bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Deuteronomy 28
Deuteronomy 28
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 27
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 29 →
1
তোমরা যদি তোমাদের আরাধ্য ঈশ্বর প্রভু পরমেশ্বরের অনুশাসন সযত্নে পালন কর, তাঁর নির্দেশ যা আমি আজ তোমাদের দিলাম যদি নিখুঁতভাবে পালন কর তাহলে তোমাদের আরাধ্য ঈশ্বর প্রভু পরমেশ্বর পৃথিবীর সকল জাতির চেয়ে তোমাদের উন্নত করবেন,
2
এবং তোমাদের উপরে আশীর্বাদ বর্ষিত হবে। আশীর্বাদগুলি এই:
3
তোমাদের নগর ও ক্ষেতখামারগুলি হবে আশীর্বাদপূত।
4
তোমাদের সন্তান-সন্ততি, ক্ষেতের ফসল ও পশুপালের গোবৎস ও মেষশাবকগুলিও হবে আশীর্বাদযুক্ত।
5
তোমাদের ঝুড়ি ও ময়দা মাখার পাত্রগুলির উপরেও নেমে আসবে আশীর্বাদ।
6
তোমরা যখন ঘরের বাইরে যাবে ও ফিরে আসবে, তখনও তোমাদের উপরে থাকবে তাঁর আশীর্বাদ।
7
যারা তোমাদের বিরোধিতা করবে, প্রভু পরমেশ্বর সেই শত্রুদের পরাস্ত করবেন, তোমরা স্বচক্ষে দেখবে সেই পরাজয়। তারা তোমাদের আক্রমণ করতে এলে দিশেহারা হয়ে চারদিক দিয়ে তাদের পালাতে হবে।
8
প্রভু পরমেশ্বর তোমাদের শস্য ভাণ্ডার ও তোমাদের সকল কর্মপ্রচেষ্টাকে আশীর্বাদযুক্ত করবেন এবং তিনি যে দেশ তোমাদের দান করছেন সেই দেশে তোমাদের আশীর্বাদ করবেন।
9
প্রভু তাঁর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নিজস্ব পবিত্র প্রজামণ্ডলীরূপে তোমাদের প্রতিষ্ঠিত করবেন যদি তোমরা তাঁর নির্দেশ পালন করে তাঁর পথে চল।
10
পৃথিবীর সর্ব জাতি যখন দেখবে যে প্রভু পরমেশ্বর তোমাদের তাঁর নিজস্ব প্রজারূপে আখ্যাত করেছেন, তারা তখন তোমাদের সমীহ করবে।
11
প্রভু পরমেশ্বর যে দেশ তোমাদের দেওয়ার প্রতিশ্রুতি তোমাদের পূর্বপুরুষদের কাছে দিয়েছিলেন, সেই দেশে তিনি তোমাদের সন্তান সন্ততি, পশুপাল এবং ক্ষেতের ফসল প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি করে তোমাদের সমৃদ্ধিশালী করবেন।
12
তিনি তাঁর ঐশ্বর্যভাণ্ডার স্বরূপ আকাশ উন্মুক্ত করে যথাসময়ে তোমাদের দেশে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন এবং তোমাদের সর্বপ্রকার কৃষিকর্মে আশীর্বাদ দান করবেন। অনেক জাতিকে তোমরা ঋণ দেবে, কিন্তু তোমাদের ঋণ নিতে হবে না।
13
প্রভু পরমেশ্বর জাতিবৃন্দের মাঝে তোমাদের স্থান দেবেন শীর্ষে, তোমরা থাকবে সবার উপরে, নীচে কখনই নয়, যদি তোমাদের আরাধ্য ঈশ্বর প্রভু পরমেশ্বরের নির্দেশ, যা আমি আজ তোমাদের জানালাম, সব সযত্নে পালন কর।
14
আমি আজ তোমাদের যে সব নির্দেশ দিলাম তা থেকে কোন অবস্থায় তোমরা বিচ্যুত হবে না এবং অন্য কোন দেবতার পূজা করবে না বা অনুগামী হবে না।
