bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
John 4
John 4
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 3
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 5 →
1
যীশু জানতে পারলেন যে ফরিশীরা শুনতে পেয়েছে, বাপ্তিষ্মদাতা যোহনের চেয়ে তিনি বেশি লোককে বাপ্তিষ্ম করছেন এবং শিষ্য করছেন।
2
প্রকৃতপক্ষে শিষ্যেরাই বাপ্তিষ্মদাতা করতেন, যীশু কিন্তু স্বয়ং এ কাজ করতেন না।
3
এ কথা শুনে তিনি যিহুদীয়া ত্যাগ করে আবার চলে গেলেন গালীল প্রদেশে
4
শমরীয়া দেশের মধ্য দিয়ে যেতে হল তাঁকে।
5
যাওয়ার পথে তিনি এলেন শমরীয়ার একটি শহরে, নাম সূকর। যাকোব তাঁর পুত্র যোষেফকে যে জমিটি দিয়েছিলেন, শহরটি তারই কাছে।
6
সেখানে যাকোবের কূপ নামে আখ্যাত একটি কূপ ছিল। তখন প্রায় দুপুর। পথশ্রমে ক্লান্ত হয়ে যীশু কুয়োর পাড়ে বসলেন।
7
তাঁর শিষ্যেরা গেলেন শহরে খাবার কিনতে। এমন সময় শমরীয়াবাসিনী এক নারী এল জল তুলতে। যীশু তাকে বললেন, আমাকে জল দাও।
9
সেই নারী বলল, আপনি একজন ইহুদী। কেমন করে আপনি আমার মত একজন শমরীয়া নারীর কাছে জল চাইছেন? (ইহুদীদের কাছে শমরীয়াবাসীরা ছিল অস্পৃশ্য।)
10
যীশু তাকে উত্তর দিলেন, যদি তুমি জানতে ঈশ্বরের দানের কথা এবং যদি জানতে কে তোমায় বলছেন ‘আমাকে জল দাও’, তাহলে তুমিই তাঁর কাছে জল চাইতে এবং তিনি তোমাকে জীবনবারি দান করতেন।
11
সেই নারী তাঁকে বলল, মহাশয় আপনার তো কলসী নেই, আর কুয়োটিও গভীর। তাহলে কোথা থেকে আপনি জীবনবারি পাবেন?
12
আপনি কি আমাদের পূর্বপুরুষ যাকোবের চেয়েও মহান? তিনিই আমাদের এই কূপ দান করেছেন। তিনি এবং তাঁর পুত্রেরাও এই কূপ থেকে জলপান করতেন এবং নিজেদের পশুপালকেও পান করাতেন।
13
যীশু বললেন, এ জল যারা পান করবে, তাদের আবার পিপাসা পাবে
14
কিন্তু আমি যে জল দেব তা যে পান করবে সে আর কখন তৃষ্ণার্ত হবে না। আমার দেওয়া জলে তার অন্তর থেকে উৎসারিত হবে অনন্ত জীবনের ধারা।
15
সেই রমণী তখন যীশুকে বলল, মহাশয় তাহলে সেই জলই আমাকে দিন। আর যেন আমার পিপাসা না পায় আর জল তুলতেও এতদূর আসতে না হয়।
16
যীশু তাকে বললেন, যাও, তোমার স্বামীকে ডেকে নিয়ে এস।
17
সে বলল, আমার স্বামী নেই। যীশু বললেন, ঠিক কথাই বলেছ তুমি, তোমার স্বামী নেই।
18
কারণ তোমার পাঁচজন স্বামী ছিল এবং এখন যার সঙ্গে তুমি বাস করছ, সে তোমার স্বামী নয়।
19
সুতরাং তোমার কথাই সত্যি। সে বলল, আপনি তো দেখছি একজন সত্য দ্রষ্টা নবী।
20
আমাদের পিতৃপুরুষেরা এই পাহাড়ের উপরে উপাসনা করতেন কিন্তু আপনারা, ইহুদীরা বলেন যে, জেরুশালেমের মন্দিরেই ঈশ্বরের উপাসনা করতে হবে।
21
যীশু তাকে বললেন, ভদ্রে, বিশ্বাস কর আমার কথা, এমন এক দিন আসছে, যেদিন তোমার পিতার উপাসনা এই পর্বতেও করবে না, জেরুশালেমেও করবে না।
22
তোমরা, শমরীয়েরা, যাঁকে উপাসনা কর তাঁকে জান না। কিন্তু আমরা যাঁকে উপাসনা করি তাঁকে জানি। তাই ইহুদীদের মধ্যে থেকেই আসবে পরিত্রাণ।
23
কিন্তু এমন সময় আসছে, এমন কি এখনই সেই সময়, যখন প্রকৃত উপাসকেরা আত্মায় ও সত্যে পিতার উপাসনা করবে। পিতা এমন উপাসকেরই সন্ধান করেন।
24
ঈশ্বর আত্মাস্বরূপ। তাঁর উপাসনা যারা করবে, আত্মায় ও সত্যেই তাদের উপাসনা করতে হবে। সেই নারী বলল, আমি জানি যে মশীহ আসছেন।
25
তিনি এসে সব কিছুই আমাদের বুঝিয়ে দেবেন।
26
যীশু তাকে বললেন, তোমার সঙ্গে কথা বলছি যে আমি, আমিই তিনি।
27
এমন সময় তাঁর শিষ্যেরা ফিরে এলেন এবং একটি নারীর সঙ্গে তাঁকে কথা বলতে দেখে অবাক হয়ে গেলেন। তবু কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করলেন না যে, আপনি কি চাইছেন? বা ওর সঙ্গে আপনি কেনই বা কথা বলছেন?
