bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
John 9
John 9
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 8
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 10 →
1
যীশু চলেছেন নিজের যাত্রাপথে। যেতে যেতে এক জন্মান্ধকে তিনি দেখতে পেলেন।
2
তাঁর শিষ্যেরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, গুরুদেব, কার পাপে এই লোকটি অন্ধ হয়ে জন্মেছে? এর নিজের পাপে, না এর পিতামাতার পাপে?
3
যীশু বললেন, এর পাপ ব আ এর পিতামাতার পাপা-কোনটাই এর কারণ নয়। এ অন্ধ হয়ে জন্মেছে যাতে এর মাধ্যমে ঐশী শক্তির সম্যক্ প্রকাশ ঘটে।
4
দিনের আলো যতক্ষণ আছে ততক্ষণ আমার প্রেরণকর্তার কাজ অবশ্যই আমাদের করে যেতে হবে। রাত্রি আসন্ন, তখন আর কেউই কাজ করতে পারবে না।
5
আমি যতদিন জগতে আছি ততদিন আমিই জগতের জ্যোতি।
6
এই কথা বলে যীশু মাটিতে থুতু ফেলে সেই থুতু দিয়ে কাদা করলেন। তারপর লসেই কাদা লোকটির দুচোখে মাখিয়ে দিয়ে বললেন,
7
যাও, শীলোয়াম (প্রেরিত) সরোবরে গিয়ে চোখ ধুয়ে ফেল। লোকটি সেখানে গিয়ে ধুয়ে ফেলল তার চোখ। তারপর ফিরে এল চক্ষুষ্মান হয়ে।
8
লোকটির প্রতিবেশীরা এবং যারা তাকে আগে ভিক্ষে করতে দেখেছে, তারা বলল, এই লোকটা না বসে ভিক্ষে করত?
9
অন্যেরা বলল, হ্যাঁ এই লোকটাই তো! অন্যেরা আবার বলল, না, এ ওরই মত দেখতে অন্য আর একজন।
10
সেই লোকটি তখন নিজে থেকেই বলল, আমি সেই লোক।
11
তারা তাকে জিজ্ঞাসা করল, তুমি দৃষ্টি পেলে কি করে? সে বলল, যীশু নামে এক ব্যক্তি একটু কাদা তৈরী করে আমার চোখে মাখিয়ে দিয়ে আমাকে শীলোয়াম সরোবরে গিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলতে বললেন।
12
আমি গিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলতেই দৃষ্টিলাভ করলাম। তারা তখন জিজ্ঞাসা করল, তিনি কোথায়? সে বলল, আমি জানি না।
13
দৃষ্টি ফিরে পাওয়া সেই লোকটিকে নিয়ে যাওয়া হল ফরিশীদের কাছে।
14
যীশু যেদিন লোকটির চোখে কাদালেপন করে তাকে দৃষ্টিদান করেছিলেন, সেদিন ছিল সাব্বাথ দিন।
15
ফরিশীরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, কি ভাবে সে দৃষ্টিলাভ করেছে। লোকটি তাঁদের বলল, তিনি আমার দুচোখে কাদা মাখিয়ে দিয়েছিলেন। তারপর আমি গিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলেছিলাম এবং এখন দেখতে পাচ্ছি।
16
ফরিশীদের মধ্যে কয়েকজন বললেন, এই লোকটি আদৌ ঈশ্বরভক্ত নয়। কারণ এ সাব্বাথ দিনের বিধি পালন করে না। অন্যেরা বললেন, একজন পাপী কি করে এমন অলৌকিক কাজ করতে পারে? এইভাবে ওদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিল।
17
তাঁরা তাকে আরও জেরা করতে লাগলেন, আচ্ছা, তোমাকে যে দৃষ্টিদান করেছে, তার সম্বন্ধে তোমার কি মত? কারণ সে তো তোমারই চোখ খুলে দিয়েছে। লোকটি বলল, উনি একজন নবী।
18
তা সত্ত্বেও সে যে আগে অন্ধ ছিল এবং বর্তমানে সে দেখতে পাচ্ছে-এ কথা ইহুদী নেতৃবৃন্দ তার বাবা-মাকে জিজ্ঞাসা না করা পর্যন্ত বিশ্বাস করতে চাইছিলেন না।
19
