bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Luke 10
Luke 10
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 9
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 11 →
1
এরপর প্রভু যীশু বাহাত্তর জন শিষ্যকে প্রচারের কাজে নিযুক্ত করলেন এবং যে সমস্ত গ্রাম ও নগরে তিনি নিজে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন, সেই সমস্ত স্থানে এঁদের দুনজ দুজন করে তাঁর আগে পাঠিয়ে দিলেন।
2
যাবার সময় তাঁদের বললেন, শস্য প্রচুর, কিন্তু শ্রমিক কম। তাই শস্যের মালিকের কাছে মিনতি কর, যেন তিনি শস্যক্ষেত্রে শ্রমিক পাঠিয়ে দেন।
3
তোমরা চলে যাও। নেকড়ে বাঘের মাঝখানে মেষশাবককে পাঠানো যেমন, তেমনি আমি তোমাদের পাঠাচ্ছি।
4
সঙ্গে টাকার থলি, কোন ঝুলি ও পাদুকা নিও না এবং রাস্তায় কাউকে অভিবাদন করো না।
5
কোন একটি বাড়িতে ঢুকে প্রথমেই বলবে, ‘এই গৃহের শান্তি হোক’,
6
যদি সেখানে কোন শান্তিপ্রিয় ব্যক্তি থাকেন তাহলে তোমাদের শান্তি তাদের উপর বর্তাবে, নতুবা সেই শান্তি তোমাদের কাছেই ফিরে আসবে।
7
সেই বাড়িতেই থেকো। আহারাদির যা কিছু ব্যবস্থা তারা করে, তাই-ই গ্রহণ করো। কারণ কর্মী তার পারিশ্রমিকের যোগ্য। এক বাড়ি ছেড়ে অন্য বাড়িতে যেও না।
8
কোন নগরে যাওয়ার পর যদি তারা তোমাদের অভ্যর্থনা করে এবং কোন আহার্য তোমাদের সামনে উপস্থিত করে, তবে সেই খাদ্য গ্রহণ করো।
9
সেখানে অসুস্থ লোকদের সুস্থ করবে আর তাদের বলবে, ‘ঈশ্বরের রাজ্য তোমাদের নিকটবর্তী।’
10
কিন্তু কোন নগরে যাওয়ার পর তারা যদি তোমাদের অভ্যর্থনা না করে, তাহলে সেখান থেকে চলে যেও এবং নগরের পথে পথে বলো যে,
11
‘তোমাদের নগরের যে ধূলো আমাদের গায়ে লেগেছে, তোমাদের বিরুদ্ধে তাও ঝেড়ে ফেললাম। কিন্তু জেনে রাখ, ঈশ্বরের রাজ্য তোমাদের নিকটবর্তী।
12
আমি তোমাদের বলে দিচ্ছি, বিচারের দিনে এই নগরের দশা যা হবে তার তুলনায় বরং সদোমের দশা ভালো ছিল।
13
হায় কোরাসীন! হায় বেথসৈদা! দুর্ভাগ্য তোমাদের! তোমাদের মধ্যে যে অভাবনীয় পরাক্রমের কাজ করা হয়েছে, তা যদি টায়ার ও সীদোনে করা হতো, তাহলে তারা অনেক দিন আগেই চট পরে ভস্ম মেখে অনুতাপ করত।
14
তাই বিচারের দিনে টায়ার ও সীদোনের চেয়ে তোমাদের দুর্দশা আরও বেশি হবে।
15
আর কফরনাউম, তুমি নিজেকে স্বর্গের চেয়েও উন্নত করতে চেয়েছিলে, কিন্তু পাতালে নিক্ষিপ্ত হবে তুমি।
16
যারা তোমাদের কথা শোনে, তারা আমারই কথা শোনে এবং যারা তোমাদের প্রত্যাখ্যান করে, তারা আমাকেই প্রত্যাখ্যান করে, এবং যারা আমাকে প্রত্যাখ্যান করে, তারা আমাকে যিনি পাঠিয়েছেন তাঁকেই প্রত্যাখ্যান করে।
17
যীশুর প্রেরিত বাহাত্তর জন শিষ্য মহানন্দে ফিরে এসে বললেন, প্রভু অপদেবতারা পর্যন্ত আপনার নামে আমাদের বশীভূত হয়।
18
তখন তিনি তাদের বললেন, আমি শয়তানকে বিদ্যুতের মতো স্বর্গ থেকে পড়তে দেখলাম।
19
শোন, সাপ ও বৃশ্চিককে পায়ের তলায় দলিত করার এবং শত্রুর সমস্ত শক্তির ওপর অধিকার ও ক্ষমতা তোমাদের আমি দিচ্ছি। কেউ তোমাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
20
তবে অপদেবতারা তোমাদের বশীভূত হচ্ছে বলে খুশী হয়ো না, বরং স্বর্গে তোমাদের নাম লেখা হল বলে আনন্দিত হও।
21
সেই মুহূর্তে প্রভু যীশু পবিত্র আত্মার আনন্দে বিভোর হয়ে বললেন, হে পিতা, স্বর্গ ও মর্ত্যের প্রভু, তোমায় ধন্যবাদ দিই যে তুমি জ্ঞানী ও বুদ্ধিমানদের কাছে এই রহস্যের বিষয় গোপন রেখে শিশুর মত সরল মানুষের কাছে প্রকাশ করেছ। পিতা এই-ই ছিল তোমার মহতী বাসনা।
22
আমার পিতা আমাকে সব কিছু দিয়েছেন, একমাত্র পিতা ছাড়া আর কেউ পুত্রের পরিচয় জানে না। অথবা পিতাকে পুত্র ব্যতীত আর কেউ জানে না। শুধুমাত্র পুত্র যার কাছে প্রকাশ করতে চান সেই জানে।
23
তারপর তিনি শিষ্যদের দিকে ফিরে একান্তে তাঁদের বললেন, তোমরা এমন কিছু দেখছ, যা দেখলে নয়ন সার্থক হয়।
24
কারণ আমি তোমাদের বলছি, অনেক নবী ও রাজা তা দেখতে চেয়েও দেখতে পাননি। তোমরা যা শুনছ, তা তাঁরাও শুনতে চেয়েছিলেন কিন্তু তাঁদের ইচ্ছা পূর্ণ হয়নি।
25
একজন শাস্ত্রবিদ তাঁকে পরীক্ষা করার জন্য তাঁর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন, গুরুদেব, শাশ্বত জীবনলাভের জন্য আমাকে কি করতে হবে?
