bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Luke 5
Luke 5
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 4
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 6 →
1
একদিন যীশু গিনেসরৎ হ্রদের ধারে দাঁড়িয়ে ছিলেন। বিরাট এক জনতার বিড় ঈশ্বরের বাণী শোনার জন্য চাপাচাপি করে তাঁর গায়ের উপর পড়ছিল।
2
হ্রদের ধারে তিনি দুটি জেলে নৌকা দেখতে পেলেন, জেলেরা নৌকা থেকে নেমে জাল ধুচ্ছিল।
3
একটি নৌকায় তিনি উঠলেন —সেটি ছিল শিমোনের —তিনি তাঁকে তীর থেকে নৌকাটিকে একটু দূরে নিয়ে যেতে বললেন। তারপর সেখানে বসে সকলকে শিক্ষা দিতে লাগলেন।
4
উপদেশ শেষ করে তিনি শিমোনকে বললেন, গভীর জলে নৌকা নিয়ে গিয়ে জাল পেল।
5
শিমোন উত্তর দিলেন, প্রভু আমরা সারারাত পরিশ্রম করেও কিছু পাইনি। তবু আপনার কথামত আর একবার না হয় জাল ফেলব।
6
এই কথা অনুযায়ী কাজ হল, বিরাট এক ঝাঁক মাছ জালে ধরা পড়ল, ফলে জাল ছিঁড়ে যেতে লাগল।
7
তখন তাঁরা তাঁদের অন্য নৌকার সঙ্গীদের সাহায্য করবার জন্য ডাকলেন। তাঁরা এসে দুখানি নৌকা বোঝাই করলেন, বোঝার ভারে নৌকা দুটি ডুববার উপক্রম হল।
8
শিমোন পিতর এই ব্যাপার দেখে যীশুর পায়ে পড়ে বললেন, আমার কাছ থেকে চলে যান প্রভু, আমি পাপিষ্ঠ।
9
এত মাছ ধরা পড়ায় তিনি ও তাঁর সঙ্গীরা হতচকিত হয়ে পড়েছিলেন।
10
শিমোনের সঙ্গী সিবদিয়ের দুই পুত্র যাকোব আর যেআহনও তেমনি অবাক হয়ে গেলেন। যীশু তখন শিমোনকে বললেন, ভয় পেয়ো না, এবার থেকে তুমি মনুষ্যধারী হবে।
11
নৌকা দুটি তীরে এনে সব কিছু ফেলে রেখে তাঁরা যীশুর সঙ্গ নিলেন।
12
যীশু একবার একটি নগরে গিয়েছিলেন, সেখানে একজন কুষ্ঠরোগী ছিল। যীশুকে দেখতে পেয়ে তাঁর সামনে উবুড় হয়ে পড়ে সে মিনতি করে বলল, প্রভু, আপনি যদি চান আমাকে শুচি করুন।
13
হাত বাড়িয়ে তাকে স্পর্শ করে যীশু বললেন, আমি তাই চাই, তুমি শুচি হও। সঙ্গে সঙ্গে তার কুষ্ঠ নিরাময় হল।
14
যীশু তাকে একথা কাউকে বলতে নিষেধ করে দিয়ে বললেন, যাও, পুরোহিতের কাছে গিয়ে নিজেকে দেখাও এবং লোকসমক্ষে প্রমাণ স্বরূপ মোশির বিধান অনুসারে তোমার শুচিতা লাভের জন্য নৈবেদ্য উৎসর্গ কর।
15
কিন্তু নিষেধ সত্ত্বেও যীশুর কথা চারিদিকে আরও বেশী ছড়িয়ে পড়তে লাগল, ফলে তাঁর কথা শুনবার জন্য বিরাট জনতা সমবেত হতে লাগল।
16
কিন্তু তিনি কোন একটি নির্জন স্থানে গিয়ে প্রার্থনায় রত হলেন।
17
যীশু একদিন লোকদের শিক্ষা দিচ্ছিলেন। জেরুশালেম, যিহুদীয়া ও গালীলের পল্লী অঞ্চল থেকে আগত কয়েকজন ফরিশী ও শাস্ত্রগুরু বসে তাঁর কথা শুনছিলেন। তিনি আরোগ্যদায়ী ঐশী শক্তির অধকারী ছিলেন।
18
কয়েকজন লোক খাটিয়াতে করে একজন পক্ষাঘাতগ্রস্ত লোককে নিয়ে এল। তারা তাকে ভিতরে নিয়ে গিয়ে যীশুর সামনে রাখতে চেষ্টা করল।
19
কিন্তু ভিড়ের জন্য তাকে ভিতরে নিয়ে যাবার কোন পথ না পেয়ে তারা ছাদে গিয়ে উঠল। ছাদের টালি সরিয়ে তারা খাটিয়া শুদ্ধ লোকটিকে ঘরের মাঝখানে যীশুর সামনে নামিয়ে দিল।
20
যীশু তাদের এতখানি বিশ্বাস দেখে বললেন, বৎস, তোমার সমস্ত পাপ ক্ষমা করা হল।
21
এই কথা শুনে ফরিশী ও শাস্ত্রগুরুরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে লাগলেন, এ কে যে ঈশ্বরনিন্দা করছে? একমাত্র ঈশ্বর ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করতে পারে?
