bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Luke 20
Luke 20
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 19
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 21 →
1
একদিন যীশু মন্দিরে শিক্ষা দিচ্ছেন আর সুসমাচার প্রচার করছেন, সেই সময় পুরোহিতদের নেতৃবৃন্দ ও শাস্ত্রবিদরা ইহুদী প্রবীণদের সঙ্গে তাঁর কাছে এসে
2
বললেন, কোন ক্ষমতায় তুমি এই সমস্ত কাজ করছ অথবা কে তোমাকে এসব কাজ করার অধিকার দিয়েছে —আমাদের বল।
3
তিনি উত্তর দিলেন, আমিও তোমাদের একটা প্রশ্ন করব —বল,
4
বাপ্তিষ্ম দেবার অধিকার যোহন কোথা থেকে পেয়েছেন —ঈশ্বরের কাছ থেকে না মানুষের কাছ থেকে?
5
তাঁরা পরস্পরর আলোচনা করতে লাগলেন, যদি আমরা বলি, ঈশ্বরের কাছ থেকে —তাহলে ও বলবে, তবে কেন তোমরা তাঁক এবিশ্বাস করনি?
6
আর যদি বলি —মানুষের কাছ থেকে —তাহলে সমস্ত লোক আমাদের পাথর মারবে, কারণ তাদের দৃঢ় বিশ্বাস যে যোহন একজন নবী।
7
তাই তাঁরা বললেন যে, তাঁরা জানেন না যোহন কোথা থেকে এই অধিকার পেয়েছিলেন।
8
যীশু তখন তাঁদের বললেন, তাহলে আমিও তোমাদের বলব না, কোন ক্ষমতার বলে আমি এসব করছি।
9
তারপর যীশু লোকদের কাছে একটি উপাখ্যান বলতে আরম্ভ করলেন, এক ব্যক্তি একটি দ্রাক্ষাকুঞ্জ তৈরী করে চাষীদের মধ্যে বিলি করে দিলেন। তারপর দীর্ঘদিনের জন্য বিদেশে চলে গেলেন।
10
ফসলের সময় হলে তিনি চাষীদের কাছে তার ভৃত্যকে পাঠালেন যেন তারা ফসলের অংশ তাকে দেয়। কিন্তু চাষীরা তাকে মারধোর করে খালি হতে তাড়িয়ে দিল।
11
তিনি তখন আর একজন ভৃত্য পাঠালেন। তাকেও তারা মেরে, অপমান করে খালি হাতে ফেরৎ পাঠাল।
12
তিনি তৃতীয়বার আর একজনকে পাঠালেন। একেও তারা মেরে জখম করে বাইরে ফেলে দিল।
13
তখন দ্রাক্ষাকুঞ্জের মালিক বললেন, ‘এবার আমি কি করি? আমি আমার প্রিয় পুত্রকে পাঠাব, তাকে হয়তো তারা মানবে।’
14
কিন্তু তাঁকে দেখে তারা নিজেদের মধ্যে বলল, ‘এই হচ্ছে উত্তরাধিকারী। এস আমরা একে মেরে ফেলি, তাহলে মালিকানা আমাদের হবে।’
15
তারা তখন তাঁকে দ্রাক্ষাকুঞ্জ থেকে তাড়িয়ে বাইরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করল। দ্রাক্ষাকুঞ্জের মালিক এরপর এদের সম্পর্কে কি করবেন?
16
তিনি এসে এই চাষীদের ধ্বংস করবেন এবং দ্রাক্ষাকুঞ্জটি অন্য চাষীদের কাছে বিলি করে দেবেন। তারা উপাখ্যানটি সুনে বলল, ঈশ্বর করুন, এমন যেন না হয়।
17
কিন্তু তিনি তাদের দিকে তাকিয়ে বললেন, তবে শাস্ত্রের এই কথার অর্থ কিঃ গৃহ নির্মাতারা যে প্রস্তরটি অবহেলা করেছিল সেটিই কোণের ভিত্তি প্রস্তর হয়ে দাঁড়াল?
18
যে এই প্রস্তরের উপরে পড়বে, সে চূর্ণ-বিচূর্ণ হবে আর এই প্রস্তরটি যার উপরে পড়বে সে হবে নিষ্পেষিত।
19
শাস্ত্রবিদ ও পুরোহিতদের নেতৃবৃন্দ বুঝতে পেরেছিলেন যে, এই উপাখ্যানটি তাঁদের উদ্দেশ্য করেই বলা হয়েছে, তাঁরা তখনই যীশুকে গ্রেপ্তার করতে চেয়েছিলেন কিন্তু লোকের ভয়ে পারলেন না।
20
তাই তাঁরা সতর্ক দৃষ্টি রাখলেন এবং চর পাঠালেন, যেন এরা অন্তরঙ্গতার ভাণ করে তাঁর কথার খুঁত ধরতে পারে। তাহলে তাঁরা তাঁকে রাজ্যপালের কাছে অভিযুক্ত করতে পারবেন।
21
চরেরা যীশুকে জিজ্ঞাসা করল, গুরুদেব, আমরা জানি, আপনি যা বলেন ও শিক্ষা দেন, সমস্তই সত্য ও যথার্থ। কারও পক্ষপাতিত্ব না করে আপনি প্রকৃত ঈশ্বরের পথ সম্বন্ধে শিক্ষা দেন।
22
আচ্ছা, সীজারকে কর দেওয়া আমাদের উচিত কি না?
