bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Mark 8
Mark 8
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 7
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 9 →
1
সেইসময় বিরাট এক জনতা আবার যীশুকে ঘিরে ভিড় জমাল। তাদের কাছে কোন খাবার ছিল না, তাই তিনি শিষ্যদের ডেকে বললেন,
2
এই মানুষগুলির জন্য আমার খুব মায়া হচ্ছে। আজ তিনদিন ধরে এরা আমার সঙ্গে রয়েছে, এদের কাছে খাবার মত কিছুই নেই।
3
এদের ক্ষুধার্ত অবস্থাতেই যদি বাড়ি পাঠিয়ে দিই তাহলে পথের মধ্যেই এরা অজ্ঞান হয়ে যাবে। এদের মধ্যে আবার কিছু লোক অনেক দূর থেকে এসেছে।
4
শিষ্যেরা তাঁকে বললেন, এই নিরালা প্রান্তরে এত লোককে পেটভরে খাওয়াবার মত রুটি কে দেবে?
5
যীশু তাঁদের জিজ্ঞাসা করেলন, তোমাদের কাছে কতগুলো রুটি আছে? তাঁরা বললেন, সাতটি।
6
যীশু সকলকে মাটিতে বসে পড়তে বললেন। তারপর সাতটি রুটি হাতে নিয়ে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানিয়ে টুকরো টুকরো করলেন এবং শিষ্যদের হাতে দিলেন পরিবেশন করার জন্য, তাঁরা সেইমত কাজ করলেন।
7
তাঁদের কাছে কয়েকটি মাছও ছিল। এগুলির জন্যও ধন্যবাদ দিয়ে যীশু শিষ্যদের বললেন পরিবেশন করতে।
8
সকলে তৃপ্তি করে খেল। তারপর রুটির টুকরো যা বাকী রইল সব কুড়িয়ে জড়ো করা হল, সাতটা ডালা ভরে গেল।
9
লোকেরা সংখ্যায় ছিল প্রায় চার হাজার।
10
যীশু তাদের বিদায় দিয়ে শিষ্যদের নৌকায় উঠলেন এবং দল্মনুথা অঞ্চলে চলে গেলেন।
11
সেখানে ফরিশীরা এসে যীশুর সঙ্গে তর্ক জুড়ে দিল। তারা তাঁকে পরীক্ষা করার জন্য কোন দৈব নিদর্শন দেখতে চাইল।
12
যীশু গভীর দুঃখের সঙ্গে বললেন, এ যুগের মানুষ নিদর্শন দেখতে চায় কেন? এই সত্য আমি তোমাদের বলছি, এ যুগের মানুষকে কোন নিদর্শন দেখানো হবে না।
13
যীশু তাদের কাছ থেকে চলে এলেন এবং নৌকায় করে আবার ফিরে গেলেন সাগরের ওপারে।
14
শিষ্যেরা সঙ্গে রুটি নিতে ভুলে গিয়েছিলেন। নৌকায় তাঁদের সঙ্গে একখানা মাত্র রুটি ছিল।
15
যীশু তাঁদের বললেন, সাবধান, ফরিশী আর হেরোদপন্থীদের খামির সম্পর্কে সতর্ক থেকো।
16
শিষ্যেরা নিজেদের মধ্যে বলতে লাগলেন, আমাদের কাছে তো কোনো রুটিই নেই।
17
যীশু একথা বুঝতে পেরে তাঁদের বললেন, তোমাদের সঙ্গে রুটি নেই বলে কেন তোমরা এত আলোচনা করছ? আজও তোমরা জানলে না, বুঝলে না কিছু? বুদ্ধিশুদ্ধি কি তোমাদের লোপ পেয়েছে?
18
চোখ থাকতেও কি তোমরা দেখতে পাও না, কান থাকতেও কি শুনতে পাও না? মনে কি পড়ে না তোমাদের
19
যেদিন আমি পাঁচটা রুটি দিয়ে পাঁচ হাজার লোককে খাইয়েছিলাম সেদিন ক ঝুড়ি রুটির টুকরো তোমরা তুলেছিলে? তাঁরা বললেন, বারো ঝুড়ি।
20
আর যখন সাতটা রুটি দিয়ে চার হাজার লোককে দিয়এছিলাম তখন ক ডালা রুটির টুকরো তুলেছিলে? তাঁরা বললেন, সাত।
21
যীশু তাঁদের বললেন, তাহলে এখনও কি কিছু বুঝতে পারছ না তোমরা?
