bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Luke 7
Luke 7
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 6
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 8 →
1
জনতার উদ্দেশে উপদেশ শেষ হলে যীশু কফরনাউমে চলে গেলেন।
2
সেখানকার রোমীয় সেনানায়কের একজন ক্রীতদাস গুরুতর অসুস্থ হয়ে প্রায় মরণাপন্ন অবস্থায় পৌঁছেছিল।
3
এই ক্রীতদাসটি তাঁর প্রিয় পাত্র ছিল। তিনি যীশুর কথা শুনে ইহুদীদের কয়েকজন প্রবীণকে দিয়ে তাঁর কাছে বলে পাঠালেন যেন তিনি এসে তাঁর ক্রীতদাসকে সুস্থ করেন।
4
তাঁরা এসে যীশুকে একান্তভাবে অনুনয় করে বললেন, ইনি যোগ্য ব্যক্তি। এঁকে আপনার সাহায্য করা উচিত।
5
কারণ তিনি আমাদের জাতিকে ভালবাসেন এবং আমাদের জন্য তিনি সমাজভবন তৈরী করে দিয়েছেন।
6
তখন যীশু তাঁদের সঙ্গে গেলন। তিনি বাড়ির কাছাকাছি এসেছেন, এমন সময় সেই সেননায়ক তাঁর ব্ধুদের মারফৎ বলে পাঠালেন, মহাশয় আপনি এত কষ্ট করবেন না, আমার কুটীরে আপনাকে পাওয়ার যোগ্যতা আমার নেই।
7
আমি নিজেও আপনার কাছে যাওযার যোগ্য নই। আপনার মুখের কথাতেই আমার দাস সুস্থ হবে।
8
আমি কর্তৃপক্ষের অধীন ব্যক্তি। আমার নিজের অধীনেও অনেক সৈন্য আছে, আমার অধীন কাউকে যেতে বললে সে যায়, আসতে বললে সে আসে। আমার ক্রীতদাসকে কোন কাজ করতে বললে সে তা করে।
9
এ কথা শুনে যীশু খুব আশ্চর্য হলেন এবং তাঁর অনুসরণকারী জনতার দিকে ফিরে দাঁড়িয়ে বললেন, তোমাদের আমি বলছি, ইসরায়েলের মধ্যেও আমি এমন বিশ্বাস দেখিনি।
10
যাঁদের যীশুর কাছে পাঠানো হয়েছিল, তাঁরা বাড়িতে ফিরে গিয়ে দেখলেন, সেই ক্রীতদাস সুস্থ হয়ে গেছে।
11
এর পরে যীশু নায়িন গরের পথে চললেন। তাঁর পিছনে পিছনে চলল তাঁর শিষ্যদল ও বিরাট জনতা।
12
তাঁরা নগর দ্বারের কাছাকাছি গেছেন, এমন সময় দেখতে পেলেন একজন মৃত ব্যক্তিকে লোকেরা বাইরে বয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বিধবা মায়ের একমাত্র পুত্র ছিল সে। নগরের অনেক লোক ভিড় করে সেই শোকাতুরা জননীর সঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছিল।
13
তাকে দেখে প্রভুর অন্তর করুণায় বিগলিত হয়ে গেল। তিনি তাকে বললেন, কেঁদো না।
14
তারপর তিনি কাছে গিয়ে শবাধারটিকে স্পর্শ করলেন। শববাহকেরা থেমে দাঁড়াল। তখন যীশু বললেন, যুবক, আমার আদেশ, তুমি ওঠ।
15
সেই মৃত যুবকটি তখনই উঠে বসল এবং কথা বলতে লাগল। তখন তিনি তাকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিলেন।
16
এই দেখে সকল সসম্ভ্রমে ঈশ্বরের স্তুতি করতে লাগল আর বলল, আমাদের মধ্যে এক মহান নবীর আবির্ভাব হয়েছে। কেউ বা বলতে লাগল, ঈশ্বর তাঁর প্রজাদের উপর কৃপাদৃষ্টি করেছেন।
17
সমগ্র যিহুদীয়া ও আশেপাশের সমস্ত অঞ্চলে তাঁর এই কীর্তির কথা ছড়িয়ে পড়ল।
18
যোহনের শিষ্যেরা এই সমস্ত সংবাদ তাঁকে জানাল।
19
তখন যোহন দুজন শিষ্যের মারফৎ যীশুর কাছে বলে পাঠালেন, যাঁর আবির্ভাব হবে, আপনিই কি তিনি, না, আমরা অন্য কারও অপেক্ষায় থাকব?