তাঁরা তাদের জিজ্ঞাসা করলেন, এ কি তোমাদের ছেলে? তোমরা কি বলতে চাও জন্ম থেকেই ও অন্ধ? তাহলে এখন কি করে ও দেখতে পাচ্ছে।
20
তার বাবা-মা বলল, হ্যাঁ এ আমাদেরই ছেলে। আর অন্ধ হয়েই এ জন্মেছিল।
21
কিন্তু এখন কি করে ও দেখতে পাচ্ছে, কে ই বা ওর চোখ খুলে দিল, তা আমরা জানি না। ওকেই জিজ্ঞাসা করুন। বয়েস হয়েছে ওর, নিজের কথা নিজেই বলুক।
22
তার বাবা-মা ইহুদী নেতৃবৃন্দের ভয়ে এভাবে উত্তর দিল, কারণ ইহুদী নেতারা ঠিক করেছিলেন যে যদি কেউ যীশুকে খ্রীষ্ট বলে স্বীকার করে তাহলে তাকে সমাজচ্যুত করা হবে।
23
সেইজন্যই তার বাবা মা বলেছিল, বয়েস হয়েছে ওর, ওকেই জিজ্ঞাসা করুন।
24
তাই তাঁরা দৃষ্টিপ্রাপ্ত সেই জন্মান্ধ লোকটিকে দ্বিতীয়বার ডেকে বললেন, ঈশ্বরের সামনে সত্য কথা বল। আমরা জানি ঐ লোকটা একটা পাপী।
25
সেই লোকটি বলল, তিনি পাপী কি না আমি তা জানি না। আমি শুধু জানি, আগে আমি অন্ধ ছিলাম আর এখন দেখতে পাচ্ছি।
26
তাঁরা জিজ্ঞাসা করলেন, কি করে সে তোমার চোখ খুলে দিল?
27
সে বলল, সে কথা তো আমি আপনাদের বলেছি কিন্তু আপনারা তাতে কান দেন নি। আবার কেন সে কথা শুনতে চাইছেন? আপনারাও কি তাঁর শিষ্য হতে চান?
28
তাঁরা তাকে ধমকে উঠে বললেন, তুমি ঐ লোকটার শিষ্য কিন্তু আমরা মোশির শিষ্য।
29
ঈশ্বর মোশির সঙ্গে কথা বলেছিলেন, এ কথা আমরা জানি কিন্তু এই লোকটা কোথা থেকে এসেছে, আমরা তা জানি না।
30
লোকটি বলল, কি অদ্ভুত কথা! একজন ব্যক্তি আমায় দৃষ্টিদান করলেন অথচ কোথা থেকে এসেছেন তা আপনারা জানেন ন!
31
ঈশ্বর পাপীর কথা শোনেন না, এ তো সাধারণ জ্ঞানের কথা। তাঁর ভক্ত এবং তাঁর ইচ্ছা যারা পালন করে তাদের কথাই তিনি শোনেন।
32
জন্মান্ধকে দৃষ্টিদান করার কথা তো সৃষ্টির পত্তন থেকে আজও শোনা যায় নি।
33
ঐ ব্যক্তি যদি ঈশ্বরের কাছ থেকে না আসতেন তাহলে তিনি কিছুই করতে পারতেন না।
34
তাঁরা বললেন, পাপেই জন্মেছিস তুই। আর তুই কি না এসেছিল আমাদের জ্ঞান দিতে?-এই বলে তাঁরা তাকে সমাজভবন থেকে তাড়িয়ে দিলেন।
35
ইহুদী নেতারা যে ঐ লোকটিকে তাড়িয়ে দিয়েছেন- এ কথা যীশু শুনলেন। তার সঙ্গে দেখা হলে তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, মানবপুত্রকে তুমি বিশ্বাস কর?
36
সে বলল, আজ্ঞে, দয়া করে বলুন, তিনি কে? আমি তাঁকে বিশ্বাস করব।
37
যীশু বললেন, তুমি তাঁকে দেখেছ। যিনি তোমার সঙ্গে কথা বলছেন, তিনিই সেইজন।
38
হ্যাঁ প্রভু, আমি বিশ্বাস করি-এই বলে সে যীশুকে প্রণাম করল।
39
যীশু বললেন, বিচার করতেই এই পৃথিবীতে আমার আগমন। যেন যারা দৃষ্টিহীন তারা দৃষ্টি পায় এবং যারা চক্ষুষ্মান তারা দৃষ্টি হারায়।
40
এ কথা শুনে যীশুর সঙ্গে যে ফরিশীরা ছিল তারা জিজ্ঞাসা করল,
41
আপনি কি বলতে চান আমরা অন্ধ? যীশু বললেন, তোমরা যদি অন্ধ হতে তাহলে তোমরা দোষী হতে না কিন্তু যেহেতু তোমরা বলছ, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি’ সেই হেতু তোমরা দোষী।
← Chapter 8
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 10 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21