bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
John 1
John 1
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 2 →
1
সৃষ্টির পূর্বেই ছিলেন বাক্। ঈশ্বরের সঙ্গেই বাক্ ছিলেন বিরাজমান। বাক্ ও ঈশ্বর ছিলেন অভিন্নসত্তা।
2
আদিতে তিনিই ছিলেন ঈশ্বরের সঙ্গে।
3
সর্ববস্তু তাঁর মাধ্যমে সৃষ্ট। এমন কিছুর অস্তিত্ব নেই যা তাঁর মাধ্যমে হয়নি সম্ভব।
4
সমগ্র সৃষ্টির জীবন ছিল তাঁরই মধ্যে নিহিত, আর সেই জীবনই ছিল মানুষের কাছে ঈশ্বরের দেওয়া জ্যোতি।
5
সেই জ্যোতি তমসার মাঝে দীপ্যমান। তমসা তাকে গ্রাস করতে পারেনি।
6
ঈশ্বরপ্রেরিত এক ব্যক্তির হল আবির্ভাব, তাঁর নাম যোহন।
7
সেই জ্যোতির বিষয়ে সাক্ষ্যদান করতে তিনি এলেন যেন সকলের মধ্যে এই সাক্ষ্য সৃষ্টি করে বিশ্বাস।
8
তিনি নিজে সেই জ্যোতি ছিলেন না কিন্তু জ্যোতির বিষয়ে সাক্ষ্য দান করতেই হয়েছিল তাঁর আগমন।
9
প্রকৃত যে জ্যোতি সর্বমানবকে করে আলোকদান, এ জগতে তাঁর প্রকাশ ছিল প্রত্যাসন্ন।
10
এ জগতেই ছিলেন তিনি। যদিও তাঁরই মাধ্যমে সৃষ্ট হয়েছিল এই বিশ্বচরাচর কিন্তু এ জগত জানত না তাঁর পরিচয়।
11
স্বরাজ্যে তিনি এলেন কিন্তু যারা তাঁর আপনজন তারাই বরণ করল না তাঁকে।
12
কিন্তু যারা তাঁকে বরণ করল, বিশ্বাসে গ্রহণ করল তাঁকে, তাদেরই দিলেন তিনি ঈশ্বরের পুত্র হওয়ার অধিকার।
13
তারা শোণিত সূত্রে নয়, জৈব বাসনায় নয়, মানবিক ইচ্ছাক্রমেও নয়, কিন্তু তাঁরা ঈশ্বর থেকেই জাত।
14
সেই বাক্ দেহ ধারণ করলেন। আমাদেরই মাঝে করলেন বসতি। আমরা প্রত্যক্ষ করলাম তাঁর মহিমা, পিতার অনন্য পুত্রের মহিমা-যা করুণা ও সত্যে মণ্ডিত।
15
যোহন তাঁরই সম্পর্কে করলেন উদাত্ত ঘোষণা: ইনিই সেই ব্যক্তি, এঁরই সম্পর্কে আমি বলেছিলাম: আমার পরে যিনি আসছেন। তিনি আমার অগ্রগণ্য। কারণ আমার আগে থেকেই তিনি বিদ্যমান।
16
তাঁর পূর্ণতার ভাণ্ডার থেকে আমরা সকলেই পেয়েছি নিরবচ্ছিন্ন করুণাধারা।
17
মোশির মাধ্যমে প্রদত্ত হয়েছিল শাস্ত্রীয় বিধান কিন্তু যীশু খ্রীষ্টের মাধ্যমে বিতরিত হল অনুগ্রহ ও সত্য।
18
ঈশ্বরকে কখনও কেউ প্রত্যক্ষ করেনি কিন্তু ঈশ্বরের অনন্য পুত্র পিতার বক্ষলগ্ন যিনি, তিনিই তাঁকে করেছেন অভিব্যক্ত।
19
জেরুশালেমের ইহুদী সমাজের পক্ষ থেকে পুরোহিত ও লেবীয়দের একটি প্রতিনিধি দলকে যোহনের কাছে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসা করা হল, তিনি কে? এ বিষয়ে যোহন নীরব রইলেন না, বরং সুস্পষ্টভাবে তাঁর সাক্ষ্য ঘোষণা করে বললেন, আমি খ্রীষ্ট নই।
21
তারা জিজ্ঞাসা করল, তাহলে কে আপনি? আপনি কি এলিয়? তিনি উত্তর দিলেন না, আমি এলিয় নই। তারা তখন জিজ্ঞাসা করল, আপনি কি সেই প্রত্যাশিত নবী? তিনি বললেন, না।
22
তারা তাঁকে বলল, তাহলে আমাদের বলুন, কে আপনি? যাঁরা আমাদের পাঠিয়েছেন, তাঁদের কাছে আমাদের এর উত্তর নিয়ে যেতে হবে। আপনার নিজের সম্বন্ধে আপনার কি বক্তব্য?
