bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Luke 12
Luke 12
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 11
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 13 →
1
ইতিমধ্যে হাজার হাজার লোক জমায়েত হয়ে গেল। ভিড় এত বেশী হল যে একজন আর একজনের গায়ে পড়তে লাগল। যীশু প্রথমে তাঁর শিষ্যদের বলতে লাগলেন, ফরিশীদের খামির সম্বন্ধে সাবধান —এ হল ভণ্ডামি।
2
এমন কিছু লুকানো নেই, যা প্রকাশ পাবে না অথবা এমন কিছু গুপ্ত নেই যা জানা যাবে না।
3
অন্ধকারে যা তোমরা বলেছ, তা আলোয় শোনা যাবে এবং একান্ত গোপন কক্ষে যা তোমরা ফিস ফিস করে বলেছ, তা বাড়ির ছাদের ওপর থেকে ঘোষিত হবে।
4
বন্ধুগণ, আমি তোমাদের বলছি, যারা দেহকে বিনাশ করে, তাদের ভয় করো না। কারণ এর রবেশি তারা কিছু করতে পারে না।
5
কিন্তু কাকে ভয় করতে হবে তা আমি বলে দিচ্ছি: বিনাশের পরও যাঁর নরকে নিক্ষেপ করার ক্ষমতা আছে তাঁকেই ভয় করো। হ্যাঁ, আমি বলি তাঁকেই ভয় করো।
6
পাঁচটি চড়াই পাখি কি দু পয়সায় বিক্রী হয় না? তবু তাদের কোনটিকেই ঈশ্বর ভুলে যান না।
7
এমন কি তোমাদের মাথার চুলগুলিও তাঁর গোনা আছে। সুতরাং ভয় করো না, অনেকগুলি চড়াই পাখির চেয়েও তোমরা মূল্যবান।
8
তোমাদের আমি বলছি, লোকের সামনে যে আমায় স্বীকার করবে, মানবপুত্রও তাকে ঈশ্বরের দূতবাহিনীর সাক্ষাতে স্বীকার করবেন।
9
কিন্তু যে আমাকে লোকের সামনে অস্বীকার করবে, ঈশ্বরের দূতবাহিনীর সামনে তাকেও অস্বীকার করা হবে।
10
মানবপুত্রের বিরুদ্ধে কেউ কোন কথা বললে সে ক্ষমা পাবে, কিন্তু পবিত্র আত্মার নিন্দা যে করবে, তার ক্ষমা নেই।
11
যখন লোকে তোমাদের সমাজভবনে শাসক ও কর্তৃপক্ষের সামনে এনে উপস্থিত করবে তখন কেমন করে বা কি উত্তর দেবে, এ সম্বন্ধে চিন্তিত হয়ো না।
12
কি বলা উচিত —সেই সময়ই তা পবিত্র আত্মা তোমাদের মুখে জুগিয়ে দেবেন।
13
জনতার মধ্যে থেকে একজন যীশুকে বলল, গুরুদেব, আমার ভাইকে আমার উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি ভাগ করে দিতে বলুন।
14
তিনি তাকে বললেন, তোমাদের বিবাদের নিষ্পত্তির অথবা সম্পত্তি ভাগ করে দেবার দায়িত্ব আমার নয়।
15
তারপর তিনি লোকদের বললেন, সাবধান হও, সর্বপ্রকার লোভ সম্বরণ কর। কারণ সম্পদের প্রাচুর্যের ওপরে মানুষের জীবনের অস্তিত্ব নিভর্র করে না।
16
এই প্রসঙ্গে তিনি তাদের একটি উপাখ্যান বললেন, একজন ধনী লোকের ক্ষেতে প্রচুর ফসল হয়েছিল।
17
তখন সে ভাবতে লাগল, ‘সমস্ত ফসল রাখবার মত জায়গা তো আমার নেই, কি করি?’
18
মনে মনে সে বলল, ‘এক কাজ করি, সব গোলাঘরগুলো ভেঙ্গে ফেলে খুব বড় গোলাঘর তৈরী করি। সেখানেই সমস্ত ফসল আর অন্যান্য জিনিস রাখা যাবে।
19
তখন আমি নিজের আত্মাকে বলব, এবার ‘বহু বৎসরের জন্য প্রচুর সম্পদ সঞ্চয় করা হয়েছে। এবার আমি বিশ্রাম করব, খাব-দাব, স্ফূর্তি করব।’
20
কিন্তু ঈশ্বর তাকে বললেন, ‘মূর্খ, আজ রাত্রেই তেআমার প্রাণ নিয়ে নেওয়া হবে। এই যে আয়োজন করলে, সেগুলি তখন কার হবে?’
