bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Mark 5
Mark 5
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 4
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 6 →
1
যীশু ও তাঁর শিষ্যেরা গালীল সাগরের ওপারে গেরাসেনীদের দেশে এসে পৌঁছালেন।
2
নৌকা থেকে যীশু নামতেই অপদেবতাগ্রস্ত একটি লোক সমাধিক্ষেত্রের গুহা থেকে বেরিয়ে তাঁর সামনে এসে হাজির হল।
3
সে সেখানেই থাকত। কোনভাবেই তাকে বেঁধে রাখা যেত না, শিকল দিয়ে পর্যন্ত বাঁধা যেত না।
4
বহুবার তাকে বেড়ি আর শিকল দিয়ে বাঁধা হয়েছে কিন্তু সে বেড়ি ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে ফেলেছে। কেউ তাকে বশে আনতে পারেনি।
5
দিনরাত সে সমাধিক্ষেত্র ও পাহাড়ে পাহাড়ে চীৎকার করে বেড়াত আর পাথর দিয়ে নিজের দেহ ক্ষতবিক্ষত করত।
6
দূর থেকে সে যীশুকে দেখতে পেয়ে তাঁর কাছে ছুটে গিয়ে তাঁকে প্রণাম করল।
7
তারপর চীৎকার করে বলল, হে পরাৎপর ঈশ্বরের পুত্র যীশু! আমার কাছে আপনার কি দরকার? ঈশ্বরের দোহাই, আমাকে যন্ত্রণা দেবেন না।
8
কারণ যীশু তাকে বলেছিলেন, হে অশুচি আত্মা, এই লোকটিকে ছেড়ে বেরিয়ে এস।
9
তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার নাম কি? সে বলল, আমার নাম বাহিনী, কারণ আমরা সংখ্যায় অনেক।
10
সে তাঁর কাছে খুব অনুনয় করে বলল যেন যীশু তাদের সেই এলাকা থেকে তাড়িয়ে না দেন।
11
কাছেই পাহাড়ে বিরাট একপাল শুকর চরছিল।
12
অপদেবতারা তাঁকে মিনতি জানাল, ঐ শুকরের পালের মধ্যে আমাদের পাঠিয়ে দিন, ওদের উপর ভর করতে দিন আমাদের।
13
যীশু তাদের অনুমতি দিলেন। তারা তখন বেরিয়ে এসে শুকরগুলোর ওপরে ভর করল। সেই শুকরের পাল, সংখ্যায় প্রায় দুহাজার, পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নীচে সাগরের দিকে সবেগে ছুটে গিয়ে জলে ডুবে মরল।
14
যারা শুকরের পাল চরাচ্ছিল তারা সব পালিয়ে গেল এবং এ খবর নগরে গ্রামে রটিয়ে দিল। ফলে লোকেরা দেখতে এল কি ঘটনা ঘটেছে।
15
যীশুর কাছে এসে তারা দেখল ভূতগ্রস্ত লোকটি কাপড়-চোপড় পরে শান্তভাবে বসে আছে। এতে তারা ভয় পেয়ে গেল।
16
এ ঘটনা যারা দেখেছিল তারা তাদের সেই ভূতগ্রস্ত লোকটিরর কথা এবং শুকর পালের কথা বলল।
17
তারা যীশুকে তাদের এলাকা ছেড়ে চলে যেতে অনুরোধ করল।
18
যীশু নৌকায় উঠতে যাবেন এমন সময় যে লোকটিরর ওপর অপদেবতা ভর করেছিলল সে তাঁর সঙ্গে যাবার জন্য খুব মিনতি করতে লাগল।
19
কিন্তু যীশু তাকে অনুমতি দিলেন না। বললেন, তুমি তোমার বাড়িতে আপনজনদের কাছে ফিরে যাও এবং প্রভু তোমার জন্য কি করেছেন, কিভাবে তেআমায় কৃপা করেছেন সেকথা তাদের বল।
20
সে তখন পিরে গেল এবং যীশু তার জন্য যা করেছেন সে কথা ডেকাপলিস অঞ্চলে প্রচার করতে লাগল। এ কথা শুনে সবাই স্তম্ভিত হয়ে গেল।
21
নৌকায় চড়ে যীশু আবার ফিরে এলেন সাগরের এপারে। তীরে বিরাট জনতা এসে জমা হল তাঁকে গিরে।
22
সেখানে যায়ীর নামে সমাজভবনের একজন অধ্যক্ষ এসেছিলেন।
23
