bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Deuteronomy 32
Deuteronomy 32
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 31
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 33 →
1
হে আকাশ, শোন আমার কথা শুনুক পৃথিবীও আমার মুখের বাণী।
2
বর্ষিত হোক বৃষ্টির মত আমার উপদেশ, ঝরে পড়ুক আমার কথা শিশিরের মত, নরম ঘাসের বুকে বিন্দু বিন্দু বৃষ্টিপাতের মত, লতাপল্লবে ঝরে পড়া বারিধারার মত।
3
আমি প্রভু পরমেশ্বরের স্তবগান করব, তাঁর প্রজাবৃন্দ করবে তাঁর মহিমা কীর্তন।
4
তিনি পরম আশ্রয়গিরি ন্যায়ের আধার সকল কর্মে তিনি অভ্রান্ত নির্ভুল। প্রতিজ্ঞায় অটল তিনি সত্যে অবিচল, ধর্মময় তিনি যথার্থ ঈশ্বর।
5
কিন্তু ভ্রষ্টাচারী তোমরা, তোমাদের অবাধ্যতায় হারিয়েছ তাঁর সন্তানের অধিকার, প্রবঞ্চক তোমরা, কুটিলতায় ভরা তোমাদের মন।
6
হে নির্বোধ জ্ঞানহীন জাতি! এইভাবেই কি তোমরা প্রভু পরমেশ্বরকে দেবে প্রতিদান? তিনি কি পিতা নন তোমাদের? জাতিরূপে তোমাদের সৃষ্টি ও প্রতিষ্ঠা তাঁরই দ্বারা কি হয় নি সম্ভব?
7
স্মরণ কর অতীতের দিনগুলি, বিবেচনা কর পুরুষানুক্রমে অতিক্রান্ত বছরগুলির কথা জিজ্ঞাসা কর তোমার পিতা-মাতাকে তারা তোমায় জানাবে সে কথা, জানতে চাও প্রবীণদের কাছে, তারা বলবে, তোমাদের অতীত কাহিনী।
8
পরাৎপর ঈশ্বর যখন জাতিবৃন্দের উত্তরাধিকার স্বরূপ ভূমি বন্টন করলেন, মানব সন্তানদের যখন পৃথক করলেন তিনিতখন ঈশ্বরের সন্তানদের সংখ্যানুপাতে তিনি প্রত্যেক জাতির দেশের সীমানা করলেন নির্দিষ্ট।
9
কিন্তু যাকোবের বংশধরদের তিনি করলেন মনোনীত, প্রজারূপে দিলেন তাদের আপন উত্তরাধিকার।
10
তিনি তাদের খুঁজে পেলেন মরুপ্রান্তরে গর্জনমুখর জনহীন সেই উষর প্রান্তর, তিনি তাকে রাখলেন, লালন করলেন,
11
ঈগল যেমন নিজের বাসা নাড়া দিয়ে শাবকদের বাইরে বার করে উড়তে শিখায়, ডানার ঝাপটায় তাদের এগিয়ে নিয়ে যায়, উড়তে অক্ষম হলে ডানা মেলে তুলে নেয় বয়ে নিয়ে যায় উড়ন্ত ডানায়।
12
প্রভু পরমেশ্বরও তেমনি একাই নিয়ে গেলেন তাদের, অন্য কোন দেবতা ছিল না তাঁর সঙ্গে।
13
পৃথিবীর নানা উচ্চভূমিতে তাদের আরোহণ করালেন, দিলেন প্রতিষ্ঠা, ক্ষেতের ফসল তারা করল ভোগ শিলাবক্ষ থেকে তাদের মধুপান করালেন তিনি, প্রস্তরময় ভূমিতে দিলেন তৈলদায়ী বৃক্ষ তাদের জন্য।
14
তিনি গরু ও মেষের পাল থেকে দিলেন দুগ্ধ ও নবনী, দিলেন নধরকান্তি ছাগ ও মেষের পাল, তার সঙ্গে দিলেন তাদের সেরা গমের ফসল, তৃপ্ত করলেন তাদের উত্তম দ্রাক্ষারসে।
15
কিন্তু যিশূরুণ হৃষ্টপুষ্ট হয়ে করল পদাঘাত, মেদবাহুল্যে সে হল স্থূল ও মসৃণ আর তখন সে পরিত্যাগ করল তার স্রষ্টা ঈশ্বরকে, তার প্রাণশৈলকে করল উপহাস।
16
অজানা দেবতাদের অনুগামী হয়ে তারা উদ্রেক করল তাঁর ঈর্ষা ঘৃণ্য আচরণের দ্বারা তাঁকে করল রুষ্ট।
17
তারা বলি উৎসর্গ করল অলীক অসার অপদেবতাদের উদ্দেশে, এমন দেবতাদের উদ্দেশে যাদের তারা জানত না, নবলব্ধ সেই দেবতাদের উদ্দেশে তোমাদের পিতৃপুরুষেরা যাদের করে নি মান্য।
18
তাদের স্রষ্টা ও জনক ঈশ্বরের প্রতি তারা হল উদাসীন তাদের বিধাতা ঈশ্বরকে হল বিস্মৃত।
19
প্রভু পরমেশ্বর তাঁর পুত্র-কন্যাদের এই আচরণে বিরূপ হলেন, প্রত্যাখ্যান করলেন তাদের।
20
বললেন তিনি: আমি এদের পরিত্যাগ করব, দেখব এদের পরিণতি! বিদ্রোহী প্রজন্ম এরা অবিশ্বস্ত সন্তান!
