bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Deuteronomy 2
Deuteronomy 2
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 1
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 3 →
1
প্রভু পরমেশ্বর আমাকে যেমন নির্দেশ দিয়েছিলেন সেই অনুসারে আমরা লোহিত সাগরের পথে মরু প্রান্তরে ফিরে যাওয়ার জন্য যাত্রা করলাম এবং বহু দিন ধরে সেয়ীরের পার্বত্য অঞ্চল প্রদক্ষিণ করলাম।
2
প্রভু পরমেশ্বর তখন আমাকে বললেন,
3
তোমরা অনেকদিন এই পার্বত্য অঞ্চল প্রদক্ষিণ করছ, এবার উত্তর দিকে ফের,
4
আর ইসরায়েলীদের তুমি এই আদেশ দাও: সেয়ীর প্রদেশ নিবাসী তোমাদের জ্ঞাতিবর্গের অর্থাৎ এষৌর বংশধরদের দেশের মধ্য দিয়ে এখন তোমাদের যেতে হবে। যদিও তারা তোমাদের দেখে ভীত হবে, তবুও তোমরা সাবধান হয়ো,
5
তাদের সঙ্গে বিবাদ করো না, কারণ তাদের দেশের কোন অংশ, এমন কি পাদ পরিমিত ভূমিও আমি তোমাদের দেব না। কেননা সেয়ীরের পার্বত্য অঞ্চলের স্বত্বাধিকার আমি এষৌকে দিয়েছি।
6
তোমরা তাদের কাছ থেকে অর্থ দিয়ে খাদ্য ও জল কিনে খাবে।
7
কারণ তোমাদের আরাধ্য ঈশ্বর প্রভু পরমেশ্বর তোমাদের সমস্ত কর্মে আশীর্বাদ দান করেছেন, সুবিশাল এই প্রান্তরের মধ্য দিয়ে যাত্রাকালে তোমাদের তত্ত্বাধান করেছেন, এই চল্লিশ বছর কাল তোমাদের আরাধ্য ঈশ্বর প্রভু পরমেশ্বর তোমাদের সঙ্গে আছেন এবং তোমাদের কোন কিছুরই অভাব ঘটে নি।
8
পরে আমরা আরাবা উপত্যকার পথে এলাৎ এবং ইৎসিয়োন-গেবের হয়ে সেয়ীর অঞ্চল নিবাসী আমাদের জ্ঞাতিবর্গ এষৌর বংশধরদের এলাকা পেরিয়ে মোয়াবের প্রান্তর অভিমুখে যাত্রা করলাম।
9
প্রভু পরমেশ্বর তখন আমাকে বললেন, মোয়াব নিবাসীদের উপর তোমরা অত্যাচার করো না বা তাদের সঙ্গে যুদ্ধবিগ্রহে লিপ্ত হয়ো না। তাদের দেশের কোন অংশে আমি তোমাদের স্বত্বাধিকার দেব না। কারণ আমি লোটের বংশধরদের আর নগরের স্বত্বাধিকার দিয়েছি।
10
(পূর্বকালে এমীয়েরা এখানে বাস করত, অনাকী দৈত্যদের মত তারাও ছিল দীর্ঘকায়, বিপুল সংখ্যক বিরাট এক জাতি।
11
অনাকীদের মত তারাও রফায়িম বলে পরিচিত কিন্তু মোয়াবের লোকেরা তাদের বলত এমীয়।
12
হোরী উপজাতির লোকেরাও এর আগে সেয়ীর অঞ্চলে বাস করত। কিন্তু এষৌর বংশধরেরা তাদের যুদ্ধে পরাজিত করে দেশ অধিকার করে সেখানে বসতি স্থাপন করেছিল। প্রভু পরমেশ্বর ইসরায়েলীদের যে দেশ দিয়েছিলেন সেই দেশেও তারা এই রকমই করেছিল।)
13
তোমরা এখন সেরদ নদী পার হও। আমরা তখন সেরদ নদী পার হলাম।
14
কাদেশ-বার্ণিয়া ছেড়ে চলে আসার পর থেকে সেরদ নদী পার হওয়া পর্যন্ত আমাদের আটত্রিশ বছর কেটে গেল। এই সময়ের মধ্যে ইসরায়েলীদের শিবির থেকে সেই প্রজন্মের যুদ্ধ করতে সক্ষম সমস্ত লোক নিঃশেষ হয়ে গেল, প্রভু পরমেশ্বর তাদের সম্পর্কে যেমন শপথ করেছিলেন তেমনই ঘটল।
15
ইসরায়েলী শিবির থেকে তারা নিঃশেষে উচ্ছিন্ন না হওয়া পর্যন্ত প্রভু পরমেশ্বর তাদের প্রতি বিমুখ হয়ে রইলেন।
16
ইসরায়েলীদের মধ্য থেকে যুদ্ধ করতে সক্ষম সকল লোকের মৃত্যু হওয়ার পর প্রভু পরমেশ্বর আমাকে বললেন,
18
আজ তোমরা মোয়াব দেশের সীমান্ত আর্ অতিক্রম করবে।
19
তোমরা আম্মোনীদের সীমানায় প্রবেশ করলে তাদের উপর কোন অত্যাচার করো না, তাদের সঙ্গে বিবাদও করো না। আম্মোনীদের দেশে আমি তোমাদের কোন স্বত্বাধিকার দেব না, কারণ লোটের বংশধরদের আমি সেই দেশের উত্তরাধিকার দিয়েছি।
20
(সেই দেশও রফায়িমদের দেশ বলে পরিচিত। রফায়িম জাতি পূর্বকালে সেখানে বাস করত। আম্মোনীরা তাদের বলে ‘সম্সুম্মিম’।
