bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
John 12
John 12
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 11
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 13 →
1
তারণোৎসবের ছয়দিন আগে যীশু গেলেন বেথানি গ্রামে, সেখানে থাকত লাসার, যাকে যীশু পুনর্জীবন দান করেছিলেন।
2
তাঁর সম্মানে এক ভোজসভার আয়োজন করা হয়েছিল। এই ভোজে মার্থা পরিবেশন করছিল এবং লাসার বসেছিল যীশু ও আমন্ত্রিতদের সঙ্গে।
3
মরিয়ম তখন জটামাংসী লতার বিশুদ্ধ এবং বহুমূল্য আধ সের পরিমাণ সুগন্ধি নির্যাস নিয়ে এল, মাখিয়ে দিল যীশুর দুখানি পায়ে। তারপর নিজের চুল দিয়ে মুছিয়ে দিল পা দুখানি। সারা ঘর ভরে গেল মধুর সুরভিতে।
4
যিহুদা ইষ্করিয়োত নামে যীশুর অন্যতম শিষ্য-যে তাঁর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবে-এই দেখে বলল,
5
এই সুগন্ধি নির্যাস তিনশো টাকায় বিক্রী করে গরীবদের দান করা হল না কেন?
6
গরীবদের জন্য তার খুব দরদ ছিল বলে যে সে একথা বলেছিল তা নয়। সে নিজে ছিল চোর। সাধারণ তহবিলের দায়িত্ব তার উপরেই ছিল বলে টাকার বাক্স তার কাছেই থাকত। এই তহবিল থেকে সে টাকা সরাত।
7
কিন্তু যীশু বললেন, থাক, থাক, ও যা করছে করুক। আমার শেষকৃত্যের কাজ ওকে করতে দাও।
8
গরীবরা সবসময়ই তোমাদের কাছে আছে কিন্তু আমাকে তোমরা সবসময় কাছে পাবে না।
9
যীশু বেথানিতে আছেন শুনে ইহুদীদের বিরাট এক জনতা সেখানে গেল। তারা যে শুধু যীশুকেই দেখতে গিয়েছিল তাই নয়। সেই সঙ্গে যীশু যাকে মৃত্যুলোক থেকে তুলে পুনর্জীবন দিয়েছিলেন, সেই লাসারকেও দেখতে গিয়েছিল।
10
পুরোহিতদের নেতৃবৃন্দ তখন লাসারকেও হত্যা করার ষড়যন্ত্র করল।
11
কারণ এই লাসারের জন্যই বহু ইহুদী যীশুর কাছে গিয়ে তার উপর বিশ্বাস স্তাপন করছিল।
12
তারণোৎসবে যোগ দেওয়ার জন্য বিরাট এক তীর্থযাত্রী দল এসেছিল, তারা শুনল যে যীশু জেরুশালেমের দিকে আসছেন।
13
তারা তখন খেজুর পাতা হাতে নিয়ে তাঁকে স্বাগত জানাতে গেল। উচ্চকন্ঠে তারা বলতে লাগল:হোশান্না- ধন্য, যিনি প্রভুর নামে আসছেনঈশ্বরের আশিসযাত্রা বর্ষিত হোকইসরায়েলের সেই রাজার উপর।
14
যীশু একটি গাধার পিঠে চড়ে আসছিলেন। শাস্ত্রে যেমন লেখা আছেঃআর ভয় নেই ওগো সিয়োন কন্যেদেখ তোমার রাজা আসছেনগর্দভশাবক বাহনে আসীন হয়ে।
16
