bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Luke 6
Luke 6
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 5
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 7 →
1
সপ্তাহের শেষে সাব্বাথ দিনে যীশু একটি গম ক্ষেতের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর শিষ্যেরা যেতে যেতে গমের শীষ ছিঁড়ে হাতে ছাড়িয়ে খাচ্ছিলেন।
2
তাই দেখে কয়েকজন ফরিশী তাঁদের বলল, সাব্বাথ দিনে যা করা উচিত নয়, কেন তোমরা তাই করছ?
3
যীশু উত্তর দিলেন, দাউদ এবং তাঁর অনুচরেরা ক্ষুধার্ত হলে কি করেছিলেন, তা কি তোমরা পড়নি?
4
কি করে তিনি ঈশ্বরের মন্দিরে গিয়ে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে নিবেদিত রুটি নিজে খেয়েছিলেন এবং অনুচরদের দিয়েছিলেন, যা পুরোহিত ছাড়া আর কারও খাওয়া বিধানসম্মত নয়?
5
তিনি তাদের আরও বললেন যে, মানবপুত্রই হলেন সাব্বাথের অধিপতি।
6
আর একদিন এমনি এক সাব্বাথ দিনে যীশু সমাজভবনে শিক্ষা দিচ্ছিলেন। সেখানে একটি লোক ছিল, তার ডান হাতখানা শুকিয়ে গিয়েছিল।
7
তিনি তাকে সাব্বাথ দিনে সুস্থ করেন কিনা দেখবার জন্য ফরিশী ও শাস্ত্রবিদরা তার উপরে কড়া নজর রাখল, যাতে তাঁকে দোষী করার সূত্র পেতে পারে।
8
যীশু তাদের মনের ভাব জানতেন, তাই তিনি লোকটিকে বললেন, উঠে এসে মাঝখানে দাঁড়াও। সে মাঝখানে গিয়ে দাঁড়াল।
9
যীশু তখন তাদের বললেন, আমি তোমাদের জিজ্ঞাসা করছি, সাব্বাথ দিনে কি করা উচিত? ভাল করা না ক্ষতি করা, কাউকে প্রাণে বাঁচানো না মেরে ফেলা?
10
সকলের দিকে তিনি তাকিয়ে দেখে সেই লোকটিকে বললেন, তোমার হাত সামনের দিকে মেলে ধর। সে যীশুর কথামত তাই করল। সঙ্গে সঙ্গে তার হাত সম্পূর্ণ সেরে গেল।
11
ফলে তারা ভীষণ রেগে গেল এবং যীশুর বিরুদ্ধে কি করা যেতে পারে, এই নিয়ে চক্রান্ত করতে লাগল।
12
একদিন যীশু প্রার্থনা করার জন্য পাহাড়ে চলে গেলেন এবং ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনায় সারারাত কাটালেন।
13
সকাল হলে, তিনি তাঁর শিষ্যদের ডেকে তাঁদের মধ্যে থেকে বারোজনকে মনোনীত করে তাঁদের নাম দিলেন ‘প্রেরিরত’।
14
শিমোন, এঁকে তিনি নাম দিলেন পিতর। এঁর ভাই আন্দ্রিয়, যাকোব ও যোহন, ফিলিপ ও বর্থলময়,
15
মথি, থোমা, এবং আলফেয়ের পুত্র যাকোব ও শিমোন, এঁর আর একটি নাম ‘উদ্যোগী' এবং
16
যাকোবের পুত্র যিহুদা ইস্কারিয়োথ, যিনি পরে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন।
17
তারপর তিনি তাঁদের সঙ্গে নিয়ে একটি সমতল জায়গায় নেমে এসে দাঁড়ালেন। সমগ্র যিহুদীয়া এবং জেরুশালেম, সোর ও সীদোনের সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলল থেকে তাঁর উপদেশ শুনবার জন্য এবং আরোগ্যলাবের জন্য এক বিরাট জনতা ও শিষ্যমণ্ডলী তাঁর কাছে এসে সমবেত হল।
18
জনতার সকলেই তাঁকে স্পর্শ করবার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠল। কারণ তাঁর মধ্যে থেকে নির্গত এক শক্তির প্রভাবে সকলেই সুস্থ হচ্ছিল। যাদের উপর অপদেবতার ভর হয়েছিল তারাও সুস্থ হল।
20