20
সেই দুজন এসে যীশুকে বলল, বাপ্তিষ্মদাতা যোহন আপনার কাছে আমাদের পাঠিয়ে জানতে চেয়েছেন, যাঁর আবির্ভাব হবে, আপনিই কি তিনি, না, আমরা অন্য কারও অপেক্ষায় থাকব?
21
সেই সময় তিনি রোগগ্রস্ত অনেক ব্যক্তিকে আরোগ্য করলেন, অপদেবতার কবল থেকে মুক্ত করলেন অনেককে, অনেক অন্ধ দৃষ্টি ফিরে পেল।
22
তখন যীশু তাদের উত্তর দিলেন, তোমরা যা দেখলে ও যা শুনলে, তারই কথা যোহনকে গিয়ে বল, অন্ধ দৃষ্টি লাভ করেছে, খঞ্জ হেটে বেড়াচ্ছে, কুষ্ঠী শুচি হয়েছে শুচি-শুদ্ধ, বধির শুনতে পাচ্ছে, মৃত জীবন পেয়েছে এবং দীন-দরিদ্রের কাছে প্রচার করা হচ্ছে সুসমাচার।
23
ধন্য সেই, আমার সম্বন্ধে যার মনে কোন সংশয় জাগেনি।
24
যোহনের শিষ্যরা চলে গেলে যীশু যোহন সম্পর্কে জনতাকে বলতে লাগলেন, প্রান্তরে তোমরা কেন গিয়েছিলে? বাতাসে দোলায়মান কোন নলখাগড়া দেখতে?
25
অথবা মোলায়েম পোষাক পরা কোন লোককে দেখতে? শোন, যারা জমকালো পোষাক পরে ও ভোগবিলাসে জীবন কাটায়, তারা রাজপ্রাসাদেরই থাকে।
26
তবে কেন গিয়েছিল? কোন নবীকে দেখতে? বাস্তবিক, আমি তোমাদের বলছি, ইনি নবীর চেয়েও মহান।
27
ইনিই সেই ব্যক্তি যাঁর বিষয়ে শাস্ত্রে লেখা আছেঃ ‘দেখ, আমি তোমার আগে দূত প্রেরণ করছি। তিনি তোমার আগে গিয়ে তোমার পথ প্রস্তুত করবেন।’
28
শোন, নারীর গর্ভজাতদের মধ্যে যোহনের চেয়ে শ্রেয় কেউ নেই। তবুও ঈশ্বরের রাজ্যের ক্ষুদ্রতম ব্যক্তিও তাঁর চেয়ে মহান।
29
(যারা যোহনের কাছে বাপ্তিষ্ম গ্রহণ করেছিল, সেই সমস্ত লোক, এমন কি কর-আদায়কারীরাও তাঁর কথা সুনে ঈশ্বরের ধার্মিকতার বিধান পালন করল। কিন্তু ফরিশী ও শাস্ত্রজ্ঞরা তাঁর কাছে বাপ্তিষ্ম গ্রহণ না করে, তাদের জীবনে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যকে ব্যর্থ করল।)
31
তিনি বললেন, তাহলে এই যুগের লোকদের আমি কার সঙ্গে তুলনা করব? তারা কিসের মত?