15
কিন্তু যদি তোমরা তোমাদের আরাধ্য ঈশ্বর প্রভু পরমেশ্বরের কথায় কর্ণপাত না কর, তাঁর যে সব নির্দেশ ও অনুশাসন আজ আমি তোমাদের দিলাম তা যদি সযত্নে পালন না কর তাহলে তোমাদের উপরে নেমে আসবে এই সমস্ত অভিশাপ:
16
তোমাদের নগর ও ক্ষেতখামারগুলি হবে অভিশপ্ত।
17
তোমাদের ঝুড়ি ও ময়দা মাখার পাত্র হবে অভিশপ্ত।
18
তোমাদের সন্তানসন্ততি, ক্ষেতের ফসল ও পশুপালের গোবৎস ও মেষশাবকগুলি হবে অভিশপ্ত।
19
ঘরের বাইরে যাওয়া ও ফেরার সময় তোমাদের উপর নেমে আসবে তাঁর অভিশাপ।
20
প্রভু পরমেশ্বর তোমাদের সর্ব কর্ম প্রচেষ্টাকে অভিশপ্ত, বিভ্রান্ত ও ব্যর্থ করবেন, যত দিন না তাঁকে পরিত্যাগ করার অপরাধে সম্পূর্ণভাবে তোমরা ধ্বংস ও অচিরে বিনষ্ট না হও।
21
যে দেশ তোমরা অধিকার করতে যাচ্ছ সেই দেশ থেকে তোমাদের সমূলে উচ্ছেদ না করা পর্যন্ত প্রভু পরমেশ্বর মহামারীর দ্বারা তোমাদের পীড়ন করবেন।
22
তিনি তোমাদের ক্ষয়রোগ, জ্বর, প্রদাহ, প্রচণ্ড তাপ, খরা, ঝড়, উদ্ভিদ বিধ্বংসী ছত্রাক রোগের দ্বারা আঘাত করবেন। বিনষ্ট না হওয়া পর্যন্ত এগুলির দ্বারা তোমরা বিপর্যস্ত হবে।
23
তোমাদের মাথার উপরে আকাশ হবে তাম্রবর্ণ এবং নীচে পায়ের তলার মাটি হবে লোহার মত কঠিন।
24
প্রভু পরমেশ্বর তোমাদের দেশে বারি ধারার পরিবর্তে ধূলি বর্ষণ করবেন, তোমরা ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত আকাশ থেকে ধূলিবৃষ্টি হবে।
25
প্রভু পরমেশ্বর তোমাদের শত্রু হস্তে পরাজিত করবেন। তোমরা তাদের আক্রমণ করতে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পালাতে বাধ্য হবে। পৃথিবীর সমস্ত রাজ্যে তোমরা হবে বিভীষিকা স্বরূপ।
26
তোমাদের মৃতদেহ হবে আকাশের পাখি ও বন্য পশুদের ভক্ষ্য, সেগুলিকে তাড়িয়ে দেওয়ার কেউ থাকবে না।
27
প্রভু পরমেশ্বর তোমাদের মিশরীয় স্ফোটক, ক্ষত, পাঁচড়া ও চুলকানির দ্বারা পীড়িত করবেন,
28
আরোগ্যের কোন উপায় থাকবে না। প্রভু তোমাদের উন্মত্ততা, দৃষ্টিহীনতা ও মানসিক বৈকল্যের দ্বারা আঘাত করবেন, তার ফলে
29
তোমরা প্রকাশ্য দিবালোকে অন্ধের মত পথ হাতড়ে বেড়াবে কিন্তু পথ খুঁজে পাবে না। দিনের পর দিন তোমরা শুধু উৎপীড়িত ও লুন্ঠিত হবে, তোমাদের উদ্ধার করার কেউ থাকবে না।
30
তোমরা বিবাহের সম্বন্ধ স্থির করবে কিন্তু অন্য লোকে তোমাদের বাগ্দত্তা বধূর সতীত্ব হরণ করবে। তোমরা বাড়ি তৈরী করবে, কিন্তু সেখানে বাস করতে পারবে না, তোমরা দ্রাক্ষাকুঞ্জ রচনা করবে কিন্তু তার ফল ভোগ করতে পারবে না।
31
