bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
John 3
John 3
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 2
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 4 →
1
নিকদিম নামে ফরিশী সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ছিলেন ইহুদীদের জাতীয় পরিষদের সদস্য।
2
তিনি একদিন রাত্রিবেলায় যীশুর কাছে এসে বললেন, গুরুদেব আমরা জানি, আপনি ঈশ্বরপ্রেরিত শিক্ষাগুরু। ঈশ্বর সহায় না থাকলে আপনার মত এরকম ঐশীশক্তির নিদর্শন কেউ দেখাতে পারে না।
3
যীশু তাঁকে বললেন, আমি তোমাকে সত্যিই বলছি, নবজন্ম লাভ না হলে কেউ ঈশ্বরের রাজ্য দর্শন করতে পারে না।
4
নিকদিম জিজ্ঞাসা করলেন, পরিণত বয়সে মানুষের পক্ষে আবার জন্মগ্রহণ করা কি সম্ভব? সে কি আবার জন্মের জন্য মাতৃগর্ভে প্রবেশ করতে পারে?
5
যীশু উত্তর দিলেন, আমি সত্যি করে তোমাকে বলছি, জল ও আত্মা দ্বারা জাত না হলে কেউ ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করতে পারে না।
6
দেহ থেকে যা জাত দৈহিক এবং আত্মা থেকে যা জাত তা আত্মিক।
7
তোমাদের অবশ্যই নবজন্ম লাভ করতে হবে-আমার এ কথায় বিস্মিত হয়ো না।
8
বাতাস নিজের ইচ্ছা মতই বয়, তুমি তার শব্দ শুনতে পাও কিন্তু সে বাতাস কোথা থেকে আসে আর কোথায়ই বা যায় তুমি জান না। আত্মা থেকে জাত ব্যক্তি সেইরকম।
9
নিকদিম জিজ্ঞাসা করলেন, কিন্তু এ কেমন করে সম্ভব?
10
যীশু বললেন, তুমি না ইসরায়েলীদের গুরু, তুমি জান না এ কথা?
11
আমি তোমায় সত্য বলছি, আমরা যা জানি সেই কথাই বলি এবং যা দেখি সেই সম্বন্ধেই সাক্ষ্য দিই, তা সত্ত্বেও তোমরা আমাদের সাক্ষ্য প্রত্যাখ্যান কর।
12
পার্থিব বিষয় সম্বন্ধে আমার কথা যদি তোমরা বিশ্বাস করতে না পার তাহলে স্বর্গীয় বিষয়ে আমার কথা তোমরা কি করে বিশ্বাস করবে?
13
যিনি স্বর্গলোক থেকে অবতীর্ণ হয়েছেন, একমাত্র সেই মানবপুত্র ব্যতীত কেউ কখনো স্বর্গলোকে উত্তীর্ণ হয় নি।
14
মরুপ্রান্তরে মোশি যেমন সাপকে উচ্চে স্থাপন করেছিলেন, মানবপুত্রকেও সেইভাবে উচ্চে প্রতিষ্ঠিত করা হবে।
15
যেন তাঁকে যারা বিশ্বাস করবে তারা সকলেই লাভ করে অনন্তজীবন।
16
ঈশ্বর জগতকে এত ভালবেসেছিলেন যে তার জন্য তিনি দান করলেন তাঁর অনন্য পুত্রকে। যে তাঁকে বিশ্বাস করবে ক্ষয় নেই তার লাভ করবে সে অনন্ত জীবন।
17
জগতের বিচারের জন্য নয় কিন্তু জগত যাতে উদ্ধার পায় তারই জন্য ঈশ্বর পাঠিয়েছেন তাঁর পুত্রকে।
18
যে ব্যক্তি তাঁকে বিশ্বাস করেছেসে বিচারের সম্মুখীন হবে না। কিন্তু অবিশ্বাসী যে তার বিচার সম্পন্ন হয়ে গেছে। কারণ ঈশ্বরের অনন্য পুত্রকে সে বিশ্বাস করে নি।
