bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Luke 2
Luke 2
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 1
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 3 →
1
সেই সময় রোমসম্রাট অগাষ্টাস সীজার ঘোষণা করলেন যে তাঁর সাম্রাজ্যের সমস্ত প্রজাকে নিজেদের নাম তালিকাভুক্ত করতে হবে।
2
এইটিই ছিল সর্বপ্রথম লোকগণনা। এই সময়ে কুরীণীয় ছিলেন সিরিয়ার শাসনকর্তা।
3
তাই সমস্ত লোক নিজ নিজ নাম তালিকাভুক্ত করার জন্য যে যার দেশে যেতে লাগল।
4
যোষেফ ছিলেন দাউদের বংশধর। তাই তিনি গালীল প্রদেশের নাসরত নগর থেকে যিহুদীয়ায় দাউদের আদি নিবাস বেথলেহেমে গেলেন।
5
সঙ্গে ছিলেন তাঁর বাগদত্তা স্ত্রী মরিয়ম, তিনি তখন সন্তানসম্ভবা।
6
তাঁরা যখন বেথলেহেমে গিয়ে উপস্থিত হলেন, সেই সময় মরিয়মের প্রসবকাল পূর্ণ হল,
7
তাঁর প্রথম শিশুপুত্র জন্মগ্রহণ করল। তিনি শিশুটিকে কাপড়ে জড়িয়ে একটি গোয়াল ঘরে জাবপাত্রে শুইয়ে রাখলেন। কারণ পান্থশালায় তাঁদের জন্য জায়গা ছিল না।
8
সেই অঞ্চলে মেষপালকেরা রাতের বেলায় মাঠে ইজেদের মেষপাল পাহারা দিচ্ছিল।
9
এমন সময় সহসা প্রভুর এক দূত তাদের সামনে আবির্ভূত হলেন। প্রভুর আলোক-দীপ্ত মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে উঠল চারিদিক। ভীষণ ভয় পেয়ে গেল তারা।
10
দূত বললেন, ভয় পেয়ো না তোমরা, শোন, আমি তোমাদের কাছে এক মহানন্দের বার্তা এনেছি, এ আনন্দ সর্বমানবের জন্যই।
11
দাউদের আদি নিবাস বেথলেহেম নগরে তেমাদের জন্য এক পরিত্রাতা জন্মগ্রহণ করেছেন। তিনি হলেন প্রভু খ্রীষ্ট,
12
একটি গোয়াল ঘরে জাবপাত্রে কাপড়ে জড়িয়ে তাঁকে শুইয়ে রাখা হয়েছে —এই চিহ্ন দেখেই তোমরা তাঁকে চিনতে পারবে।
13
দূতের কথা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সহসা স্বর্গদূতের বিশাল এক বাহিনী এসে তাঁর সঙ্গে যোগ দিয়ে ঈশ্বরের জয়গান করতে লাগলেনঃ
14
ঊর্ধ্বলোকে ঈশ্বরের মহিমামর্ত্যলোকে তাঁর প্রীতিভাজনমানবের মাঝে বিরাজ করুক শান্তি।
15
স্বর্গদূতেরা স্বর্গে ফিরে গেলে মেষপালকেরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে বলল, চল বেথলেহেমে যাই। প্রভু যে ঘটনার কথা আমাদের জানালেন, দেখে আসি।
16
তারা ব্যস্ত হয়ে রওনা দিল। সেখানে গিয়ে মরিয়ম যোষেফ ও জাবপাত্রে শোয়নো শিশুটিকে দেখতে পেল।
17
শিশুটিকে দেখার পর তার সম্বন্ধে স্বর্গদূত তাদের যে কথা বলেছিলেন, সে কথা তারা সকলের কাছে বলল।
18