তোমাদের চোখের সামনে তোমাদের বৃষ হনন করা হবে কিন্তু তোমরা তার মাংস ভক্ষণ করতে পারবে না। তোমাদের সামনে থেকেই তোমাদের গর্দভ অপহৃত হবে, তোমরা তা আর ফিরে পাবে না। তোমাদের মেষপাল শত্রুরা দখল করে নেবে, সেগুলিকে উদ্ধার করার কেউ থাকবে না।
32
তোমাদের চোখের সামনেই তোমাদের পুত্র-কন্যাদের অন্য জাতির হাতে তুলে দেওয়া হবে, তোমরা সারাদিন তাদের আশায় পথ চেয়ে থেকে হতাশ হবে, এ কাজে বাধা দেওয়ার ক্ষমতা তোমাদের থাকবে না।
33
তোমাদের অপরিচিত এক জাতি তোমাদের ক্ষেতের ফসল ও তোমাদের শ্রমের ফল ভোগ করবে, আর তোমরা ক্রমাগত উৎপীড়িত ও নিষ্পেষিত হতে থাকবে।
34
সেই দৃশ্য দেখে তোমরা উন্মাদ হয়ে যাবে,
35
যন্ত্রণাদায়ক বিস্ফোটক দ্বারা প্রভু তোমাদের হাঁটু ও পা আক্রান্ত করবেন, সেই রোগ আরোগ্যের কোন উপায় তোমাদের থাকবে না, তোমাদের পায়ের তলা থেকে মাথার তালু পর্যন্ত সেই ক্ষত বিস্তৃত হবে।
36
প্রভু তোমাদের এবং যে রাজাকে তোমরা নিযুক্ত করবে তাকে এমন এক জাতির অধীনে সমর্পণ করবেন যাদের তোমরা কিম্বা তোমাদের পিতৃপুরুষেরা কেউ কখনও জান না এবং সেখানে তোমরা প্রভুকে পরিত্যাগ করে পাথর ও কাঠের তৈরী দেবতাদের পূজা করবে।
37
প্রভু পরমেশ্বর যে সব জাতির মধ্যে তোমাদের বিক্ষিপ্ত করবেন, তারা তোমাদের দুরবস্থা দেখে আতঙ্কিত হবে, তোমরা হবে তাদের কাছে তাচ্ছিল্য ও উপহাসের পাত্র।
38
তোমরা ক্ষেতে অনেক বীজ বপন করবে কিন্তু শস্য সংগ্রহ করবে সামান্যই কারণ পঙ্গপাল সেই শস্য গ্রাস করবে।
39
তোমরা দ্রাক্ষাকুঞ্জ রচনা করবে, তার পরিচর্যাও করবে কিন্তু তোমরা দ্রাক্ষাসুরা পান করতে পারবে না কিম্বা সেখান থেকে দ্রাক্ষা সংগ্রহ করতে পারবে না, কারণ কীটে সব নষ্ট করে দেবে।
40
সারা দেশে তোমরা জলপাই গাছের চারা লাগাবে কিন্তু তার তেল তোমরা ব্যবহার করতে পারবে না কারণ তোমাদের জলপাই সব অকালে ঝরে পড়বে।
41
তোমাদের পুত্র ও কন্যা জন্মাবে কিন্তু তারা তোমাদের হবে না, বন্দী করে নিয়ে যাওয়া হবে তাদের।
42
তোমাদের গাছপালা ও ক্ষেতের ফসল সবই পঙ্গপালের গ্রাসে যাবে।
43
তোমাদের মধ্যে বিদেশী যে থাকবে সে তোমাদের চেয়ে ক্রমশঃই উন্নত হতে থাকবে আর তোমরা ক্রমশঃ অবনতির পথে নেমে যাবে।
44
সে তোমাদের ঋণ দেবে, কিন্তু অপরকে ঋণ দেওয়ার মত ক্ষমতা তোমাদের থাকবে না। তার স্থান হবে তোমাদের শীর্ষে আর তোমরা হবে তার অধীন।
45
এই সব অভিশাপ তোমদের উপর নেমে আসবে, যতদিন না তোমরা ধ্বংস হয়ে যাও, ততদিন এর হাত থেকে তোমাদের অব্যাহতি নেই। কারণ তোমরা তোমাদের আরাধ্য ঈশ্বর প্রভু পরমেশ্বরের কথায় কর্ণপাত কর নি, তিনি যে সব নির্দেশ ও অনুশাসন তোমাদের দিয়েছিলেন, তা তোমরা পালন কর নি।
46
এগুলি তোমাদের ও তোমাদের বংশধরদের কাছে যুগে যুগে ঈশ্বরের উদাহরণ স্বরূপ হয়ে থাকবে।