23
যীশু তাদের চালাকি বুঝতে পেরে বললেন,
24
আমাকে একটা মুদ্রা দেখাও। এতে কার মূর্তি ও নাম খোদাই করা আছে? তারা বলল, মূর্তি ও নাম খোদাই করা আছে? তারা বলল, সীজারের।
25
তিনি তাদের বললেন, যা সীজারের প্রাপ্য, তা সীজারকে দাও।
26
সমস্ত লোকের সামনে তারা তাঁর কথার কোন দোষ ধরতে পারল না বরং তাঁর উত্তরে তারা অবাক হয়ে চুপ করে গেল।
27
পুনরুত্থান বলে কিছু নেই —এ কথা যারা বলে, সেই সদ্দুকী সম্প্রদায়ের জনকয়েক লোক যীশুর কাছে এল।
28
যীশুকে তারা জিজ্ঞাসা করল, গুরুদেব, মোশি লিখে গেছেন যে, যদি কোন ব্যক্তির ভাই নিঃসন্তান অবস্থায় স্ত্রীকে রেখে মারা যায়, তাহলে সেই ব্যক্তি ঐ স্ত্রীকে গ্রহণ করে নিজের ভাইয়ের বংশ রক্ষা করবে।
29
মনে করুন, সাতটি ভাই ছিল। প্রথম জন বিবাহ করল কিন্তু নিঃসন্তান অবস্থায় মারা গেল।
30
তারপর দ্বিতীয় জন ও
31
তৃতীয়জন সেই স্ত্রীকে গ্রহণ করল এবং এইভাবে সাতজনই কোন সন্তান না রেখে মারা গেল।
32
এরপর সেই স্ত্রীলোকটিও মারা গেল।
33
তাহলে পুনরুত্থানের পর এই স্ত্রীলোকটি কার স্ত্রী হবে? কারণ সে তো সাতজনেরই স্ত্রী ছিল?
34
যীশু তাদের বললেন, ইহজগতে লোকে বিবাহ করে এবং তাদের বিবাহ দেওয়া হয়।
35
কিন্তচু যারা পরলোকে উত্তরণের ও মৃতদের মধ্যে থেকে পুনরুত্থিত হবার যোগ্য বলে গণ্য হয়েছে, তারা বিবাহ করে না, কিম্বা তাদের বিবাহ দেওয়অ হয় না।
36
এরা আর মৃত্যুর অধন থাকে না, কারণ এরা স্বর্গদূতদের সমান এবং পুনরুত্থিত হয়েছে বলে এরা ঈশ্বরের সন্তান।
37
কিন্তু মৃতেরা যে পুনরুত্থিত হবে, সে কথা শাস্ত্রের যে অংশে জ্বলন্ত ঝোপের বর্ণনা আছে সেখানে মোশিও বলেছেন। সেখানে তিনি প্রভুকে অব্রাহামের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর এবং যাকোবের ঈশ্বর বলে সম্বোধন করেছেন।
38
তিনি মৃতদের ঈশ্বর নন, জীবিতদের ঈশ্বর। কারণ তাঁর কাচে সকলেই জীবিত।
39
কয়েকজন শাস্ত্রবিদ বললেন, গুরুদেব, আপনি ভালই বলেছেন।
40
এরপর যীশুকে আর কোন কথা জিজ্ঞাসা করার সাহস তাদের হল না।
41
তিনি তাদের বললেন, লোকে কি করে বলে যে, খ্রীষ্ট দাউদের সন্তান?
42
কারণ দাউদ নিজেই তাঁর গীতে বলেছেনঃ পরমেশ্বর বলেন, তুমি আমার রাজা, তুমি আমার দক্ষিণে বস,
43
যতক্ষণ না তোমার শত্রুদের আমি করি তোমার পাদপীঠ।
44
কাজেই দাউদ যখন তাঁকে প্রভু বলে সম্বোধন করছেন, তখন কি করে তিনি তাঁর সন্তান হতে পারেন?
45
সমস্ত লোক যাতে শুনতে পায়, এইভাবে তিনি তাঁর শিষ্যদের বললেন,
46
শাস্ত্রবিদদের সম্বন্ধে সতর্ক থেকো, এরা লম্বা আলখাল্লা পরতে পছন্দ করে, হাটে-বাজারে অভিবাদন পেতে, সমাজভবনে এবং ভোজসভায় সবচেয়ে ভাল এবং সম্মানিতের আসন লাভ করতে ভালবাসে।
47
এরা বিধবাদের ঘরবাড়ি গ্রাস করে এবং ধর্মের ভাণ করে লম্বা প্রার্থনা করে। এরা বিচারে আরও কঠিন শাস্তি পাবে।
← Chapter 19
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 21 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24