যীশু তাঁর শিষ্যদের দিকে চেয়ে বললেন। ধন্য তোমরা দীনহীনেরা, তোমাদের জন্যই ঐশরাজ্য।
21
তোমরা যারা ক্ষুধার্তা, তোমরাই ধন্য, পরিতৃপ্ত হবে তোমরা। দুঃখে আজ যারা অশ্রুপাত করছ, তোমরাও ধন্যহাসি ফুটবে তোমাদের মুখে।
22
ধন্য তোমরা, যখন মানবপুত্রের জন্য লোকে তোমাদের ঘৃণা করে, সমাজচ্যুত করে, অপমান করে এবং তোমাদের নামে অপবাদ দিয়ে তোমাদের বর্জন করে,
23
তখন তোমরা আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে নৃত্য করো, কারণ স্বর্গে তোমাদের জন মহামূল্য পুরস্কার আছে। এদের পূর্বপুরুষেরাও প্রবক্তা নবীদের প্রতি এই রকমই ব্যবহার করত।
24
কিন্তু হায় ধনীকুল, দুর্ভাগ্য তোমাদের আরাম আর স্বাচ্ছন্দ্য তোমরা পেয়ে গিয়েছ।
25
হায়, পরিতৃপ্ত যারা, দুর্ভাগ্য তোমাদের তোমরা ক্ষুধার্ত হবে। আজ যারা হাসছ, ধিক তোমাদের, দুঃখে আকুল হয়ে কাঁদতে হবে তোমাদের।
26
দুর্ভাগ্য তোমাদের, যখন লোকে তোমাদের সুখ্যাতি করে, এদের পূর্বপুরুষেরা ভণ্ড নবীদের এই ভাবেই সুখ্যাতি করত।
27
শোন আমি তোমাদের বলছি —তোমরা শত্রুদের ভালবাস। যারা তোমাদের ঘৃণা করে, তাদের মঙ্গল কর,
28
যারা তোমাদের অভিশাপ দেয়, আশীর্বাদ কর তাদের। যারা তোমাদের অপমান করে, তাদের জন্য প্রার্থনা কর।
29
যে তোমাদের একটি গালে চন মারে, অন্য গালটিও তার দিকে ফিরিয়ে দিও। যে তোমাদের চাদর কেড়ে নেয় তাকে জামাটি নিতেও বাধা দিও না।
30
যারা তোমাদের কাছে ভিক্ষা চায়, তাদের সকলকে ভিক্ষা দিও এবং যারা তেআমাদের জিনিস কেড়ে নেয়, তাদের কাছে আর সেটা ফেরত চেয়ো না।
31
তোমরা মানুষের কাছে যেমন ব্যবহার চাও, তাদের সঙ্গেও তেমনি ব্যবহার করবে।
32
যারা তোমাদের ভালবাসে, তাদের ভালবাসলে তাতে তোমাদের কৃতিত্ব কোথায়? পাপীদের যারা ভালবাসে, পাপীরাও তাদের ভালবাসে।
33
যারা তোমাদের উপকার করে তোমরা যদি শুধু তাদেরই মঙ্গল কর —তাহলেই বা তোমাদের কৃতিত্ব কোথায়? কারণ পাপীরাও তো তাই করে।
34
যাদের কাছে ফেরৎ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে, তাদের ধার দেওয়ার মধ্যে তোমাদের কৃতিত্ব? পাপীরাও তো পাপীদের ধার দেয় এবং আবার তা ফিরে পায়।
35
কিন্তু শত্রুদের তোমরা ভালবেসো, তাদের মঙ্গল করো, ঋণ দিও —প্রতিদানে কিছুই প্রত্যাশা করো না। তাহলে তোমরা প্রচুর পুরস্কার পাবে এবং পরাৎপরের সন্তান হতে পারবে। কারণ অকৃতজ্ঞ ও স্বার্থপরদের প্রতিও তিনি সদয়।
36
তোমাদের পিতা যেমন করুণাময় তোমরাও তেমনি করুণাপরবশ হও।
37
পরের বিচার করতে যেও না, তাহলে তোমাদেরও বিচার হবে না। কাউকে দোষী সাব্যস্ত করো না, তাহলে তোমাদেরও দোষী করা হবে না। ক্ষমা কর, তাহলে তোমারাও ক্ষমা লাভ করবে।
38
দান কর, তাহলে তোমাদেরও দেওয়া হবে। তোমাদের হাতের পাত্র ঠেসে ঝাঁকিয়ে, এমনভাবে বোঝাই করে দেওয়া হবে যে তা উপচে পড়বে। যে পরিমাপে তুমি দেবে, সেই পরিমাপেই তুমি ফিরে পাবে।
39
যীশু একটি উপাখ্যানের মধ্য দিয়ে বললেন, এক অন্ধ কি আর এক অন্ধকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যেতে পারে? দুজনেই কি এক সঙ্গে গর্তে পড়বে না?