26
যীশু তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, শাস্ত্রে কি লেখা আছে? কি বুঝেছ তুমি?
27
তিনি তখন উত্তর দিলেন, তোমার সমস্ত হৃদয়-মনপ্রাণ ও শক্তি দিয়ে তোমার ঈশ্বর প্রভুকে ভালবাসবে এবং তোমার প্রতিবেশীকেও নিজের মত ভালবাসবে।
28
যীশু বললেন, ঠিক বলেছ, এই কাজ করলেই তুমি শাশ্বত জীবন লাভ করবে।
29
কিন্তু সেই ব্যক্তি নিজের সততা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যীশুকে জিজ্ঞাসা করলেন, কিন্তু আমার প্রতিবেশী কে?
30
এর উত্তরে যীশু বললেন, এক ব্যক্তি জেরুশালেম থেকে যেরিকোতে যাচ্ছিল। পথে সে ডাকাতদের হাতে পড়ল, ডাকাতেরা তার কাপড়-চোপড় কেড়ে নিয়ে তাকে মেরে আধমরা করে ফেলে রেখে চলে গেল।
31
ঘটনাক্রমে সেই পথ দিয়ে একজন পুরোহিত যাচ্ছিলেন। তিনি তাকে দেখে পাশ কাটিয়ে চলে গেলেন।
32
সেইভাবে একজন লেবীয়ও তাকে দেখে অন্য দিক দিয়ে পাশ কাটিয়ে চলে গেলেন।
33
কিন্তু একজন শমরীয় সেই পথ দিয়ে যাবার সময় তাকে দেখতে পেল। দেখে তার মন করুণায় ভরে গেল।
34
সে তার কাছে গিয়ে তেল আর সুরা দিয়ে তার ক্ষতগুলি বেঁধে দিল। তারপর তার নিজের বাহনের ওপরে তাকে চড়িয়ে একটি সরাইখানায় নিয়ে গিয়ে তার সেবা-শুশ্রূষা করতে লাগল।
35
তার পরদিন সকালে সে সরাইখানার মালিককে দুটি দীনার দিয়ে বলল, এই লোকটির সেবা যত্ন করো। বাড়তি যা খরচ হবে আমি ফিরে এসে তোমায় শোধ করে দেব।’
36
এই তিনজনের মধ্যে কোন জন ডাকাতের হাতে পড়া লোকটির প্রতিবেশী? তোমার কি মনে হয়?”
37
সে বলল, যে তার ওপর দয়া করল সে-ই। যীশু বললেন, যাও তুমিও তাই কর।
38
যীশু তাঁর শিষ্যদের নিয়ে যেতে যেতে একটি গ্রামের মধ্যে ঢুকলেন। তখন মার্থা নামে একটি তরুণী তাঁকে নিজের বাড়িতে অভ্যর্থনা করে নিয়ে গেল।
39
তাঁর একটি বোন ছিল, তার নাম মরিয়ম। সে প্রভুর পায়ের কাছে বসে তাঁর কথা শুনছিল।
40
এদিকে মার্থা যীশুর পরিচর্যাত অতিমাত্রায় ব্যস্ত হয়ে পড়ল। সে যীশুর কাছে এসে বলল, প্রভু, আমার বোন আমার একার উপর সব কাজের ভার ছেড়ে দিয়েছে, আপনি কি তা দেখছেন না? ওকে বলুন আমাকে একটু সাহায্য করতে।
41
কিন্তু প্রবু তাকে বললেন, মার্থা, মার্থা, তুমি অনেক ব্যাপারে উদ্বিগ্ন ও ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েছ।
42
কিন্তু একটি বিষয়ই সবচেয়ে দরকারী। মরিয়ম সেই অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিষয়টিই বেছে নিয়েছে যা কখনও তার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া যাবে না।
← Chapter 9
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 11 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24