যীশুর শিষ্যেরা প্রথমে এর তাৎপর্য বুঝতে পারেন নি কিন্তু যীশু যখন মহিমান্বিত হলেন তখন তাঁদের স্মরণে এল যে শাস্ত্রে তাঁর সম্বন্ধে যে কথা লেখা আছে, সেই ঘটনাই তাঁর জীবনে এই দিনে সফল হল।
17
মৃত্যুলোক থেকে পুনর্জীবন দিয়ে যীশু যখন লাসারকে সমাধির বাইরে ডেকে এনেছিলেন, সেই সময় সেখানে যারা উপস্থিত ছিল তারা যা দেখেছিল ও শুনছিল সেই কথা সকলের কাছে প্রচার করেছিল।
18
তাঁর এই ঐশী নিদর্শনযুক্ত কাজের কথা শুনেই জনতা গিয়েছিল তাঁকে স্বাগত জানাতে।
19
ফরিশীরা তখন নিজেদের মধ্যে বলতে লাগল, দেখ তো, কিছুই করতে পারছ না তোমরা। সারা জগত সংসার ছুটে চলেছে ওর পিছনে।
20
তারণোৎসবের উপাসনায় কয়েকজন গ্রীকও যোগ দিতে গিয়েছিল।
21
গালীল প্রদেশের বেথসৈদা নিবাসী ফিলিপের কাছে গিয়ে তারা অনুরোধ করে বলল, মহাশয় আমরা যীশুর দর্শন পেতে চাই।
22
ফিলিপ আন্দ্রিয়েক কাছে গিয়ে একথা বললেন। তারপর দুজনেই গিয়ে যীশুকে বললেন একথা।
23
যীশু তখন বললেন, মানবপুত্রের মহিমান্বিত হবার লগ্ন উপস্থিত।
24
আমি তোমাদের এই সত্য বলছি, একটি গমের দানা মাটিতে পড়ে না মরা পর্যন্ত সেটি এককই থাকে কিন্তু মরলে পর তা হয় অজস্র ফসলদায়ী।
25
নিজের জীবনের প্রতি যে আসক্ত সে তার জীবন হারাবে কিন্তু এই জগতে নিজ প্রাণকে যে তুচ্ছ করে, সে লাভ করবে অনন্ত জীবনের নিরাপত্তা।
26
যে আমার সেবক হতে চায় তাকে হতে হবে আমার অনুগামী। তাহলে আমি যেখানে থাকব আমার সেবকও সেইখানেই থাকবে। যে আমার সেবক হবে তাকে আমার পিতা সম্মানিত করবেন।
27
অন্তর আমার গভীর উদ্বেগে অস্থির। কি বলব আমি? পিতা এই বিষম লগ্ন থেকে আমাকে নিষ্কৃতি দাও? না। এই লগ্নের জন্যই তো আমার আগমন। পিতা, তোমারই নাম হোক মহিমান্বিত।
28
তখন অন্তরীক্ষে শোনা গেল দৈববাণী: আমি মহিমান্বিত করেছি সে নাম এবং মহিমান্বিত করব আবার!
29
সেখানে দাঁড়িয়েছিল যে জনতা, তারা সেই বাণী শুনে বলল,বজ্রধ্বনি হচ্ছে। অন্যেরা বলল, একজন স্বর্গদূত ওঁর সঙ্গে কথা বললেন।
30
যীশু বললেন, এই বাণী ধ্বনিত হল তোমাদেরই জন্য, আমার জন্য নয়।
31
এ জগতের বিচারের লগ্ন সমুপস্থিত। এ জগত যার অধীন সে এখন বিতাড়িত হবে।
32
আমি যখন ঊর্ধ্বে উন্নীত হব তখন সমস্ত মানুষকে আমার দিকে আকৃষ্ট করব।
33
কিভাবে তাঁকে মৃত্যুবরণ করতে হবে, এই কথায় তারই আভাস তিনি দিয়েছিলেন।
34
লোকেরা তাঁকে বলল, শাস্ত্র থেকে আমরা জেনেছি যে মশীহ চিরজীবি। তাহলে ‘মানবপুত্রকে ঊর্ধ্বে উন্নীত হতে হবে'-এ কথায় আপনি কি বুঝাতে চাইছেন?