19
এই হচ্ছে বিচার: জ্যোতির্ময়ের হয়েছে আবির্ভাব কিন্তু মানুষের কাছে জ্যোতি অপেক্ষা তমসাই হয়েছে প্রিয়তর। কারণ তাদের কর্ম মন্দ।
20
যারা মন্দ কাজ করে জ্যোতি বিদ্বেষী তারা, জ্যোতির সান্নিধ্যে তারা আসে না। তাহলে উদ্ঘাটিত হবে তাদের অপকর্মরাশি।
21
সত্যের সাধক যারা জ্যোতির সান্নিধ্যে তারা আসে যেন ঈশ্বরের ইচ্ছা অনুসারে সাধিত তাদের সকল কর্ম যেন সেই জ্যোতির দ্বারা প্রকাশিত হয়।
22
এরপর যীশু তাঁর শিষ্যদের নিয়ে যিহুদীয়া প্রদেশে চলে গেলেন। সেখানে কিছুদিন তাঁদের সঙ্গে থেকে বাপ্তিষ্ম দান করলেন।
23
শালিমের কাছেই আয়নোন-এ যথেষ্ট জল থাকায় যোহনও সেখানে বাপ্তিষ্ম দাল করছিলেন। ক্রমাগত লোকেরা তাঁর কাছে বাপ্তিষ্ম গ্রহণ করছিল।
24
(এ ঘটনা ঘটে যোহনের কারাগারে বন্দী হওয়ার আগে)
25
শুদ্ধিকরণ সম্পর্কে যোহনের কয়েকজন শিষ্যের সঙ্গে ইহুদীদের তর্ক বাধে।
26
তখন তাঁরা যোহনের কাছে এসে বললেন, গুরুদেব, নদীর ওপারে যিনি আপনার সঙ্গে ছিলেন, যাঁর সম্বন্ধে আপনি সাক্ষ্যদান করেছিলেন, তিনিও এখানে বাপ্তিষ্ম দান করছেন আর সবাই তাঁরই কাছে ভীড় করে যাচ্ছে।
27
যোহন বললেন, ঈশ্বর না দিলে কোন মানুষ কিছু পায় না।
28
তোমরাই আমার এ কথার সাক্ষী যে, আমি বলেছিলামং, আমি মশীহ নই। তাঁর অগ্রদূতরূপেই আমি প্রেরিত হয়েছি।
29
বধূ যার পাশে থাকে সেই-ই হচ্ছে বর। বরের বন্ধু বরের পাশে দাঁড়িয়ে তার কথা শোনে আর আনন্দ উপভোগ করে। আজ আমিও সেই পরিপূর্ণ আনন্দ লাভ করেছি।
30
এবার থেকে তাঁর মহত্ত্ব ক্রমে বৃদ্ধি পাবে আর আমার হবে ক্ষয়।
31
ঊর্ধ্বলোক থেকে যাঁর আগমন তিনিই সকলের ঊর্ধ্বে। পৃথিবী থেকে যার উদ্ভব সে পৃথিবীরই অধিবাসী, পার্থিব কথাই সে বলে। স্বর্গ থেকে যাঁর আগমন সবার উপরে তাঁর স্থান।
32
সেখানে তিনি যা কিছু দেখেছেন ও শুনেছেন, তারই সাক্ষ্য তিনি দেন কিন্তু তাঁর সে কথা কেউ গ্রাহ্য করে না।
33
তাঁর এই সাক্ষ্যকে গ্রাহ্য করার অর্থ এই যে, ঈশ্বর সত্যময়-একথা স্বীকার করা।
34
ঈশ্বর যাঁকে প্রেরণ করেছেন, তিনি ঈশ্বরের বাক্যই উচ্চারণ করেন। কারণ ঈশ্বর তাঁকে তাঁর পবিত্র আত্মার অপরিমেয় আশীর্বাদ দান করেছেন।
35
পিতা পুত্রকে ভালবাসেন এবং তাঁর হাতেই সব কিছুর কর্তৃত্ব সমর্পণ করেছেন।
36
যে সেই পুত্রে বিশ্বাস অর্পণ করেছে, শাশ্বত জীবনে তারই অধিকার কিন্তু পুত্রের আনুগত্য যে স্বীকার করে নি, সেই জীবন লাভে সে হবে বঞ্চিত, ঈশ্বরের ক্রোধ নেমে আসায় তার উপর।
← Chapter 2
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 4 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21