32
এরা বাজারের মাঝখানে বসে থাকা ছোট ছেলেদের মত, যারা অন্যদের ডেকে বলে, ‘তোমাদের কাছে বাঁশী বাজালাম, তোমরা নাচলে না। তোমাদের কাছে আমরা শোকে হাহাকার করলাম, তোমরা কাঁদলে না।’
33
বাপ্তিষ্মদাতা যোহন এসে রুটি বা দ্রাক্ষারস কিছুই গ্রহণ করলেন না —তোমরা বললে, ‘তিনি অপদেবতাগ্রস্ত’।
34
মানবপুত্র এসে যখন পানভোজন সবই করছেন, তখন তোমরা বলছ, ঐ দেখ, একজন পেটুক আর মদ্যপ, কর-আদায়কারী ও পাপীদের বন্ধু।
35
তবুও ঈশ্বরের প্রজ্ঞাকে যারা গ্রহণ করে তাদের জীবনে এই প্রজ্ঞা সত্য বলে প্রতিভাত হয়।
36
একদিন একজন ফরিশী যীশুকে নিমন্ত্রণ করল। যীশু তার বাড়িতে গিয়ে আহারের জন্য আসন গ্রহণ করলেন।
37
সেই নগরে একজন পতিতা স্ত্রীলোক ছিল। সে জানতে পারল যে যীশু ঐ ফরিশীর বাড়িতে ভোজে বসেছেন। সে তখন শ্বেতপাথরের পাত্রে আতর নিয়ে এল।
38
তারপর তাঁর পিছন দিকে পায়ের কাছে দাঁড়িয়ে চোখের জলে তাঁর পা দুখানি ধুয়ে, মাথার চুল দিয়ে মুছে দিল। তারপর তাঁর পা দুখানি চুম্বন করে সেই আতর মাখিয়ে দিল।
39
যে ফরিশী যীশুকে নিমন্ত্রণ করেছিল, সে এই ব্যাপার দেখে ভাবতে লাগল যে, যদি এই ব্যক্তি সত্যিই একজন নবী হতেন, তাহলে নিশ্চয়ই বুঝতে পারতেন যে কি ধরণেরর স্ত্রীলোক তাঁকে স্পর্শ করছে। কারণ ও যে পতিতা।
40
যীশু তাকে বললেন, শিমোন, তোমাকে আমার কিছু বলার রাছে। সে বলল, বলুন, গুরুদেব! যীশু বললেন, এক মহাজনের দুজন খাতক ছিল।
41
তার কাছে একজনের পাঁচশো দীনার আর অন্য জনের পঞ্চাশ দীনার ঋণ ছিল।
42
তারা ঋণ শোধ করতে না পারায় তিনি দুজনেরই ঋণ মুকুব করে দিলেন। বলতো এদের মধ্যে কে তাঁকে বেশী ভালবাসবে?
43
শিমোন উত্তর দিল, আমার মনে হয় যার বেশী ঋণ মকুব হয়েছিল সেই-ই। তিনি বললেন, হ্যাঁ, যথার্থ বিচার করেছ।
44
তারপর যীশু সেই নারীর দিকে ফিরে শিমোনকে বললেন, এই নারীকে দেখতে পাচ্ছ? তোমার বাড়িতে এলাম, আমায় তুমি পা ধোবার জল দিলে না, কিন্তু এ চোখের জলে আমার পা ধুইয়ে দিয়ে চুল দিয়ে মুছিয়ে দিয়েছে।
45
তুমি আমাকে চুম্বন করলে না কিন্তু আমি আসার পর থেকে সে আমার পা চুম্বন করে চলেছে।
46
আমার মাথায় তুমি তেল দিয়ে অভিষেক করলে না, কিন্তু এ আমার পা আতরে অভিষিক্ত করেছে।
47
এইজন্য তোমায় বলছি যে এর পাপ অনেক কিন্তু তবুও এর সব পাপ ক্ষমা করা হয়েছে। এর ভালবাসা তাই গভীরতর। কিন্তু যে কম পাপ করে ক্ষমা লাভ করেছে, তার ভালবাসাও তাই কম।
48
তারপর তিনি সেই নারীকে বললেন, তোমার সমস্ত পাপ ক্ষমা করা হল।
49
যারা তাঁর সঙ্গে আহারে বসেছিল, একথা শুনে তারা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগল —এ কে যে পাপ পর্যন্ত ক্ষমা করে?
50
যীশু তখন সেই নারীকে বললেন, তোমার বিশ্বাসেই তুমি পরিত্রাণ পেয়েছ, শান্তিতে ফিরে যাও।
← Chapter 6
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 8 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24