21
যারা ঈশ্বর নয় তাদের অনুগামী হয়ে এরা সৃষ্টি করেছে আমার অন্তর্দাহ, এদের অলীক প্রতিমাগুলি আমাকে করেছে কুপিত, তাই আমিও এমন লোকদের দ্বারা এদের ঈর্ষার উদ্রেক করব, যারা জাতি হিসাবে নগণ্য, সেই বর্বর জাতির দ্বারা এদের করব প্ররোচিত।
22
এবার আমার রোষানল হয়েছে প্রজ্বলিত, পাতালের তলদেশও জ্বলে উঠবে তার দহনে, পৃথিবী ও তার সমস্ত ফসল পতিত হবে তার গ্রাসে, পর্বতশ্রেণীর মূলদেশও গ্রাস করবে সেই ভয়াবহ অগ্নি।
23
তাদের উপর আমি চাপিয়ে দেব অন্তহীন অমঙ্গলের বোঝা, নিক্ষেপ করব আমার শরজাল তাদের দিকে।
24
প্রচণ্ড দুর্ভিক্ষে শীর্ণ হবে তারা, দারুণ দহনে, ভয়ঙ্কর মহামারীতে তারা হবে আক্রান্ত। আমি পাঠাব হিংস্র জন্তু ও বিষধর সরীসৃপদের, তারা দংশন করবে তাদের।
25
বাইরে খড়্গাঘাতে, ঘরে মহাত্রাসে জর্জরিত হবে তারা, তরুণ, তরুণী, পতিত হবে মৃত্যুর করাল গ্রাসে দুগ্ধপোষ্য শিশু ও শুক্লকেশ বৃদ্ধ—কেউ পাবে না নিস্তার।
26
আমি সঙ্কল্প করেছিলাম, ওদের নিপাত করব, মুছে দেব তাদের নাম মানব সমাজ থেকে।
27
কিন্তু ভাবলাম, ওদের শত্রুপক্ষ হয়তো উপহাস করে, বলবে আমায়, বলবে গর্বভরে: একাজ হয়েছে সম্ভব আমাদেরই বাহুবলে এ কীর্তি নয় প্রভু পরমেশ্বরের।
28
কারণ ওরা নির্বোধ জাতি, বুদ্ধি বিবেচনাহীন।
29
জ্ঞানবান হলে ওরা নিশ্চয়ই বুঝতো এ কথা, করত বিবেচনা নিজেদের পরিণাম,
30
একজন কি করে পিছু ধাওয়া করে সহস্রজনের, দশসহস্রকে বিতাড়িত করে মাত্র দুজনে? যদি না পরাক্রমী প্রভু পরমেশ্বর স্বয়ং তাদের করতেন সমর্পণ শত্রু হস্তে।
31
শত্রুরাও একথা মানে, ইসরায়েলীদের ঈশ্বরের মত শৈলপ্রতিম কোন ঈশ্বর নেই তাদের।
32
তাদের শত্রুকুল সদোম ও ঘমোরার মত দুরাচার, সেই দ্রাক্ষাকুঞ্জের মত, যে কুঞ্জের ফল তিক্ত ও বিষাক্ত।
33
ওদের সুরা সাপের গরল কালনাগিনীর তীব্র হলাহল।
34
এ সবই রয়েছে সঞ্চিত আমার কাছে, সংরক্ষিত আমার ভাণ্ডারে।
35
প্রতিশোধ গ্রহণ ও প্রতিফল দান আমারই কর্ম, ওদের পদস্খলনের সময় আসন্ন, আসন্ন ওদের বিপত্তির দিন, অবিলম্বে নেমে আসছে ওদের নিরূপিত দণ্ড।
36
প্রভু পরমেশ্বর প্রজাদের পক্ষে ন্যায়বিচার করবেন, নিজ সেবকদের প্রতি হবেন সদয়, কারণ তিনি দেখবেন, তাদের শক্তি নিঃশেষিত, বন্দী অথবা মুক্ত, কেউ আর অবশিষ্ট নেই।
37
তিনি তখন বলবেন, কোথায় ওদের দেবতারা? কোথায় সেই শৈল যার শরণ নিয়েছিল ওরা?
