bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
John 11
John 11
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 10
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 12 →
1
মার্থা আর মরিয়ম নামে দুই বোন বাস করত বেথানি গ্রামে। এই মরিয়মই প্রভুকে অভিষিক্ত করেছিল সুগন্ধি তেল দিয়ে এবং
2
তাঁর পা দুখানি মুছিয়ে দিয়েছিল নিজের মাথার চুল দিয়ে। এদেরই ভাই লাসারের খুব অসুখ করেছিল।
3
তারা যীশুর কাছে বলে পাঠাল, আপনার বন্ধু খুব অসুস্থ।
4
একথা শুনে যীশু বললেন, এ অসুখে সে মরবে না বরং এর দ্বারা ঈশ্বর গৌরবান্বিত হবেন এবং সেই সঙ্গে ঈশ্বরের পুত্রও হবেন গৌরবান্বিত।
5
মার্থা এবং তার বোন ও লাসারকে যীশু ভালবাসতেন।
6
কিন্তু তা সত্ত্বেও লাসারের অসুস্থতার কথা শুনে যীশু যেখানে ছিলেন সেইখানে আরও দুদিন দেরী করলেন।
7
তারপর যীশু তাঁর শিষ্যদের বললেন, চল, আমরা যিহুদীয়ায় ফিরে যাই।
8
তাঁর শিষ্যরা বললেন, গুরুদেব, মাত্র কিছুদিন আগে সেখানে ইহুদীরা আপনাকে পাথর দিয়ে মারতে চেয়েছিল। আবার আপনি সেখানে যেতে চান?
9
যীশু বললেন, দিনের আলো থাকে বারো ঘন্টা, তাই নয় কি? দিনের আলোতে যে চলে সে উছোট খায় না কারণ জগত তখন আলোকিত থাকে।
10
কিন্তু রাতের আঁধারে যে পথ চলে সে উছোট খায় কারণ তার সামনে তখন আর আলো থাকে না।
11
এ কথার পর তিনি বললেন, আমাদের বন্ধু লাসার ঘুমিয়ে পড়েছে। আমি গিয়ে তাকে জাগাব।
12
শিষ্যরা বললেন, গুরুদেব, সে যদি ঘুমিয়ে থাকে তাহলে সে সুস্থ হয়ে যাবে।
13
যীশু বলেছিলেন তার মৃত্যুর কথা কিন্তু তাঁরা সেটাকে স্বাভাবিক ঘুমের কথা মনে করেছিলেন।
14
যীশু তখন স্পষ্টভাবে বললেন, লাসার মারা গেছে। তোমাদের কথা ভেবেই আমি আনন্দিত যে আমি তখন সেখানে ছিলাম না। এখন তোমরা বিশ্বাস করতে পারবে। চল, এবার আমরা তার কাছে যাই।
16
থোমা যাঁর অপর নাম যমজ, তিনি তাঁর সতীর্থদের বললেন, চল আমরাও ওঁর সঙ্গে যাই। যেন আমরাও তাঁর সঙ্গে মৃত্যুবরণ করতে পারি।
17
সেখানে পৌঁছে যীশু জানতে পারলেন যে চারদিন আগে লাসারের সমাধি হয়ে গেছে।
18
জেরুশালেম থেকে বেথানির দূরত্ব দু মাইলেরও কম।
19
শহর থেকে অনেকেই এসেছিল মার্থা ও মরিয়মকে ভাই-এর মৃত্যুশোকে সান্ত্বনা দিতে।
20
যীশুর আসার কথা শুনেই মার্থা তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গেল কিন্তু মরিয়ম ঘরেই রইল।
21
মার্থা যীশুকে বলল, প্রভু, আপনি এখানে থাকলে আমার ভাই মারা যেত না।
22
কিন্তু তাহলেও আমি জানি ঈশ্বরের কাছে আপনি যা কিছু চাইবেন, তিনি আপনাকে তা দেবেন।
23
যীশু তাকে বললেন, তোমার ভাই পুনরুত্থিত হবে।
24
মার্থা বলল, আমি জানি, শেষের সেই পুনরুত্থানের দিনে সে আবার উঠবে।
25
যীশু বললেন আমিই পুনরুত্থান এবং আমিই জীবন। আমার উপরে যদি কারও বিশ্বাস থাকে তার মৃত্যু হলেও সে জীবন লাভ করবে।
26
আর জীবিত যে কোন জন যদি আমাকে বিশ্বাস করে তার কখনও মৃত্যু হবে না। এ কথা কি তুমি বিশ্বাস কর?