22
তাঁরা এলেন বেথসৈদায়। সেখানে কিছু লোক একজন অন্ধকে নিয়ে এল এবং তাকে স্পর্শ করার জন্য যীশুকে অনুরোধ করল।
23
যীশু অন্ধ লোকটিকে হাত ধরে গ্রামের বাইরে নিয়ে এলেন। তারপর তার চোখে থুতু দিয়ে হাত বুলিয়ে বললেন, তুমি কী দেখতে পাচ্ছ?
24
সে উপরের দিকে চেয়ে বলল, আমি মানুষ দেখতে পাচ্ছি, তারা দেখতে গাছের মত, হেঁটে বেড়াচ্ছে।
25
যীশু আবার তার চোখের উপর হাত বুলিয়ে দিলেন। সে তখন ভালভাবে দেখতে পেল, সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেল। এবং সবকিছু স্পষ্ট ভাবে দেখতে লাগল।
26
যীশু তাকে সোজা বাড়ি পাঠিয়ে দিলেন, বললেন, গ্রামের কাউকে কিছু বলো না।
27
শিষ্যদের নিয়ে যীশু সিজারিয়া-ফিলিপীর গ্রামাঞ্চলে ঘুরে বেড়াতে লাগলেন। পথে তাঁদের বললেনঃ আমার সম্বন্ধে লোকে কি বলে?
28
তাঁরা বললেনঃ কেউ বলে, বাপ্তিষ্মদাতা যোহন, কেউ কেউ বলে, আপনি এলিয়, আবার কেউ বা বলে আপনি একজন নবী।
29
যীশু তাঁদের জিজ্ঞাসা করলেন, কিন্তু তোমরা কি বল, কে আমি? পিতর বললেন, আপনি সেই খ্রীস্ট।
30
যীশু তাঁদের বিশেষভাবে নিষেধ করে দিলেন, যেন তাঁরা তাঁর সম্বন্ধে কাউকে কিছু না বলেন।
31
এরপর থেকে যীশু তাঁর শিষ্যদের এই কথা বলতে লাগলে, মানবপুত্রকে অনেক যন্ত্রণাভোগ করতে হব। সমাজপতিরা, নেতৃস্থানীয় পুরোহিতেরা এবং শাস্ত্রীরা তাঁকে প্রত্যাখ্যান করবে। তাঁকে হত্যা করা হবে কিন্তু তিনদিন পর তিনি পুনরুত্থিত হবেন।
32
একথা তিনি স্পষ্টভাবেই বললেন। তাই পিতর তাঁকে একান্তে নিয়ে গিয়ে অনুযোগ করতে লাগলেন।
33
কিন্তু যীশু ফিরে দাঁড়িয়ে শিষ্যদের দিকে চেয়ে পিতরকে ধমক দিলেন, বললেন, শয়তান, দূর হও আমার কাছ থেকে! তোমার দৃষ্টিভঙ্গি মানুষেরই মত, ঈশ্বরের মত নয়।
34
তারপর যীশু শিষ্যদের সঙ্গে জনতাকেও ডেকে বললেন, যে আমার আড়ুগামী হতে চায় সে নিজেকে তুচ্ছ করুক এবং নিজের ক্রুশ তুলে নিয়ে আমার অনুসরণ করুক।
35
কারণ যে নিজের প্রাণ বাঁচাতে চায় সে তা হারাবে কিন্তু যে আমার জন্য এবং সুসমাচারের জন্য নিজের প্রাণ বিসর্জন দেয়, সে তা রক্ষা করবে।
36
সারা জগতের মালিকানা লাভ করেও যদি কেউ প্রাণ হারায় তাতে তার কি লাভ?
37
এমন কি আছে, যার বিনিময়এ মানুষ তার প্রাণ ফিরে পেতে পারে?
38
ভ্রষ্টাচার ও পাপকলুষিত এই যুগে আমার জন্য এবং আমার উপদেশের জন্য যদি কেউ লজ্জাবোধ করে তাহলে মানবপুত্র যখন পবিত্র বাহিনীর সঙ্গে তাঁর পিতার মহিমায় ভূষিত হয়ে আবির্ভূত হবেন তখন তিনিও তাদের জন্য লজ্জাবোধ করবেন।
← Chapter 7
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 9 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16