38
যারা ভোজন করত ওদের বলির মেদ যারা পান করত ওদের পেয় নৈবেদ্যের দ্রাক্ষারস। তারাই এখন উঠে তোমাদের সাহায্য করুক তারাই দিক তোমাদের আশ্রয়।
39
এখন দেখ, আমি—আমিই তিনি, আমি ছাড়া নেই আর কোন ঈশ্বর, আমি সংহার করি, আমিই করি জীবন দান, আমিই আঘাত করি, আবার সুস্থও করিআমিই। আমার হাত থেকে উদ্ধার করার শক্তি কারো নেই।
40
স্বর্গের দিকে হাত তুলে আমি বলি: আমি চির অনন্ত—এ যেমন ধ্রুব সত্য,
41
তেমনি সত্য এ কথা— আমার ঝল্সে ওঠা তরবারিতে আমি যদি শান দিই যদি বিচারের জন্য করি হস্তক্ষেপ তাহলে আমার বিপক্ষদের অবশ্যই দণ্ড দান করব, আমার শত্রুদের নিশ্চয়ই দেব প্রতিফল।
42
আমার শরসমূহকে কবর প্রমত্ত নিহত ও বন্দীদের শোণিত পানে, তাদের মাংস ভক্ষণ করবে আমার তরবারি, শত্রু সেনানীর মস্তক করবে লেহন।
43
হে জাতিবৃন্দ, জয়ধ্বনি কর তাঁর প্রজাদের সঙ্গে, কেননা নিজ সেবকদের রক্তপাতের প্রতিশোধ গ্রহণ করবেন তিনি, দণ্ড দেবেন তাঁর বিপক্ষদের। তাঁর প্রজাদের স্বদেশের জন্য করবেন প্রায়শ্চিত্ত সাধন।
44
এইভাবে মোশি ও নূনের পুত্র যিহোশূয় ইসরায়েলীদের কাছে গানের মাধ্যমে সমস্ত বিষয় ব্যক্ত করলেন।
45
ইসরায়েলীদের কাছে মোশি সমস্ত কথা শেষ করে বললেন,
46
তোমাদের সাবধান করে দেওয়ার জন্য আমি আজ যে সব কথা বললাম সেগুলির প্রতি মনোযোগ দিও। তোমাদের সন্তান-সন্ততিদের তোমরা নির্দেশ দিও যেন তারাও সযত্নে এই বিধানের সব কথা মেনে চল।
47
এইগুলিকে তোমরা অর্থহীন কথা বলে মনে করো না, কারণ এতেই তোমাদের জীবন। জর্ডন পার হয়ে তোমরা যে দেশে যাচ্ছ সেখানে এগুলি পালন করেই তোমরা দীর্ঘ জীবন লাভ করতে পারবে।
48
সেইদিনই প্রভু পরমেশ্বর মোশিকে বললেন,
49
তুমি অবারিম পাহাড়ে অর্থাৎ যিরিহোর পূর্বদিকে মোয়াব দেশের নবো পাহাড়ে আরোহণ কর এবং সেখান থেকে ইসরায়েলীদের যে দেশ আমি দিতে মনস্থ করেছি, সেই কনান দেশ দর্শন কর।
50
তোমার ভাই হারোণ হোর পাহাড়ে লোকান্তরিত হয়ে তার পিতৃপুরুষদের সঙ্গে সম্মিলিত হয়েছিল, তোমারও দেহাবসান হবে ঐ নবো পাহাড়ে এবং স্বজনদের সঙ্গে সম্মিলিত হবে।
51
কারণ সীন প্রান্তরে কাদেশ-এর মরিবা জলস্রোতের কাছে ইসরায়েলীদের সামনে তোমরা আমার উপর বিশ্বাস রাখতে পার নি, ইসরায়েলীদের কাছে আমার পবিত্রতার মর্যাদা রক্ষা কর নি।
52
তাই তুমি দূর থেকে সেই দেশ শুধু দেখবে কিন্তু ইসরায়েলীদের কাছে আমার প্রতিশ্রুত সেই দেশে প্রবেশ করতে পারবে না।
← Chapter 31
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 33 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34