যীশুকে দেখে তিনি তাঁর পায়ে পড়ে মিনতি করে বললেন, আমার ছোট মেয়েটি মৃত্যুশয্যায়। আপনি এসে তাকে স্পর্শ করুন তাহলে সে সুস্থ হবে, আবার বেঁচে উঠবে।
24
যীশু তাঁর সঙ্গে চললেন। বিরাট জনতা যীশুর পিছন পিছন চলল এবং ঠেলাঠেলি করে তাঁর গায়ে পড়তে লাগল।
25
ভিড়ের মধ্যে একটি নারী ছিল, সে বারো বছর ধরে প্রদর রোগে ভুগছিল।
26
বহু চিকিৎসকের হাতে অনেক কষ্ট সে পেয়েছিল এবং তার সর্বস্ব ব্যয় করেছিল কিন্তু তাতে তার কোন উপকার তো হয়ই নি বরং অবস্থা আরও খারাপের দিকেই গিয়েছিল।
27
সে যীশুর কথা শুনে ভিড়ের মধ্যে তাঁর পিছনে এসে তাঁর পোষাক স্পর্শ করল।
28
সে ভাবল, যদি আমি ওঁর পোষাক একটু ছুঁতে পারি তাহলেই সুস্থ হয়ে যাব।
29
তখনই তার রক্তস্রাব বন্ধ হয়ে গেল এবং সে অনুভব করল যে সে সুস্থ হয়ে গেছে।
30
যীশু সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারলেন যে তাঁর ভিতর থেকে শক্তি নির্গত হয়েছে। তিনি জনতার দিকে ফিরে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, কে আমার পোষাক স্পর্শ করেছে?
31
শিষ্যেরা তাঁকে বললেন, দেখছেন তো কিভাবে লোকে আপনার গায়ে চেপে পড়ছে? তবু আপনি বলছেন কে আপনাকে স্পর্শ করেছে?
32
যীশু কিন্তু চারিদিকে দেখতে লাগলেন, কে এই কাজ করেছে।
33
কি ঘটেছে সেই নারী জানত, তাই সে ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে যীশুর সামনে এসে মাটিতে লুটিয়ে পড়লল এবং সমস্ত ঘটনা তাঁকে খুলে বলল।
34
যীশু তাকে বললেন, ওগো মেয়ে, তোমার বিশ্বাস তোমাকে সুস্থ করেছে। শান্তিতে ফিরে যাও, এ যন্ত্রণা আর তোমাকে ভোগ করতে হবে না।
35
যীশু তখনও কথা বলছিলেন, সেই সময়ে সমাজভবনের অধ্যক্ষের বাড়ি থেকে কয়েকজন এসে বলল, আপনার মেয়ে মারা গেছে, গুরুদেবকে কষ্ট দিয়ে আর কি হবে?
36
তাদের কথায় কান না দিয়ে যীশু সমাজভবনের অধ্যক্ষকে বললেন, ভয় করো না, শুধু বিশ্বাস কর।
37
যীশু পিতর, যাকোব এবং যাকোবের ভাই যোহন ছাড়া আর কাউকে সঙ্গে নিলেন না।
38
সমাজভবনের অধ্যক্ষের বাড়িতে পৌঁছে তাঁরা দেখলেন সেখানে দারুণ গোলমাল হচ্ছে। লোকেরা কান্নাকাটি করছে আর চীৎকার করে বিলাপ করছে।
39
যীশু বাড়ির মধ্যে গিয়ে তাদের বললেন, বাড়িতে কেন এত কোলাহল, কেনই বা এত কান্নাকাটি? মেয়েটি তো মারা যায়নি, ঘুমাচ্ছে!
40
এ কথা সুনে তারা তাঁকে ঠাট্টা করতে লাগল। যীশু তাই তাদের সকলকে ঘর থেকে বের করে দিলেন এবং মেয়েটির মা বাবা ও তাঁর তিন শিষ্যকে নিয়ে মেয়েটির কাছে গেলন।
41
তার হাত ধরে যীশু বললেন, “টালিথা কুম্” অর্থাৎ খুকুমণি, ওঠো।
42
তক্ষুণি মেয়েটি উঠে দাঁড়াল, বেড়াতে লাগল। মেয়েটির বয়স ছিল বারো বছচর। এই ঘটনা দেখে সকলে চমৎকৃত হল।
43
যীশু তাদের দৃঢ়ভাবে নিষেধ করলেন যাতে এ ঘটনার কথা কেউ জানতে না পের। তারপর মেয়েটিকে কিছু খেতে দিতে বললেন।
← Chapter 4
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 6 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16