22
যীশু তাদের এই আলোচনা বুঝতে পেরে বললেন, কেন তোমরা এই ধরণের কথা ভাবছ:
23
কোনটা সহজ? ‘তোমার পাপ ক্ষমা হল’ বলা —না ‘উঠে হেঁটে বেড়াও’ বলা?
24
কিন্তু তোমাদের জানা দরকার যে পৃথিবীতে পাপ ক্ষমা করার অধিকার মানবপুত্রের আছে। তারপর তিনি পক্ষাঘাতগ্রস্ত লোকটিকে বললেন, ওঠ, তোমার খাটিয়া তুলে নিয়ে বাড়ি চলে যাও।
25
সঙ্গে সঙ্গে সে তাদের সামনে উঠে নিজের বিছানা তুলে নিয়ে ঈশ্বরের মহিমা কীর্তন করতে করতে বাড়ি চলে গেল।
26
বিস্ময়ে সকলে অভিবূত হয়ে ঈশ্বরের স্তুতি করতে লাগল। বিস্ময়ে ও সম্ভ্রমে আচ্ছন্ন হয়ে তারা বলল, আজ আমরা এক অদ্ভুত ব্যাপার দেখলাম।
27
এই ঘটনার পর যীশু বাইরে চলে গেলেন এবং লেবী নামে একরজন কর-আদায়কারীকে তার দপ্তরে বসে থাকতে দেখলেন। তিনি তাঁকে বললেন, আমার সঙ্গে এস।
28
লেবী সঙ্গে সঙ্গে সব কিছু ফেলে রেখে তাঁর সঙ্গে চললেন।
29
যীশুর সম্মানার্থে কর-আদায়কারী লেবী নিজের বাড়িতে এক বিরাট ভোজের আয়োজন করলেন। একদল কর-আদায়কারী এবং অন্যান্য অনেকে তাঁদের সঙ্গে ভোজে বসল।
30
তাই দেখে ফরিশী ও শাস্ত্রবিদ্রা যীশুর শিষ্যদের কাছে অনুযোগ করতে লাগল, তোমরা কেন কর-আদায়কারী ও পতিতদের সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া কর।
31
যীশু তাদের বললেন, রোগীর জন্যই চিকিৎসকের দরকার, সুস্থ লোকের জন্য নয়।
32
ধার্মিকদের নয়, কিন্তু আমি এসেছি পতিতদেরই আহ্বন জানাতে, যেন তারা হৃদয় পরিবর্তন করে।
33
তারা যীশুকে বলল, যোহনের শিষ্যেরা প্রায়ই উপবাস এবং প্রার্থনা করে, ফরিশীদের শিষ্যরাও তাই করে কিন্তু আপনার শিষ্যেরা নিয়মিত খাওয়া-দাওয়া করে।
34
যীশু তাদের বললেন, বর সঙ্গে থাকতে তোমরা বিয়ে বাড়িতে নিমন্ত্রিতদের উপবাসে রাখতে পার?
35
এমন দিন আসবে যখন বরকে তাদের কাছে থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে, তখন তারা উপবাস করবে।
36
একটি উপমা দিয়ে তিনি তাদের আবার বললেন, নতুন কাপড়ের টুকরো দিয়ে কেউ পুরানো কাপড়ে তালি দেয় না, যদি দেয় তাহলে সে নতুন কাপড়টিকে ছিঁড়বে। অথচ নতুন কাপড়ের টুকরোটা পুরানোর সঙ্গে খাপ খাবে না।
37
পুরানো পাত্রে কেউ নতুন সুরা রাখে না, রাখলে নতুন সুরার তেএজ পাত্রটি ফেটে যায় —ফলে সুরাও পড়ে যায়, পাত্রটিও নষ্ট হয়ে যায়।
38
তাই টাটকা সুরা নতুন পাত্রেই রাখতে হয়।
39
পুরানো সুরা পান করার পর কেউ নতুন সুরা চায় না, কারণ সে বলে, পুরানোটাই ভাল।
← Chapter 4
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 6 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24