bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Mark 13
Mark 13
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 12
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 14 →
1
মন্দির থেকে যীশু বাইরে বেরিয়ে এলে তাঁর একজন শিষ্য তাঁকে বললেন, দেখুন গুরুদেব, কি বিরাট এই পাথরগুলি আর কি অপূর্ব এই ইমারত।
2
যীশু তাঁকে বললেন, এত বড় ইমারত দেখছ তো? কিন্তু এর একটি পাথরও আর একটির উপর থাকবে না। সবই ধূলিসাৎ হয়ে যাবে।
3
অলিভ পাহাড়ে গিয়ে মন্দিরের দিকে মুখ করে যীশু বসলেন। সেই সময় পিতর, যাকোব, যোহন এবং আন্দ্রিয় তাঁকে গোপনে জিজ্ঞাসা করলেন,
4
কখন এসব ঘটবে, আর তার পূর্ব লক্ষণই বা কি, আমাদের বলুন।
5
যীসু তখন তাঁদের বলতে আরম্ভ করলেন, সতর্ক থেকো যেন কেউ তোমাদের প্রতারিত করতে না পারে।
6
কারণ অনেকেই আমার নাম করে আসবে, বলবে, ‘আমিই তিনি!’ তারা বহুজনকে প্রতারিত করবে।
7
তোমরা যখন যুদ্ধের কথা এবং যুদ্ধের গুজব শুনবে তখন ভয় পেয়ো না। এসব ঘটনা ঘটবেই কিন্তচু তখনই যুগান্ত নয়।
8
কারণ জাতির বিরুদ্ধে জাতি, রাষ্ট্রেরর বিরুদ্ধে রাষ্ট্র অভিযান করবে। নানা স্থানে ভূমিকম্প হবে, মহামারী দেখা দেবে। কিন্তু এ শুধু যন্ত্রণার শুরু।
9
তোমরা সতর্ক থেকো। লোকে তোমাদের গ্রেপ্তার করে বিচারসভায় নিয়ে যাবে। সমাজভবনে তোমাদের প্রহার করা হবে। আমার জন্য রাজ্যপালন ও রাজাদের সামনে তোমাদের উপস্থিত করা হবে, তোমরা তাদের কাছে সাক্ষ্য দেবে।
10
প্রথমে সমস্ত জাতির কাছে সুসমাচার প্রচারিত হবে।
11
তারা যখন বিচারের জন্য তোমাদের বিচারসভায় উপস্থিত করবে তখন সেখানে কি বলবে এ নিয়ে আগে থেকেই তোমরা দুর্ভাবনা করো না। কিন্তু সেই মুহূর্তে যে কথা তোমাদের জুগিয়ে দেওয়া হবে তা-ই বলো। কারণ সে খথা তোমরাই যে বলবে তা নয়, বলবেন পবিত্র আত্মা।
12
বিস্বাসঘাতকতা করে ভাই বাইকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেবে, পিতা দেবে সন্তানকে। সন্তান পিতামাতার বিরুদ্ধে যাবে এবং তাদের মৃত্যু ঘটবে।
13
আমার প্রতি আনুগত্যের জন্য সকলে তোমাদের ঘৃণা করবে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত যে স্থির থাকবে সে-ই লাভ করবে পরিত্রাণ।
14
যখন তোমরা দেখবে ‘সেই মূর্তিমান ঘৃণ্য বিভীষিকা’, যেখানে তার দাঁড়াবার অধিকার নেই, সেখানেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে (পাঠক বুঝে নিক এর অর্থ) তখন যারা জুডিয়ায় থাকবে তারা যেন পাহাড়-পর্বতে পালিয়ে যায়।
15
তখন ছাদের উপরে কেউ যদি থাকে সে যেন নিচে না নামে কিম্বা কিছু নেবার জন্য যেন বাড়ির ভিতরে না যায়।
16
মাঠে যে থাকবে সে যেন নিজের জামাকাপড় নেবার জন্য ঘরে ফিরে না আসে।
17
আহা! সেই সময় সন্তানসম্ভবা ও স্তন্যদাত্রী মায়েদের কি দুর্দিন!
