bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
John 18
John 18
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 17
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 19 →
1
প্রার্থনা নিবেদনের পর যীশু তাঁর শিষ্যদের নিয়ে কিদ্রোণ উপত্যকা পেরিয়ে একটি বাগানে চলে গেলেন।
2
বিশ্বাসঘাতক যিহুদা সি জায়গাটির কথা জানত কারণ যীশু প্রায়ই সেখানে তাঁর শিষ্যদের সঙ্গে মিলিত হতেন।
3
তাই যিহুদা প্রধান পুরোহিত এবং ফরিশীদের প্রেরিত মন্দিরের কিছু প্রহরী এবং একদল রোমীয় সৈন্য সঙ্গে নিয়ে সেই বাগানে গেল। তাদের হাতে ছিল মশাল, লন্ঠন ও অস্ত্রশস্ত্র।
4
আসন্ন ঘটনার কথা জেনেই যীশু তাদের কাছে এগিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, কাকে খুঁজছ তোমরা?
5
তারা বলল, নাসরতের যীশুকে। যীশু বললেন, আমিই সেই। বিশ্বাসঘাতক যিহুদা সেখানে তাদেরই সঙ্গে দাঁড়িয়েছিস।
6
‘আমিই সেই’ একথা যীশু বলতেই তারা পিছিয়ে গিয়ে মাটিতে পড়ে গেল।
7
যীশু আবার তাদের জিজ্ঞাসা করলেন, কাকে খুঁজছ তোমরা? তারা বলল, নাসরতের যীশুকে।
8
যীশু তাদের বললেন, আমি তো বললাম তোমাদের, আমিই সেই ব্যক্তি। আমাকেই যদি চাও তাহলে এদের সবাইকে যেতে দাও।
9
‘তুমি আমায় যাদের দিয়েছ একজনকেও আমি হারাই নি'- যীশু তাঁর প্রার্থনার এই বাণী পূর্ণ করার জন্যই একথা বলেছিলেন।
10
শিমোন পিতরের কাছে ছিল একটি তরবারি। সেই তরবারি বের করে তিনি প্রধান পুরোহিতের ক্রীতদাস মল্কাসের কান কেটে ফেললেন।
11
যীশু পিতরকে বললেন, কোষে রাখ তোমার তরবারি। এ পানপাত্র আমার পিতার দান, তা থেকে কি আমি পান করব না?
12
সেনাপতিসহ সৈন্যদল এবং ইহুদী প্রহরীরা যীশুকে গ্রেপ্তার করে বেঁধে ফেলল।
13
প্রথমে তারা যীশুকে নিয়ে গেল হাননের কাছে। কারণ হানন ছিলেন সেই বছরের জন্য নিযুক্ত প্রধান পুরোহিত কায়াফার শ্বশুর।
14
এই কায়াফাই ইহুদীদের পরামর্শ দিয়েছিল যে, সমগ্র জাতির স্বার্থে বরং একজনের মৃত্যুই শ্রেয়।
15
শিমোন পিতর ও আর একজন শিষ্য যীশুর অনুসরণ করলেন। অন্য শিষ্যটি প্রধান পুরোহিতের পরিচিত ছিলেন বলে যীশুর সঙ্গেই তিনি প্রধান পুরোহিতের গৃহপ্রাঙ্গণে প্রবেশ করলেন।
16
পিতর দাঁড়িয়ে রইলেন সদর দরজায় বাইরে। প্রধান পুরোহিতের পরিচিত সেই শিষ্যটি তাই আবার বাইরে বেরিয়ে এসে দ্বাররক্ষী দাসীকে বলে পিতরকে ভেতরে নিয়ে এলেন।
17
সেই দাসী তখন পিতরকে বলল, তুমি ঐ লোকটার একজন শিষ্য না? তিনি বললেন, কই, না তো!
18
শীতের দরুণ প্রহরী ও ভৃত্যেরা মিলে কাঠকয়লার আগুন জ্বেলে চারদিকে ঘিরে দাঁড়িয়ে আগুন পোয়াচ্ছিল। পিতরও সেখানে তাদের সঙ্গে আগুন পোয়াতে লাগলেন।
19
প্রধান পুরোহিত হানন যীশুকে তাঁর শিষ্যদের সম্বন্ধে ও তাঁর প্রদত্ত শিক্ষা সম্বন্ধে জেরা করতে লাগলেন।
20
যীশু বললেন, আমি সারা জগতের সামনে প্রকাশ্যে শিক্ষা দিয়েছি, মন্দিরে এবং সমাজভবনে যেখানে ইহুদীরা সমবেত হয় সেইখানেই আমি শিক্ষা দিয়েছি। গোপনে কিছুই বলিনি।
21
সুতরাং আমাকে জিজ্ঞাসা করছেন কেন? আমার শ্রোতাদের জিজ্ঞাসা করুন তাদের আমি কি বলেছি! আমি কি বলেছি তারা জানে।
22
যীশু এ কথা বললে পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা প্রহরীদের একজন তাঁর গালে চড় মেরে বলল, প্রধান পুরোহিতকে এ ভাবে উত্তর দিতে হয়?