21
কাজেই যে নিজের জন্য ধন সঞ্চয় করে, ঈশ্বরের কাছে সে ধনবান নয়।
22
যীশু তাঁর শিষ্যদের আবার বললেন, সেইজন্যে তোমাদের আমি বলছি যে, কি খেয়ে জীবন ধারণ করবে অথবা শরীরের পোষাক পরিচ্ছদ কি হবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা করো না।
23
খাদ্যের চেয়ে জীবন বড় এবং বস্ত্রের চেয়ে বড় দেহ।
24
দাঁড়কাকদের কথা ভেবে দেখ, তারা বোনেও না, কাটেও না। তাদের না আছে কোন ভাঁড়ার ঘর, না আছে গোলাঘর। ঈশ্বরই তাদের খাদ্য দেন। পাখিদের চেয়ে তোমরা কত মূল্যবান।
25
তোমাদের মধ্যে কে দুশ্চিন্তা করে নিজের আয়ু আরও কিছু বাড়িয়ে নিতে পারে?
26
এই সামান্য কাজ যদি তোমরা করতে না পার, তাহলে অন্য সমস্ত বিষয়ে দুশ্চিন্তা কর কেন?
27
লিলি ফুলগুলির কথা ভেবে দেখ, কেমন করে তারা বেড়ে ওঠে। ওরা সূতোও কাটে না, কাপড়ও বোনে না। তবুও তোমাদের আমি বলছি, শলোমন তাঁর গৌরবের শীর্ষেও এদের একটিরও মতো সুসজ্জিত ছিলেন না।
28
মাঠের ঘাস, যা আজ আছে, কাল যাকে উনুনে ফেলে দেওয়া হবে —তাকে যদি ঈশ্বর এমন করে সাজাতে পারেন, তাহলে হে ক্ষীণ বিশ্বাসীর দল, তোমাদের তিনি কি তার চেয়েও বেশী সাজাবেন না?
29
তাই অন্নবস্ত্র সম্বন্ধে চিন্তা করে মনকে উতলা করো না।
30
জগতের সমস্ত জাতিই এগুলির সন্ধানে থাকে। এগুলি যে তোমাদের দরকার —এ কথা তোমাদের পিতা জানেন।
31
তাই এগুলির পরিবর্তে তাঁর রাজত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য তৎপর হও। তাহলে তার সঙ্গে এ সবই লাভ করবে।
32
ক্ষুদ্র মেষপাল, তোমরা ভয় পেয়ো না। এই রাজ্য তোমাদের দান করাতেই পিতার পরম আনন্দ।
33
তোমাদের সম্পত্তি বিক্রী করে বিলিয়ে দাও। কোন দিন জীর্ণ হবে না, এমন একটি থলির ব্যবস্থা করে, তার মধ্যে স্বর্গীয় সম্পদ সঞ্চয় কর —কোন দিন তা নষ্ট হবে না। সেখানে চোরও আসে না, কিম্বা পোকাও কাটে না।
34
কারণ যেখানে তোমাদের সম্পদ সেইখানেই তোমাদের মন পড়ে থাকবে।
35
তোমরা কোমর বেঁধে তৈরী থেকো এবং দীপ জ্বেলে রেখো।
36
ভৃত্যেরা যেমন বিবাহ উৎসব থেকে প্রভুর বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় থাকে, যাতে তিনি ফিরে এসে দ্বারে আঘাত করার সঙ্গে সঙ্গে তারা দ্বার খুলে দিতে পারে —তোমরাও তাদের মত অপেক্ষায় থেকো।
37
ধন্য সেই ভৃত্য, যাকে প্রভু ফিরে এসে জেগে থাকতে দেখবেন। বাস্তবিকই আমি বলছি, তিনি এসে নিজের কোমর বেঁধে তাদের খেতে বসাবেন এবং পরিচর্যা করবেন।
38
তিনি দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রহরে এসে যাদের জেগে থাকতে দেখবেন, সেই দাসেরাই মহা ভাগ্যবান।
39
কিন্তু একথা জেনে রেখো যে, গৃহস্বামী যদি জানত যে চোর কখন আসবে তাহলে সে জেগে থাকত, ঘরে চুরি হতে দিত না।
40
তোমরাও প্রস্তুত থেকো। তোমাদের অপ্রত্যাশিত সময়ে মানবপুত্র আসবেন।
41
পিতর যখন যীশুকে বললেন, প্রভু, এই উপমাটি আপনি শুধু আমাদের জন্য বললেন, না সকলের জন্য?