21
তারা অনাকীদের মত দীর্ঘকায়, বিপুল সংখ্যক বিরাট এক জাতি। কিন্তু প্রভু পরমেশ্বর আম্মোনীদের সম্মুখে তাদের পরাজিত করলেন এবং তারা তাদের উচ্ছেদ করে সেখানে বসতি স্থাপন করল।
22
প্রভু পরমেশ্বর সেয়ীর অঞ্চলনিবাসী এষৌর বংশধরদের জন্যও এই রকম করেছিলেন। প্রভু তাদের সম্মুখে হোরী জাতির লোকদের ধ্বংস করেছিলেন, তার ফলে তারা তাদের উচ্ছেদ করে সেখানে বসতি স্থাপন করল, আজ অবধি তারা সেখানেই বাস করছে।
23
আর গাজা পর্যন্ত বিভিন্ন জনপদে অব্বীয় জাতির যে লোকেরা বাস করত কাপ্তোর থেকে আগত কাণ্ডোরীরা তাদের উচ্ছেদ করে সেখানে বসতি স্থাপন করল।)
24
তোমরা এখন যাত্রার জন্য তৈরী হও, এবং আর্ণোন নদী পার হও। দেখ, আমি হিষ্বোনের রাজা ইমোরী সিহোনকে তার রাজ্যসমেত তোমাদের হাতে সমর্পণ করলাম। তোমরা তার দেশ অধিকার করতে আরম্ভ কর এবং তাকে যুদ্ধে প্ররোচিত কর।
25
আজ থেকে আমি আকাশের নীচে সমস্ত জাতির মধ্যে তোমাদের সম্পর্কে সন্ত্রাস ও ভীতির সঞ্চার করব। তারা তোমাদের বিবরণ শুনে কম্পমান ও বিচলিত হবে।
26
আমি তখন কদেমোৎ প্রান্তর থেকে হিষ্বোণের রাজা সিহোনের কাছে দূতের মাধ্যমে এই শান্তির প্রস্তাব পাঠালাম:
27
আপনি আপনার রাজ্যের মধ্য দিয়ে আমাদের যাওয়ার অনুমতি দিন। আমরা সোজা রাজপথ ধরে চলব, দক্ষিণে বা বামে কোন দিকে যাব না।
28
আমাদের আরাধ্য ঈশ্বর প্রভু পরমেশ্বর আমাদের যে দেশ দিয়েছেন, জর্ডন পার হয়ে যতদিন আমরা সেই দেশে প্রবেশ না করি ততদিন আপনি অর্থের বিনিময়ে আমাদের খাদ্যশস্য ও পানীয় জল দিন। আমাদের শুধু পায়ে হেঁটে পার হয়ে যাবার অনুমতি দিন।
29
সেয়ীর নিবাসী এষৌর বংশধরগণ এবং আর্ নিবাসী মোয়াবী জাতির লোকেরা আমাদের এই অনুমতি দিয়েছিল।
30
কিন্তু হিষবোণের রাজা তাঁর রাজ্যের মধ্য দিয়ে আমাদের যাওয়ার অনুমতি দিলেন না। কারণ তোমাদের আরাধ্য ঈশ্বর প্রভু পরমেশ্বরের ইচ্ছায় তাঁর বুদ্ধিভ্রংশ ঘটলো এবং তিনি উদ্ধত ও জেদী হয়ে উঠলেন যাতে, আজকের মতই তিনি তোমাদের অধীনে সমর্পিত হন।
31
প্রভু পরমেশ্বর আমাকে বললেন, দেখ, আমি সিহোনকে তার রাজ্য সমেত তোমাদের হাতে তুলে দিতে আরম্ভ করলাম। তোমরা তার রাজ্য অধিকার করতে শুরু কর।
32
তখন সিহোন তাঁর সমস্ত লোকজন নিয়ে আমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য যাহাস্-এ এলেন।
33
আর প্রভু পরমেশ্বর তাঁকে আমাদের হাতে সমর্পণ করলেন। আমরা তাঁকে, তাঁর পুত্রদের ও তাঁর লোকজন সকলকে হত্যা করলাম।
34
সেই সময় আমরা তাঁর সমস্ত নগর অধিকার করলাম এবং নারী পুরুষ ও শিশু নির্বিশেষে নগরের সকলকে হত্যা করলাম। কাউকে অবশিষ্ট রাখলাম না।
35
কেবল পশুপাল ও যে নগরগুলি আমরা অধিকার করেছিলাম সেগুলি থেকে লুন্ঠন করা জিনিসপত্র আমরা নিজেদের জন্য রাখলাম।
36
আর্ণোন উপত্যকায় সীমান্তে অবস্থিত অরোয়ের থেকে শুরু করে উপত্যকার মধ্যস্থানে অবস্থিত গিলিয়দ পর্যন্ত কোন নগর ছিল না যা আমরা অধিকার করতে পারি নি। আমাদের আরাধ্য ঈশ্বর প্রভু পরমেশ্বর সবগুলিই আমাদের অধীনে সমর্পণ করলেন।
37
কেবলমাত্র আম্মোনীদের দেশ যাব্বোক নদীর তীরবর্তী সকল প্রদেশ ও পার্বত্য অঞ্চলের নগরসমূহ এবং যেসব স্থানে আমাদের আরাধ্য ঈশ্বর প্রভু পরমেশ্বর আমাদের যেতে নিষেধ করেছিলেন সেই সব স্থানে তোমরা প্রবেশ কর নি।
← Chapter 1
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 3 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34