23
যীশু বললেন, আমি যদি অন্যায় কথা বলে থাকি তাহলে তার প্রমাণ দাও। কিন্তু আমার কথা যদি ন্যায়সঙ্গত হয় তাহলে আমায় মারছ কেন?
24
হানন তখড় যীশুকে বন্দী অবস্থায়ই প্রধান পুরোহিত কায়াফার কাছে পাঠিয়ে দিলেন।
25
পিতর তখনও দাঁড়িয়ে আগুন পোয়াচ্ছিলেন। সেখানকার লোকেরা তাঁকে বলল, তুমিও তো ওর একজন শিষ্য, তাই নয় কি? কিন্তু পিতর অস্বীকার করলেন, বললেন, না, না আমি নই।
26
প্রধান পুরোহিতের ক্রীতদাসের মধ্যে একজন ছিল সেই লোকটার আত্মীয়, যার কান পিতর কেটে দিয়েছিলেন, সে জোর করে বলল, বলছ কি? তোমাকে আমি বাগানে ওর সঙ্গে দেখি নি?
27
পিতর সে কথা আবার অস্বীকার করলেন। ঠিক তখনই মোরগ ডেকে উঠল।
28
ভোর বেলায় কায়াফার কাছ থেকে যীশুকে নিয়ে যাওয়া হল রাজ্যপালের প্রাসাদে। ইহুদীরা অশুচি হবে এবং তারণোৎসবের ভোজ খেতে পারবে না এই ভয়ে তারা নিজেরা প্রাসাদে ঢুকল না।
29
তাই পীলাত বাইরে তাদের কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন, এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে তোমাদের কি অভিযোগ?
30
তারা বলল, এ যদি দুষ্কৃতকারী না হত তাহলে একে আপনার কাছে আনতাম না।
31
পীলাত তাদের বললেন, তোমরাই একে নিয়ে যাও এবং তোমাদের শাস্ত্রীয় বিধান অনুযায়ী এর বিচার কর। ইহুদীরা বলল, কিন্তু কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেবার ক্ষমতা আমাদের নেই।
32
কি ধরণের মৃত্যু তাঁকে বরণ করতে হবে, সে সম্বন্ধে যীশু যেকথা বলেছিলেন, এভাবে তা সফল হল।
33
পীলাত তখন প্রাসাদের মধ্যে ফিরে গিয়ে যীশুকে ডাকিয়ে আনলেন। তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কি ইহুদীদের রাজা?
34
যীশু বললেন, এ কি আপনার নিজের কথা, না অন্যেরা আমার সম্বন্ধে এ কথা আপনাকে বলেছে?
35
পীসাত বললেন, আমি কি ইহুদী? তোমার স্বজাতি ও পুরোহিত প্রধানেরাই তো তোমাকে আমার কাছে হাজির করেছে। কি করেছ তুমি?
36
যীশু বললেন, আমার রাজ্য এ জগতের নয়। তা যদি হত তাহলে আমার অনুচরেরা সংগ্রাম করত এবং আমি ইহুদীদের হাতে ধরা পড়তাম না। প্রকৃতপক্ষে আমার রাজ্য এখানে নয়।
37
পীলাত তখন বললেন, তাহলে তুমিও একজন রাজা। যীশু বললেন, আপনিই বলছেন আমি রাজা। সত্যের পক্ষে সাক্ষ্যদান করতেই আমি জন্মেছি এবং এই উদ্দেশ্যেই জগতে আমার আগমন। সত্যাশ্রয়ী যারা, তারা আমার কথা শুনবে।
38
পীলাত তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, সত্য কি? এ কথা বলেই পীলাত আবার বাইরে ইহুদীদের কাছে চলে গেলেন। তাদের বললেন, আমি এর কোন দোষ দেখছি না।
39
তোমাদেরই প্রথা অনুযায়ী তারণোৎসবের সময় আমি একজন বন্দীকে মুক্তিদান করে থাকি। তোমরা যদি চাও, এই ‘ইহুদীদের রাজা'কে আমি মুক্তি দেব।
40
তারা সমস্বরে চীৎকার করে উঠল, ওকে নয়, আমরা চাই বারাব্বাসকে। সেই বারাব্বাস ছিল একজন দস্যু।
← Chapter 17
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 19 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21