বড় আর কোন আদেশ নেই।
32
শাস্ত্রী তাঁকে বললেন, ঠিক বলেছেন গুরুদেব। আপনি যথার্থই বলেছেন যে তিনিই একমাত্র প্রভু, তিনি ছাড়া আর কোন ঈশ্বর নেই।
33
হৃদয়, বুদ্দি ও সমস্ত শক্তি দিয়ে তাঁকে ভালবাসা এবং প্রতিবেশীকে আত্মজ্ঞানে ভালবাসা হেআম ও বলিদানের চেয়েও অনেক বড়।
34
শাস্ত্রীর এই কথায় যীশু তাঁর উপলব্ধির পরিচয় পেলন। তাই তাঁকে তিনি বললেন, ঈশ্বরের রাজ্য থেকে তুমি আর দূরে নও। এরপর যীশুকে আর কেউ কোন প্রশ্ন করতে সাহস পেল না।
35
মন্দিরে উপদেশ দিতে দিতে যীশু বললেন, শাস্ত্রীরা কি করে বলেন যে খ্রীস্ট দাউদের সন্তান?
36
দাউদ নিজেই পবিত্র আত্মার অনুপ্রেরণায় ঘোষণা করেছেনঃ প্রভু পরমেশ্বর আমার প্রভুকে বলেন, যিনি আমার রাজা, তুমি আমার দক্ষিণে বস, যতক্ষণ না তোমার শত্রুদের আমিকরি তোমার পাদপীঠ।
37
দাউদ স্বয়ং তাঁকে প্রভু বলে সম্বোধন করেছেন, সুতরাং কি করে তিনি দাউদের সন্তান হতে পারেন? বিরাট জনতা সাগ্রহে তাঁর কথা শুনতে লাগল।
38
যীশু উপদেশ দিতে গিয়ে বললেন, শাস্ত্রীদের সম্বন্ধে সাবধান থেকো।
39
এরা লম্বা আলখাল্লা পরে বেড়াতে ভালবাসে, হাটে-বাজারে অভিনন্দন পেতে ভালবাসে, সমাজভবনে এবং ভোজসভায় শ্রেষ্ঠ আসন ও সম্মান পেতে ভালবাসে।
40
এরা বিধবার সম্পত্তি আত্মসাৎ করে এবং লোক দেখানো দীর্ঘ প্রার্থনা করে, তাদের শাস্তি হবে কঠোরতর।
41
একদিন মন্দিরের কোষাগারের সামনে বসে যীশু দেখছিলেন লোকেরা অর্থভাণ্ডারে কিভাবে অর্থদান করছে। ধনী লোকেরা বহু অর্থ দান করল।
42
এক দরিদ্র বিধবা সেখানে এসে দুটি তামার মুদ্রা রাখল, যারর মূল্য নিতান্ত অল্প।
43
তখন যীশু তাঁর শিষ্যদের কাছে ডেকে বললেন, সত্যই আমি তোমাদের বলছি, এই দরিদ্র বিধবাটি সকলের চেয়ে বেশি দান করল।
44
কারণ তারা সকলে ধনীরা নিজেদের অজস্র সম্পদ থেকে কিছু দান করেছে কিন্তু এই নিঃস্ব নারী তার যা কিছু সম্বল ছিল, সবই দান করল।
← Chapter 11
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 13 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16