23
যোহন নবী যিশাইয়র উক্তি দিয়ে তাদের উত্তর দিলেন, আমি হচ্ছি সেই কন্ঠস্বর যা মরুপ্রান্তরে ঘোষণা করছেঃ সরল করে দাও প্রভুর আগমনের পথ।
24
ফরিশীরাও কয়েকজন দূত পাঠিয়েছিল তাঁর কাছে।
25
তারা তাঁকে জিজ্ঞাসা করল, আপনি যদি খ্রীষ্ট না হন, যদি এলিয় বা সেই প্রত্যাশিত নবী না হন, তাহলে কেন আপনি বাপ্তিষ্ম দিচ্ছেন?
26
যোহন তাদের উত্তর দিলেন, আমি জলে বাপ্তিষ্ম দিচ্ছি। কিন্তু যিনি আমার পরে আসছেন, তিনি তোমাদেরই মাঝে আছেন, তাঁকে তোমরা চেন না। আমি তাঁর পাদুকাবন্ধন খোলারও যোগ্য নই।
28
বেথানিতে, যর্ডনের তীরে যেখানে যোহন বাপ্তিষ্ম দিচ্ছিলেন, সেখানে এই সমস্ত ঘটনা ঘটেছিল।
29
পরের দিন যোহন যীশুকে তাঁর কাছে আসতে দেখে বললেন, ঐ দেখ ঈশ্বরের মেষশাবক, যিনি জগতের পাপরাশি হরণ করেন।
30
ইনিই সেই ব্যক্তি। এঁর সম্বন্ধে আমি বলেছিলাম: ‘আমার পরে যিনি আসছেন, তিনি আমার চেয়ে মহান’। তিনি আমার জন্মের পূর্ব থেকেই বিদ্যমান।
31
আমি নিজেও তাঁকে জানতাম না, তিনি কে। কিন্তু এখন আমি জলে বাপ্তিষ্ম দান করছি যেন ইসরায়েল জাতির কাছে ব্যক্ত হয় তাঁর পরিচয়। এই জন্যই আমার আগমন।
32
যোহন আরও সাক্ষ্য দিলেন, আমি দেখলাম, পবিত্র আত্মা কপোতের মত স্বর্গ থেকে নেমে এসে তাঁর উপর অধিষ্ঠান করলেন।
33
আমি তখনও তাঁকে চিনতাম না কিন্তু যিনি আমাকে জলে বাপ্তিষ্ম দিতে পাঠিয়েছেন, তিনিই আমাকে বলেছেন যে, পবিত্র আত্মাকে যাঁর উপর অবতরণ করতে দেখবে, জেনো, তিনিই বাপ্তিষ্মদান করবেন পবিত্র আত্মায়।
34
আমি তাঁকে দেখেছি এবং আমার সাক্ষ্য এই: ইনিই ঈশ্বরের পুত্র।
35
পরের দিন যোহন তাঁর দুজন শিষ্যের সঙ্গে দাঁড়িয়েছিলেন।
36
সেখান দিয়ে যীশুকে যেতে দেখে তিনি বললেন, ঐ দেখ, ঈশ্বরের মেষশাবক।
37
তাঁর শিষ্য দুজন তাঁর এই কথা শুনে যীশুর অনুসরণ করলেন।
38
যীশু পিছন ফিরে তাঁদের আসতে দেখে জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা কিসের সন্ধান করছ? তাঁরা বললেন, কোথায় আপনি থাকেন গুরুদেব?