মেষপালকদের কথা যারা শুনল তারা সকলেই খুব অবাক হয়ে গেল।
19
মরিয়ম কিন্তু সব কথা স্মরণে রাখলেন এবং মনে মনে এই ব্যাপার নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করতে লাগলেন।
20
দূতের মুখে মেষপালকেরা যেমন শুনেছিল ঠিক তেমনটিই দেখতে পেয়ে তারা ঈশ্বরের গৌরব ও স্তুতি করতে করতে ফিরে গেল।
21
আটদিন পর, সুন্নত অনুষ্ঠানের দিনে শিশুটির নামকরণ করা হল যীশু, শিশুটি মাতৃগর্ভে আসার আগেই স্বর্গদূত তাঁর এই নাম দিয়েছিলেন।
22
মোশির বিধান অনুসারে শুচিকরণের দিন এলে মরিয়ম ও যোষেফ তাঁকে প্রভুর কাছে উৎসর্গ করার জন্য জেরুশালেমে নিয়ে গেলেন।
23
কারণ প্রভুর বিধানে লেখা আছে, প্রত্যেক প্রথমজাত পুত্রসন্তানকে প্রভুর উদ্দেশে উৎসর্গ করতে হবে এবং
24
সেই সঙ্গে বিধান অনুযায়ী ‘এক জোড়া ঘুঘু অথবা এক জোড়া কপোত শাবক’ বলিরূপে উৎসর্গ করার জন্য সেখানে নিয়ে গেলেন।
25
জেরুশালেমে সেই সময় এক ঈশ্বরভক্ত ও ধার্মিক ব্যক্তি ছিলেন, তাঁর নাম শিমিয়োন। পবিত্র আত্মা তাঁর উপরে অধিষ্ঠিত ছিলেন। ইসরায়েলের মুক্তির অপেক্ষায় দিন গুনতেন তিনি।
26
পবিত্র আত্মা তাঁকে জানিয়েছিলেন যে, প্রভুর অভিষিক্তকে না দেখা পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হবে না।
27
সেদিন তিনি পবিত্র আত্মা দ্বারা পরিচালিত হয়ে মন্দিরে এলেন। শিশু-যীশুর মা-বাবা যখন বিধানসম্মত অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার জন্য শিশুটিকে নিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করলেন, তখন
28
শিমিয়োন তাঁকে কোলে নিয়ে ঈশ্বরের স্তুতিগান করে বললেনঃ
29
প্রভু তোমার প্রতিশ্রুতিপূর্ণ করেছে তুমি। তোমার দাসকে এবার শান্তিতে বিদায় দাও।
30
আমার নয়ন যুগল দেখেছে তোমার পরিত্রাণ।
31
সমস্ত জাতির সমক্ষে যা তুমি করেছ সম্পাদন।
32
ইনিই সেই জ্যোতি —যিনি অন্যান্য জাতির কাছে ব্যক্ত করবেন তোমার সত্য। ইনিই তোমার প্রজা ইসরায়েলের গৌরব।
33
যীশুর সম্বন্ধে এই সমস্ত কথা শুনে তাঁর পিতামাতা আশ্চর্য হয়ে গেলেন।
34
শিমিয়োন তারপর তাঁদের আশীর্বাদ করে জননী মরিয়মকে বললেন, দেখ, এই শিশু হবে ইসরায়েল জাতির অনেকেরই উত্থান এবং পতনের কারণ। এ সেই ঈশ্বরদত্ত নিদর্শন যার বিরুদ্ধে সকলে মুখর হয়ে উঠবে,
35
ফলে অনেকের গোপন মনোভাব হবে উদ্ঘাটিত এবং তীব্র দুঃখের শাণিত খড়্গাগাতে তোমার হৃদয় হবে বিদ্ধ।
36
সেখানে হান্না নামে একজন মহিলা-নবী ছিলেন। তিনি আশের বংশের পনুয়েলের কন্যা। বয়স তাঁর অনেক হয়েছিল। বিবাহের সাত বৎসর পরে তিনি বিধবা হন এবং