47
যেহেতু তোমরা সর্ব বিষয়ে প্রাচুর্য সত্ত্বেও সানন্দে ও প্রফুল্লচিত্তে তোমাদের আরাধ্য ঈশ্বর প্রভু পরমেশ্বর ভজনা কর নি,
48
সেই হেতু তিনি তোমাদের শত্রুদের দ্বারা আক্রান্ত করবেন, তোমরা তাদের দাসত্ব করবে। তখন তোমরা ক্ষুধায়, তৃষ্ণায়, বিবস্ত্র অবস্থায় চরম দারিদ্র্যের মধ্যে দিন কাটাবে। তোমরা ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত তিনি তোমাদের কাঁধে চাপিয়ে দেবেন লোহার জোয়াল।
49
পৃথিবীর সুদূর প্রান্ত থেকে প্রভু পরমেশ্বর তোমাদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করবেন এক জাতিকে, তারা ঈগল পাখির মত তোমাদের উপর ছোঁ মারবে, তাদের ভাষা হবে তোমাদের কাছে দুর্বোধ্য,
50
তারা হবে কঠোর প্রকৃতির লোক, বৃদ্ধদের তারা সম্মান করবে না, শিশুদের প্রতিও তাদের থাকবে না দয়ামায়া।
51
তারা তোমাদের পালের পশু ও ক্ষেতের ফসল গ্রাস করবে, যতদিন না তোমরা ধ্বংস হয়ে যাও। তারা তোমাদের ফসল, সুরা, তেল, বাথানের গরু বাছুর, পালের ভেড়া কিছুই অবশিষ্ট রাখবে না যতদিন না তোমরা সম্পূর্ণ ধ্বংস হও।
52
তারা তোমাদের সমস্ত নগর অবরোধ করবে এবং সারা দেশের উঁচু ও সুরক্ষিত যে সব প্রাচীরের উপর তোমরা ভরসা করতে, সেগুলি ভেঙ্গে ফেলবে। তোমাদের আরাধ্য ঈশ্বর প্রভু পরমেশ্বর তোমাদের যে দেশ দিয়েছিলেন, সেই দেশের সমস্ত জনপদগুলিতে তারা তোমাদের অবরোধ করবে।
53
তোমরা তখন শত্রুদের দ্বারা অবরুদ্ধ অবস্থায় ক্ষুধায় অতিষ্ঠ হয়ে নিজেদের পুত্র-কন্যাদেরও মাংস ভক্ষণ করবে যাদের ঈশ্বরের দান স্বরূপ তোমরা পেয়েছিলে।
54
তোমাদের মধ্যে যে সবচেয়ে সহৃদয় ও সুশিক্ষিত ব্যক্তি সে-ও তার ভাই কিম্বা প্রিয়তমা পত্নী, কিম্বা তার অবশিষ্ট সন্তানদেরও তার খাদ্যের ভাগ দেবে না,
55
এমনকি সে যখন তার নিজের সন্তানের মাংস ভক্ষণ করবে, তখন তারও কোন অংশ সে এদের কাউকে দেবে না, কারণ তোমাদের সমস্ত জনপদে শত্রুদের দ্বারা অবরুদ্ধ ও উৎপীড়িত হয়ে তার তখন কিছুই আর অবশিষ্ট থাকবে না।
56
তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে অভিজাত কোমলাঙ্গী রমণী, যে মাটিতে পা রাখে না পাছে পায়ে ব্যথা লাগে,
57
সে-ও তার নবজাত সন্তানকে, প্রসবান্তিক গর্ভ পুষ্পের ভাগও তার প্রিয়তম স্বামী কিম্বা তার পুত্র কন্যাকে দেবে না, কারণ তোমাদের সমস্ত জনপদ শত্রুদের দ্বারা অবরুদ্ধ ও উৎপীড়িত হওয়ার ফলে খাদ্যাভাবে সে নিজেই গোপনে তা ভক্ষণ করবে।
58
এই পুস্তকে যে সমস্ত বিধান লিপিবদ্ধ করা হল তা যদি তোমরা সযত্নে পালন না কর, যদি তোমাদের আরাধ্য ঈশ্বর প্রভু পরমেশ্বরের মহিমান্বিত ও ভয়াবহ নামের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন না কর,