27
সে বলল, হ্যাঁ প্রভু। জগতে যাঁর আবির্ভাব আসন্ন, আমি বিশ্বাস করি আপনিই সেই মশীহ ঈশ্বরের পুত্র।
28
এই কথা বলে মার্থা তার বোন মরিয়মকে ডাকতে গেল। গিয়ে গোপনে তাকে বলল, গুরুদেব এসেছেন, তোমাকে ডাকছেন।
29
এ কথা শুনে মরিয়ম তাড়াতাড়ি তাঁর কাছে গেল।
30
যীশু তখনও গ্রামে পৌঁছান নি, মার্থা যেখানে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিল সেখানেই তিনি ছিলেন।
31
যে সমস্ত ইহুদী বাড়ির মধ্যে মরিয়মকে সান্ত্বনা দিচ্ছিল, তারা তাকে ঘর ছেড়ে মার্থার সঙ্গে ছুটে বেরিয়ে যেতে দেখে ভাবল, হয়তো সে কাঁদবার জন্য সমাধির কাছে যাচ্ছে।
32
যীশু যেখানে ছিলেন সেখানে গিয়ে মরিয়ণ যীশুকে দেখার সঙ্গে সঙ্গে সে তাঁর চরণে লুটিয়ে পড়ে বলল, গুরুদেব, আপনি এখানে থাকলে আমার ভাই মারা যেত না।
33
তাকে ও তার ইহুদী সঙ্গীনীদের কাঁদতে দেখে যীশুর অন্তর বেদনায় মথিত হয়ে উঠল।
34
তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কোথায় রেখেছ তোমরা তাকে? তারা বলল, দেখবেন আসুন গুরুদেব।
35
যীশু তখন কাঁদতে লাগলেন।
36
এতে ইহুদীরা বলল, আহা, উনি তাকে কত ভালই না বাসতেন।
37
কিন্তু কয়েকজন বলল, যিনি অন্ধকে দৃষ্টিদান করেছেন, তিনি লাসারকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাবার জন্য কি কিছু করতে পারতেন না?