37
তারপর থেকে চুরাশি বৎসর বয়স পর্যন্ত তিনি বৈধব্য জীবন যাপন করেছিলেন। মন্দির ছেড়ে তিনি কোথাও যেতেন না, উপবাস ও প্রার্থনা সহকারে দিনরাত্রি ঈশ্বরের আরাধনায় মগ্ন থাকতেন।
38
তিনিও ঠিক সেই সময়ে উপস্থিত হয়ে ঈশ্বরের স্তব করলেন এবং জেরুশালেমের মুক্তির প্রতীক্ষায় যারা ছিল তাদের সকলের কাছে শিশুটির কথা বলতে লাগলেন।
39
প্রভুর বিধান অনুসারে করণীয় সমস্ত অনুষ্ঠান শেষ হয়ে গেল, তাঁরা গালীলে নিজেদের বাড়ি নাসরতে ফিরে এলেন।
40
শিশু যীশু সেখানে বয়সে বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে সবল হতে লাগলেন এবং জ্ঞানেও পূর্ণ হয়ে উঠলেন। ঈশ্বরের অনুগ্রহ তাঁকে ঘিরে রইল।
41
প্রতি বৎসর তারণোৎসবের সময় যীশুর পিতামাতা জেরুশালেমে যেতেন।
42
তাঁর বয়স বারো বৎসর হলে প্রচলিত প্রথা অনুসারে তাঁরার জেরুশালেমে গেলেন।
43
পর্ব শেষ হয়ে গেলে যখন তাঁরা ফিরে আসছেন, যীশু তখন থেকে গেলেন মন্দিরের মধ্যে। এ কথা তাঁর পিতামাতা জানতেন না।
44
তাঁরা মনে করেছিলেন সহযাত্রীদের সঙ্গেই তিনি আছেন। কিন্তু একদিনের পথ অতিক্রম করার পর তাঁরা আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিত লোকদের মধ্যে যীশুর খোঁজ করতে লাগলেন।
45
তাদের মধ্যে যীশুর সন্ধান না পেযে আবার তাঁরা খুঁজতে খুঁজতে জেরুশালেমে ফিরে গেলেন।
46
তিন দিন পর তাঁরা তাঁকে মন্দিরের মধ্যে পেলেন, দেখলেন যীশু শাস্ত্রগুরুদের মাঝখানে বসে তাঁদের কথা শুনছেন ও তাঁদের প্রশ্ন করছেন।
47
যারা যীশুর কথা শুনছিল, তারা সকলে তাঁর কথা শুনে ও বুদ্ধির পরিচয় পেয়ে অবাক হয়ে গেল।
48
যীশুর পিতামাতা তাঁকে দেখতে পেয়ে হতবাক হয়ে গেলেন। তাঁর মা কাছে এসে বললেন, হ্যাঁ বাবা, কেন তুমি এ রকম কাজ করলে? দেখ তো, তোমার বাবা আর আমি ব্যাকুল হয়ে তেআমায় কত খুঁজে বেড়াচ্ছি।
49
তিনি তাঁদের বললেন, কেন তোমরা আমায় খুঁজছিলেন? তোমরা কি জানতে না যে, আমাকে অবশ্যই আমার পিতার গৃহেই থাকতে হবে?
50
তাঁর এ কথার অর্থ তাঁরা বুঝতে পারলেন না।
51
তারপর যীশু তাঁদের সঙ্গে নাসরতে ফিরে গেলেন এবং তাঁদের বাধ্য হয়ে চলতে লাগলেন। কিন্তু এই সব ঘটনা তাঁর মায়ের মনে গাঁথা রইল।
52
যীশু বয়সে ও জ্ঞানে দিন দিন বৃদ্ধি পেতে লাগলেন এবং সেই সঙ্গে ঈশ্বর ও মানুষের প্রীতির পাত্র হয়ে উঠলেন।
← Chapter 1
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 3 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24