40
শিষ্য তার গুরুর চেয়ে বড় নয় কিন্তু পূর্ণ শিক্ষালাভের পর প্রত্যেকেই তার গুরুর সমান হতে পারে।
41
তোমার ভাইয়ের চোখে যে কুটো আছে সেটা তুমি লক্ষ্য করছ অথচ তোমার নিজের চোখে যে গুঁড়ি আছে তার কথা তুমি ভাবছ না।
42
তোমার নিজের চোখে গুঁড়ি থাকতে কোন মুখে তুমি তোমার ভাইকে বলবে, ‘এসো তোমার চোখ থেকে কুটোটা বের করে দিই?’ ওরে ভণ্ড, আগে নিজের চোখ থেকে গুঁড়িটি বের করে নাও, তবেই তোমার দৃষ্টি স্বচ্ছ হবে এবং তোমার ভাই-এর চোখ থেকে কুটোটা বের করে নিতে পারবে।
43
কখনও কোন ভাল গাছে খারাপ ফল ধরে না, আবার খারাপ গাছেও ভাল ফল ধরে না।
44
প্রত্যেকটি গাছ ফল দিয়ে চেনা যায়। কাঁটা ঝোপ থেকে ডুমুর অথবা বৈঁচি ঝোপ থেকে আঙ্গুর সংগ্রহ করা যায় না।
45
সৎ ব্যক্তির মহৎ অন্তরের ভাণ্ডার থেকে যা কিছু ভাল তাই বার হয়ে আসে এবং অসৎ ব্যক্তির হীন অন্তরের ভাণ্ডার থেকে মন্দই বার হয়ে আসে। কারণ মানুষের হৃদয়ে যার প্রাচুর্য, সেই অনুযায়ীই সে কথা বলে।
46
কেন তোমরা আমাকে প্রভু, প্রভু বলে সম্বোধন কর অথচ আমি যা বলি তা কর না?
47
যে আমার কাছে আসে, আমার কথা শোনে ও সেইমত কাজ করে, সে কি ধরণের লোক তা বলছি শোনঃ
48
সে সেই ব্যক্তির মত যে বাড়ি তৈরী করার জন্য খুব গভীর করে খুঁড়ে পাথরের উপরে ভিত্তি গাঁথল। তারপর প্রবল বন্যার ধাক্কা এসে বাড়ির গায়ে লাগল, তখন তার কোন ক্ষতি হল না। কারণ এটি সুদৃঢ়ভাবে তৈরী করা হয়েছিল।
49
কিন্তু যে আমার কথা শোনে অথচ সেই মত কাজ করে না, সে সেই ব্যক্তির মত যে ভিত্তি ছাড়াই মাটির উপরে ঘর বেঁধেছিল এবং তার গায়ে বন্যার ধাক্কা লাগতেই তক্ষুণি পড়ে গেল। সেই পতন হল ঘোরতর সাংঘাতিক।
← Chapter 5
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 7 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24