38
গভীর শোকে কারত হয়ে যীশু এগিয়ে গেলেন সমাধির কাছে। সেটা ছিল একটা গুহা তার মুখে একটা পাথর লাগান ছিল।
39
যীশু বললেন, পাথরখানা সরিয়ে নাও।
40
মৃতের বোন মার্থা তাঁকে বলল, গুরুদেব, আজ চার দিন হল ও মারা গেছে, এর মধ্যে নিশ্চয়ই ও ওখানে দুর্গন্ধ হয়ে গেছে। যীশু বললেন, আমি কি তোমায় বলি নি যে যদি তোমার বিশ্বাস থাকে তাহলে দেখতে পাবে ঈশ্বরের মহিমা।
41
তখন তারা পাথরখানা সরিয়ে ফেলল। যীশু আকাশের দিকে চেয়ে নিবেদন করলেন, পিতা, তুমি আমার আবেদন গ্রাহ্য করেছ, তাই তোমায় কৃতজ্ঞতা জানাই।
42
আমি জানি, সবসময়ই তুমি আমার প্রার্থনা শোন কিন্তু এখন আমি এ কথা এইজন্যই বলছি যে যারা এখানে দাঁড়িয়ে আছে, তারা যাতে বিশ্বাস করে যে তুমি আমাকে প্রেরণ করেছ।
43
তারপর যীশু উচ্চকন্ঠে ডেকে বললেন, লাসার, বেরিয়ে এস।
44
লাসার বেরিয়ে এল। তার হাত পা ছিল কাপড়ের ফালি দিয়ে জড়িয়ে বাঁধা আর মুখে জড়ান ছিল একটা কাপড়। যীশু বললেন, ওর বাঁধন খুলে দাও, যেতে দাও ওকে।
45
মরিয়মের সঙ্গে দেখা করার জন্য অনেক ইহুদী এসেছিল। যীশুর এই মহান কীর্তি দেখে তারা বিশ্বাস করল তাঁকে।
46
তাদের মধ্যে কয়েকজন ফরিশীদের কাছে গিয়ে যীশুর এই আশ্চর্য কীর্তির কথা বলল।
47
তখন পুরোহিতদের নেতৃবৃন্দ ও ফরিশীরা একটি সভায় মিলিত হয়ে বললেন, এখন আমরা কি করব? এই লোকটি ঐশী শক্তিসম্পন্ন সমস্ত কাজ করছে।
48
ওকে যদি এভাবে ছেড়ে দেওয়া যায় তাহলে সমস্ত লোক ওকে বিশ্বাস করবে। তখন রোমীয়েরা এসে আমাদের পবিত্র মন্দির ও আমাদের জাতিকে ধ্বংস করে ফেলবে।
49
কিন্তু কায়াফা নামে তাঁদের মধ্যে একজন যিনি সেই বছরের জন্য মনোনীত প্রধান পুরোহিত ছিলেন, তিনি বললেন, পরিস্থিতি সম্বন্ধে তোমরা কিচ্ছু বোঝ না।
50
কেন তোমরা বর্তমান বিবেচনা করে দেখছ না যে সমগ্র জাতি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পরিবর্তে একটি মানুষের মৃতুই শ্রেয়।
51
এ কথা তিনি নিজে থেকে বলেন নি কিন্তু সেই বছরের প্রধান পুরোহিত হিসাবে ঐশী প্রেরণায় উচ্চারণ করেছিলেন এই ভবিষ্যদ্বাণী, যে যীশুকে মৃত্যুবরণ করতে হবে সমগ্র জাতির জন্য
52
এবং জাতির জন্যই নয়, ঈশ্বরের ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত সন্তানদের একত্র করার জন্যও।
53
সুতরাং সেই দিন থেকেই তারা যীশুকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করতে লাগলেন।
54
তাই যীশু ইহুদীদের মধ্যে প্রকাশ্যে চলাফেরা বন্ধ করে দিলেন এবং সেখান থেকে মরুভূমির শেষ প্রান্তে একটি শহরে চলে গেলেন। শহরটির মান ইফ্রয়িম। সেখানেই তিনি তাঁর শিষ্যদের সঙ্গে থাকলেন।
55
ইহুদীদের তারণোৎসব আসন্ন হওয়ায় উৎসবের আগে নিজেদের শুচি করার জন্য বহু লোক দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে জেরুশালেমে যেতে লাগল।
56
যীশুকে তারা খুঁজতে লাগল এবং মন্দিরে গিয়ে তারা পরস্পরকে জিজ্ঞাসা করতে লাগল, পর্বে তিনি কি আসবেন? তোমাদের কি মনে হয়?
57
তখন পুরোহিতদের নেতৃবৃন্দ ও ফরিশীরা এই মর্মে আদেশ জারি করলেন যে, যীশু কোথায় আছেন তা যদি কারও জানা থাকে তাহলে সে যেন তাঁদের সংবাদ দেয়। তাঁরা তাঁকে গ্রেপ্তার করবেন।
← Chapter 10
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 12 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21