18
প্রার্থনা করো যেন এ ঘটনা শীতকালে না ঘটে।
19
তখন এমন ভয়ঙ্কর দুর্দশা ঘটবে যা ঈশ্বরের সৃষ্ট এই জগতের আদি থেকে আজ পর্যন্ত কখনও ঘটেনি, আর কখনও ঘটবেও না।
20
প্রভু যদি সেই দিনগুলোর সংখ্যা না কমাতেন তাহলে কোন প্রাণিই রক্ষা পেত না। কিন্তু তিনি তাঁর মনোনীতদের জন্যই এই সব দিনের সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছেন।
21
সেই সময় কেউ যদি বলে, ‘এই দেখ, খ্রীস্ট এখানে’ অথবা ‘ঐ যে ওখানে’ বিশ্বাস করো না।
22
কারণ তখন অনেকে নকল মশীহ ও ভণ্ড নবীর উদ্ভব হবে। তারা চমকপ্রদ নিদর্শন ও অলৌকিক কাণ্ড দেখিয়ে সম্ভব হলে মনোনীতদেরও বিপথে নিয়ে যাবে।
23
কিন্তু তোম রা সাবধান হয়ো, আগে থেকেই সব কথা আমি বলে রাখলাম।
24
সে সব দিনের দুঃখ ক্লেশের শেষে, ‘সূর্য ঢেকে যাবে অন্ধকারে চাঁদ আর দেবে না আলো
25
আকাশ থেকে খসে পড়বে তারকারাজিপ্র কম্পিত হবে নভোমণ্ডল।’
26
তখন তারা মানবপুত্রকে মহিমায় ভূষিত হয়ে মহাপরাক্রমে মেঘবাহনে আসতে দেখবে।
27
তিনি তখন দূত পাঠিয়এ পৃথিবীর শেষ প্রান্ত থেকে স্বর্গের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত চতুর্দিক থেকে তাঁর মনোনীত লোকদের সংগ্রহ করবেন।
28
ডুমুর গাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ কর। যখনই তার শাখা কচি পাতায় ছেয়ে যায় তখনই জেনো গ্রীষ্মকাল এসে পড়েছে।
29
ঠিক সেইরকম, যখন তোমরা এই সব ঘটনা ঘটতে দেখবে, জেনো তিনি উপস্থিত, এমন কি তিনি দ্বারপ্রান্তে এসে গেছেন।
30
সত্যই আমি তোমাদের বলছি, এই প্রজন্ম শেষ হবার আগেই এসব ঘটনা ঘটবে।
31
আকাশমণ্ডল ও পৃথিবী বিলুপ্ত হবে কিন্তু আমার বাক্য কখনও লোপ পাবে না।
32
কিন্তু কেউ জানে না কবে সেইদিন বা সেই ক্ষণ আসবে। স্বর্গের দূতেরাও জানেন না, এম কি পুত্রও জানেন না, কেবলমাত্র পিতাই জানেন।
33
কিন্তু তোমরা সতর্ক থেকো, সজাগ থেকো কারণ কখন সেই লগ্ন ঘনাবে তা তোমরা জান না।
34
মনে কর, কোন ব্যক্তি বিদেশে যাবার সময় ভৃত্যদের হাতে বাড়ির সমস্ত ভার দিয়ে চলে গেলেন। তাদের প্রত্যেককে কাজের ভার দিলেন, দ্বার রক্ষীকে সজাগ থাকতে বলে গেলেন।
35
সুতরাং তোমরা সতর্ক থেকো, গৃহকর্তা কখন ফিরবেন তোমাদের জানা নেই। তিনি সন্ধ্যাতেও ফিরতে পারেন অথবা মাঝরাতে, কিম্বা শেষরাতে বা সকালবেলায় ফিরতে পারেন।
36
তাই সজাগ থেকো যেন হঠাৎ তিনি এসে পড়লে তোমাদের ঘুমন্ত না দেখেন।
37
তোমাদের আমি যা বলছি, সবাইকেই তাই বলি, সজাগ থেকো।
← Chapter 12
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 14 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16