59
তাহলে তিনি তোমাদের ও তোমাদের বংশধরদের অকল্পনীয় দুর্দশার মধ্যে ফেলবেন, কঠোর ও দীর্ঘস্থায়ী হবে সেই দুর্দশা এবং মারাত্মক ও দুরারোগ্য ব্যাধির দ্বারা তিনি আক্রান্ত করবেন তোমাদের।
60
তোমরা যার ভয়ে ভীত, মিশরের সেই বাধিগুলি দ্বারা তিনি তোমাদের আক্রান্ত করবেন এবং সেগুলি তোমাদের চিরসঙ্গী হবে।
61
তোমাদের ধ্বংস করার জন্য এই বিধান পুস্তকে যে সব ব্যাধি ও দুর্দশার উল্লেখ নেই, সেগুলির দ্বারাও প্রভু তোমাদের আঘাত করবেন।
62
তোমরা, একদা আকাশের নক্ষত্ররাজির মত অসংখ্য ছিলে কিন্তু তখন তোমাদের অতি অল্প সংখ্যক লোকই অবশিষ্ট থাকবে কারণ তোমরা তোমাদের আরাধ্য ঈশ্বর প্রভু পরমেশ্বরের আদেশ পালন কর নি।
63
প্রভু যেমন তোমাদের প্রতি প্রসন্ন হয়ে তোমাদের লোকসংখ্যা বৃদ্ধি করেছিলেন ও তোমাদের সমৃদ্ধি দান করেছিলেন, ঠিক তেমনি ভাবেই তিনি তোমাদের ধ্বংস ও উচ্ছেদ সাধন করে প্রীতিলাভ করবেন। যে দেশ তোমরা এখন দখল করতে যাচ্ছ, সেখান থেকে তখন তোমরা সমূলে উচ্ছিন্ন হবে।
64
পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত সর্বজাতির মাঝে প্রভু পরমেশ্বর তোমাদের বিক্ষিপ্ত করবেন এবং সেখানে তোমরা কাঠ ও পাথরের তৈরী দেবতাদের পূজা করবে, যাদের পরিচয় তোমরা কিম্বা তোমাদের পিতৃপুরুষেরা কখনও পাও নি।
65
এই সব জাতির মাঝে বাস করে তোমরা কখনও শান্তি পাবে না এবং তোমাদের আপন বাসস্থান বলে কিছুই থাকবে না। সেখানে প্রভু পরমেশ্বর তোমাদের হৃদয়ে উদ্বেগ, দৃষ্টিতে ক্ষীণতা ও প্রাণে বুভুক্ষার সঞ্চার করবেন।
66
সেখানে তোমরা সর্বদা অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবন যাপন করবে, দিন ও রাত্রি তোমরা ভয়ে ভয়ে কাটাবে, জীবনের কোন নিরাপত্তা থাকবে না তোমাদের।
67
তোমাদের মনের ভীতি ও যে সব দৃশ্য তোমরা চোখে দেখবে তার জন্য প্রতিদিন সকালে তোমরা বলবে, ‘হায় ঈশ্বর! এখন যদি সন্ধ্যা হত।’—এবং প্রতি সন্ধ্যায় তোমরা বলবে, ‘হায় ঈশ্বর! এখন যদি সকাল হত—’।
68
প্রভু পরমেশ্বর তোমাদের ক্রন্দনরত অবস্থায় সেই পথেই মিশরে ফিরিয়ে নিয়ে যাবেন, যে পথ সম্পর্কে আমি তোমাদের বলেছিলাম, ‘ এ পথে তোমাদের আর কখনও যাত্রা করতে হবে না।’ আর সেখানে তোমরা তোমাদের শত্রুদের কাছে নিজেদের ক্রীতদাস ও ক্রীতদাসীদের বিক্রি করতে চাইবে, কিন্তু কেউ তোমাদের কিনবে না।
← Chapter 27
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 29
Chapter 30
Chapter 31
Chapter 32
Chapter 33
Chapter 34
Chapter 29 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34