35
কে এই মানবপুত্র? যীশু তাদের উত্তর দিলেন, তোমাদের মাঝে এখনও জ্যোতি রয়েছেন কিন্তু আর অল্পকাল মাত্র। যতক্ষণ জ্যোতি আছে, এগিয়ে যাও নিজেদের পথে যাতে আঁধার তোমাদের আচ্ছন্ন করতে না পারে। অন্ধকারে যে পথ চলে, সে জানে না কোথায় সে যাচ্ছে।
36
যতক্ষণ তোমরা জ্যোতির সান্নিধ্যে আছ, বিশ্বাস কর সেই জ্যোতিকে, যেন তোমরাও হতে পার জ্যোতির সন্তান। এই কথা বলে যীশু তাদের কাছ থেকে চলে গেলেন একটি গোপন স্থানে।
37
সকলের সামনে বহু ঐশী নিদর্শনযুক্ত কাজ করা সত্ত্বেও তারা যীশুকে বিশ্বাস করল না।
38
এই ভাবেই সফল হল নবী যিশাইয়র ভবিষ্যদ্বাণী:আমাদের কথা কে বিশ্বাস করেছে প্রভু,কার কাছেই বা প্রকাশিত হয়েছেপ্রভুর পরাক্রম?
39
তারা বিশ্বাস করতে পারল না-কারণ এ সম্বন্ধে নবী যিশাইয় আরও বললেনঃ
40
তিনি অন্ধ করবেন তাদের নয়নরুদ্ধ করলেন তাদের হৃদয়ের দ্বার নইলে তারা চোখে দেখত এবং অন্তরে উপলব্ধি করে ফিরে আসত আর তিনি তাদের করতেন আরোগ্যদান।
41
যিশাইয় তাঁর মহিমাদর্শন করেছিলেন বলেই তাঁর সম্বন্ধে এ কথা বলে গেছেন।
42
তা সত্ত্বেও ইহুদী নেতৃবৃন্দের অনেকে তাঁর উপরে বিশ্বাস স্থাপন করেছিল কিন্তু ফরিশীদের ভয়ে তাঁকে স্বীকৃতি দিতে পারছিল না। তাহলে তাদের সমাজচ্যুত করা হত।
43
কারণ ঈশ্বরের দেওয়া সম্মানের চেয়ে মানুষের দেওয়া সম্মানকেই তারা বেশি মূল্যবান মনে করত।
44
যীশু উচ্চকন্ঠে ঘোষণা করলেন, যে আমাকে বিশ্বাস করে সে শুধু আমাকেই নয়, কিন্তু যিনি আমাকে পাঠিয়েছেন তাঁকেই বিশ্বাস করে।
45
যে আমাকে দর্শন করে, আমাকে যিনি পাঠিয়েছেন তাঁকেই সে দর্শন করে।
46
আমি জ্যোতিরূপে এ জগতে এসেছি। যে আমাকে বিশ্বাস করে সে অন্ধকারে থাকবে না।
47
কেউ যদি আমার কথা শুনে তা পালন করে, তার বিচার আমি করব না। কারণ আমি এই পৃথিবীতে বিচার করতে আসি নি, এসেছি পৃথিবীকে উদ্ধার করতে।
48
যে আমার বাণী গ্রহণ না করে আমাকে প্রত্যাখ্যান করে তার বিচার হবে অন্যভাবে। শেষের দিনে আমার মুখনিঃসৃত সেই বাণীই হবে তার বিচারক।
49
আমি নিজে থেকে কিছু বলি না কিন্তু পিতা, যিনি আমাকে পাঠিয়েছেন তিনি স্বয়ং কি বলতে হবে এবং কিভাবে বলতে হবে, তার নির্দেশ আমাকে দিয়েছেন।
50
আমি জানি তাঁর নির্দেশেই নিহিত আছে অনন্ত জীবন। পিতা আমাকে যা শিক্ষা দিয়েছেন সেই কথাই আমি বলি।
← Chapter 11
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 13 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21