42
প্রভু বললেন, কে সেই বিশ্বস্ত ও বুদ্ধিমান দেওয়অন, যাকে তার প্রভু পরিবারের সকলকে যথাসময়ে খাবার পরিবেশনের দায়িত্ব দেবেন?
43
প্রভু ফিরে এসে যে দাসকে সেইভাবে কর্মরত দেখবেন, সেই দাসই ধন্য।
44
আমি তোমাদের বলছি, সত্যিই তিনি তাকে তাঁর সমস্ত সম্পত্তি তত্ত্বাবধানের জন্য নিযুক্ত করবেন।
45
কিন্তু সেই দাস যদি ‘আমার প্রভুর আসতে দেরী আছে’, এই ভেবে দাস-দাসীদের মারপিট করে এবং খাওয়া-দাওয়া ও সুরা পান করে মত্ত হয়এ থাকে
46
তাহলে সেই দাসের প্রভু এমন একদিন ও ক্ষণে আসবেন —যা সে জানে না। এমনি এক অপ্রত্যাশিত দিনে তিনি এসে তাকে শাস্তি দেবেন এবং অবিশ্বস্তদের দলে তাকে ফেলবেন।
47
সেই দাস তার প্রভুর ইচ্ছা জেনেও প্রস্তুত থাকেনি অথবা তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী কাজ করেনি —তাই তাকে কঠোর দণ্ড দেওয়া হবে।
48
কিন্তু যে না জেনে দণ্ডের যোগ্য কোন কাজ করে, তার দণ্ড লঘু হবে। যাকে বেশী দেওয়া হয়েছে, তার কাছ থেকে বেশী আদায় করা হবে। লোকে যাদের বেশী দেয়, তার কাছ থেকে তারা বেশী চাইবে। যাদের তার চেয়েও বেশী দেওয়া হয়েছে, তাদের কাছ থেকে তেমনি আরও বেশী প্রতিদান দাবী করা হবে।
49
আমি পৃথিবীতে অগ্নিবর্ষণ করতে এসেছি এবং আমার একান্ত ইচ্ছা এখনই তা জ্বলে উঠুক।
50
আমাকে একটি বাপ্তিষ্ম গ্রহণ করতে হবে, সেটি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আমি উদগ্রীব হয়ে আছি।
51
তোমরা কি মনে কর, আমি পৃথিবীতে শান্তি দিতে এসেছি? না, আমি তোমাদের বলছি, আমি বিচ্ছেদ ঘটাতে এসেছি?
52
একন থেকে কোন বাড়িতে পাঁচজন থাকলে তিনজন দুইজনের বিপক্ষে হবে এবং দুইজন তিনজনের বিপক্ষে দাঁড়াবে।
53
তারা সকলে বিচ্ছিন্ন হবে। সন্তানের বিরুদ্ধে পিতা, পিতার বিরুদ্ধে সন্তান, মাতার বিরুদ্ধে কন্যা, কন্যার বিরুদ্ধে মাতা, শাশুড়ীর বিরুদ্ধে পুত্রবধূ, পুত্রবধূর বিরুদ্ধে শাশুড়ী দাঁড়াবে।
54
সমস্ত জনতাকে তিনি একথাও বললেন, পশ্চিম দিকে মেঘ দেখলে তোমরা তখুনি বল, ‘বৃষ্টি আসছে’ এবং তা হয়ও।
55
আবার দখিণা বাতাস বইলে তোমরা বল, ‘প্রচণ্ড গরম পড়বে’ —আর তাই-ই হয়।
56
ভণ্ডের দল, আকাশ ও পৃথিবীর অবস্থা দেখে তোমরা তার অর্থ বলতে পার, কিন্তু বর্তমান কালের তাৎপর্য কেন বুঝতে পার না?
57
কোনটি ঠিক —তা তোমরা নিজেরা বিচার করে দেখছ না?
58
শাসন কর্তৃপক্ষের কাছে যাবার আগে পথেই তোমরা প্রতিপক্ষের সঙ্গে বিবাদ মিটিয়ে ফেল। নইলে সে তোমাকে বিচারকের কাছে নিয়ে যাবে, বিচারক তোমাকে কারারক্ষকের হাতে দিয়ে দেবে, কারারক্ষক তোমাকে কারাগারে বন্দী করবে।
59
এও বলছি যে, শেষ কড়িটি শোধ না হওয়া পর্যন্ত তুমি সেখান থেকে কিছুতেই বেরিয়ে আসতে পারবে না।
← Chapter 11
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 13 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24