39
তিনি বললেন, এস, দেখত পাবে। তাঁরা তাঁর সঙ্গে গিয়ে দেখলেন তিনি কোথায় থাকেন এবং সেইদিন তাঁর সঙ্গেই কাটালেন। তখন প্রায় বেলা চারটে।
40
যোহনের কথা শুনে যে দুজন যীশুর অনুসরণ করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন শিমোন পিতরের ভাই আন্দ্রিয়। তাঁর ভাই শিমোনের সঙ্গে দেখা হতেই তিনি তাঁকে বললেন,
41
আমরা মশীহের দেখা পেয়েছি। (এর অর্থ গ্রীক ভাষায় খ্রীষ্ট।)
42
তিনি শিমোনকে নিয়ে এলেন যীশুর কাছে। যীশু তাঁর দিকে চেয়ে বললেন, তুমি যোহনের পুত্র শিমোন, তোমার নাম হবে কৈফা (অর্থাৎ পাথর)।
43
পরের দিন যীশু গালীল প্রদেশে যাওয়া ঠিক করলেন। সেখানে ফিলিপের সঙ্গে তাঁর দেখা হল। যীশু তাঁকে বললেন, আমার অনুগামী হও।
44
ফিলিপ ছিলেন বেথসৈদা শহরের লোক। এই শহরে পিতর ও আন্দ্রিয়ও বাস করতেন।
45
নথনেলের সঙ্গে ফিলিপের দেখা হলে ফিলিপ তাঁকে বললেন, বিধানশাস্ত্রে মোশি যাঁর কথা লিখে গেছেন এবং নবীরাও যাঁর কথা লিখে গেছেন এবং নবীরাও যাঁর কথা লিখে গেছেন, আমরা তাঁর দেখা পেয়েছি। ইনি নাসরত নিবাসী যীশু, যোষেফের পুত্র।
46
নথনেল তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, নাসরত থেকে কি ভাল কিছুর উদ্ভব হওয়া সম্ভব? ফিলিপ বললেন, এস, দেখে যাও।
47
যীশু নথনেলকে তাঁর কাছে আসতে দেখে বললেন, এই দেখ একজন প্রকৃত ইসরায়েলী যার মধ্যে কোন কপটতা নেই।
48
নথনেল তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি আমাকে কি করে চিনলেন? যীশু বললেন, ফিলিপ তোমার ডাকার আগে তুমি যখন ডুমুর গাছের তলায় ছিলে, আমি তখনই তোমাকে দেখেছিলাম।
49
নথনেল তাঁকে বললেন, গুরুদেব, আপনি ঈশ্বরের পুত্র, আপনিই ইসরায়েলের রাজা।
50
যীশু তাঁকে বললেন, ডুমুর গাছের তলায় আমি তোমাকে দেখেছি-এ কথা বললাম বলেই কি তুমি বিশ্বাস করলে? এর চেয়েও মহৎ অনেক কিছুই তুমি দেখবে।
51
তিনি আরও বললেন, আমি তোমাদের সত্যিই বলছি, তোমরা দেখবে স্বর্গ উন্মুক্ত হয়ে গেছে এবং ঈশ্বরের দূতেরা মানবপুত্রের কাছে আসা যাওয়া করছেন।
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 2 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
Recommended Reading
Commentary
John Commentaries
→
Devotional
John Devotional Guide
→
Get This Bible
BSI Study Bible
→