28
সেই নারী তখন কলসী ফেলে রেখে শহরে চলে গেল এবং লোকদের বলতে লাগল,
29
একজনকে দেখবে এস, আমি যা কিছু করেছি, সব তিনি বলে দিয়েছেন। বোধহয় ইনিই সেই মশীহ।
30
শহরের সকলেই তখন যীশুর কাছে গেল।
31
এই অবসরে শিষ্যেরা তাঁকে অনুরোধ করে বললেন, গুরুদেব, এবার কিছু মুখে দিন।
32
কিন্তু তিনি তাঁদের বললেন, আমার কাছে এমন খাদ্য আছে, যার কথা তোমরা জান না।
33
এ কথায় শিষ্যেরা নিজেদের মধ্যে বলতে লাগলেন, কেউ তাহলে ওঁকে খাবার নে দিয়েছে।
34
যীশু তাঁদের বললেন, যিনি আমাকে পাঠিয়েছেন তাঁর ইচ্ছা পালন করা ও তাঁর কাজ সমাধা করাই হচ্ছে আমার আহার্য।
35
তোমরাই তো বল, আর চার মাস পরে ফসল কাটার মরশুম আসছে। কিন্তু চেয়ে দেখ, তোমাদের আমি বলছি, মাঠের দিকে ভাল করে চেয়ে দেখ। ফসল এখনই পেকে গেছে, কাটার উপযুক্ত হয়েছে।
36
ফসল যে কাটছে সে পাচ্ছে তার মজুরী, পাচ্ছে অনন্তজীবনের শস্যসম্ভার। যিনি বপন করেছেন এবং যে সংগ্রহ করেছে উভয়েই যেন আনন্দলাভ করতে পারে।
37
এর দ্বারা এই প্রবচনের সত্যতা প্রমাণিত হচ্ছে যে, ‘একজন বোনে, আর একজন কাটে।’
38
আমি তোমাদের এমন শস্য আহরণ করতে পাঠাচ্ছি, যার জন্য তোমার পরিশ্রম কর নি। পরিশ্রম করেছে অন্যজন, আর তোমরা যাচ্ছ তাদের পরিশ্রমের ফসল আহরণ করতে।
39
‘আমি যা কিছু করেছি সবই তিনি বলে দিয়েছেন,'-সেই নারীর এই সাক্ষ্যে শমরীয়া শহরের অনেক লোক তাঁকে বিশ্বাস করেছিল।
40
তাই যীশুর কাছে এসে তারা তাঁকে তাদের সঙ্গে থাকতে অনুরোধ করল। যীশু সেখানে দুদিন থাকলেন।
41
আরও অনেকে তাঁর বাণী শুনে তাঁর উপর বিশ্বাস স্থাপন করল।
42
এবং সেই রমণীকে তারা বলল, তবে তোমার কথা শুনে আমরা যে বিশ্বাস করেছি, তা নয়, কিন্তু তাঁর বাণী আমরা নিজেরা শুনেছি এবং জেনেছি যে ইনি প্রকৃতই জগতের উদ্ধারকর্তা।
43
দুদিন পর যীশু সেখান থেকে গালীল প্রদেশে চলে গেলেন।
44
যীশু বলেছিলেন, কোন নবী স্বদেশে সম্মান পান না।
45
গালীলে গিয়ে পৌঁছালে গালীলবাসীরা তাঁকে সম্বর্ধনা জানাল। কারণ তারণোৎসবের সময় তারা জেরুশালেমে গিয়েছিল এবং সেখানে যীশুর সমস্ত কার্যকলাপ দেখেছিল।
46
যেখানে যীশু জলকে দ্রাক্ষারসে পরিণত করেছিলেন, গালীলের সেই কান্না নগরে তিনি আবার গেলেন। কফরনাউম-এ একজন রাজকর্মচারী থাকতেন। তাঁর ছেলে অসুখে ভুগছিল।
47
যিহুদীয়া থেকে যীশু গালীল-এ এসেছেন শুনে তিনি যীশুর কাছে মিনতি জানালেন যেন যীশু তাঁর বাড়িতে গিয়ে তাঁর মুমূর্ষ পুত্রকে সুস্থ করেন।
48
যীশু তাঁকে বললেন, ঐশীশক্তির নিদর্শন কিম্বা অদ্ভুত কিছু না দেখলে কি তোমরা বিশ্বাস করতে পার না? সেই রাজকর্মচারী তাঁকে অনুরোধ করে বললেন,
49
গুরুদেব, আমার পুত্রের মৃত্যু হওয়ার আগে চলুন।
50
যীশু তাঁকে বললেন, যাও তোমার পুত্রের মৃত্যু হবে না।
51
যীশুর কথায় বিশ্বাস করে তিনি চলে গেলেন। বাড়িতে গিয়ে পৌঁছানোর আগেই তাঁর দাসেরা গিয়ে তাঁকে খবর দিল যে তাঁর ছেলে বেঁচে গেছে।
52
তিনি তাদের জিজ্ঞাসা করলেন, কখন সে সুস্থ হল? তারা বলল, গতকাল, বেলা একটার পর তার জ্বর ছেনে গেছে।
53
বালকটির পিতা মনে করে দেখলেন, ঠিক সেই সময়ই যীশু তাঁকে বলেছিলেন, ‘তোমার ছেলে বেঁচে যাবে।’ এরপর তিনি এবং তাঁর পরিবারের সকলে যীশুর উপর বিশ্বাস স্থাপন করলেন।
54
যিহুদীয়া থেকে গালীল-এ আসার পর এইটিই হল যীশুর ঐশীশক্তির দ্বিতীয় নিদর্শন।
← Chapter 3
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 5 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21