bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Luke 13
Luke 13
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 12
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 14 →
1
সেই সময় উপস্থিত জনতার মধ্যে কেউ কেউ তাঁকে কয়েকজন গালীল নিবাসীরর কথা বলল। এরা যখন ঈশ্বরের কাছে নৈবেদ্য উৎসর্গ করছিল তখন পীলাত এদের হত্যা করেছিলেন।
2
যীশু তাদের উত্তর দিলেন, গালীলের এই লোকেরা এইবাবে নির্যাতিত হয়েছে বলে তোমরা কি মনে কর যে, এরা অন্যান্য গালীল নিবাসীদের চেয়ে বেশী পাপী?
3
আমি বলি, না। স্বভাব পরিবর্তন না করলে তোমরাও ওদের মতই ধ্বংস হবে।
4
অথবা শীলোয়ামের মিনার চাপা পড়ে যে আঠারো জন মারা গিয়েছিল, তোমরা কি মনে কর অন্যান্য জেরুশালেম নিবাসীদের চেয়ে তারা বেশী অপরাধী ছিল?
5
আমি বলি, না। স্বভাব পরিবর্তন না করলে তোমরাও ওদের মতই ধ্বংস হবে।
6
এরপর যীশু তাদের একটা উপাখ্যান বললেনঃ এক ব্যক্তি তাঁর আঙ্গুর ক্ষেতে একটা ডুমুরগাছ লাগিয়েছিলেন। একদিন তিনি ফলের আশায় সেই গাছের কাছে এসে একটিও ফল পেলেন না।
7
তখন তিনি ক্ষেতের মালিকে বললেন, আজ তিন বছর ধরে এই ডুমুর গাছে কোন ফল পাচ্ছি না। কেটে ফেল একে। কেন শুধু শুধু এটা জায়গা জুড়ে থাকবে?
8
মালি তখন বলল, কর্তা, এ বছরও এটাকে থাকতে দিন। আমি এর গোড়া খুঁড়ে সার দিয়ে দেখি।
9
আগামী বছর যদি ফল ধরে তো ভালই, নইলে এটাকে কেটে ফেলবেন।
10
কোন এক সাব্বাথ দিনে সমাজভবনে যীশু শিক্ষা দিচ্ছিলেন।
11
সেখানে একটি স্ত্রীলোক ছিল। এক অপদেবতার ভরে সে আঠেরো বছর পঙ্গু হয়ে ছিল। ফলে কুঁজো হয়ে পড়েছিল সে, সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারতো না।
12
যীশু তাকে দেখতে পেয়ে ডেকে বললেন, ভদ্রে, তোমার ব্যাধি থেকে তুমি মুক্ত হলে।
13
এই বলে, তিনি তার মাথায় হাত রাখলেন। সঙ্গে সঙ্গে সে সোজা হয়ে দাঁড়াল এবং ঈশ্বরের স্তব করতে লাগল।
14
কিন্তু সাব্বাথ দিনে যীশু সুস্থ করেছেন বলে সমাজভবনের অধ্যক্ষ খুব রেগে গিয়ে বললেন, সপ্তাহে আরও যে ছটি দিন আছে, সেই সমস্ত দিনে এ কাজ করা উচিত। ঐ দিনগুলিতে এসে সুস্থ হয়ো, সাব্বাথ দিনে নয়।
15
প্রভু তাকে বললেন, ভণ্ডের দল, তোমরা প্রত্যেকেই কি সাব্বাথ দিনে নিজেদের বলদ কিম্বা গাধাকে গোয়ালঘর থেকে খুলে জল খাওয়াতে নিয়ে যেও না?
16
এই স্ত্রীলোকটি, যাকে শয়তান আঠেরো বছর ধরে বন্দী করে রেখেছে, সে কি অব্রাহামের কন্যা নয়? সাব্বাথ দিনে কি একে মুক্ত করা উচিত নয়?
17
তাঁর এই কথায় তাঁর বিপক্ষ দলের লোকের লজ্জিত হল কিন্তু জনতা তাঁর অলৌকিক কাজের জন্য খুব আনন্দ প্রকাশ করল।
18
যীশু বললেন, ঈশ্বরের রাজ্য কিসের মত? কার সঙ্গে এর তুলনা দেব?
19
এ হল একটি সরিষা বীজের মত, একটি লোক একদিন সেটি তার বাগানে পুঁতল। সেটি তারপর বড় হয়ে একটি গাছে পরিণত হল। আর তখন আকাশের পাখিরা এসে তার ডালে বাসা বাঁধল।
20
আবার তিনি বললেন, ঈশ্বরের রাজ্যকে আমি কিসের সঙ্গে তুলনা করব?
21
এ হল খামিরের মত। একটি স্ত্রীলোক যা নিয়ে তিন মণ ময়দার মধ্যে রেখে দিল। তাতে সব ময়দাটাই খামিরে মেতে গেল।
22
বিভিন্ন গ্রাম ও নগরে শিক্ষা দিতে দিতে যীশু জেরুশালেমের দিকে যাচ্ছিলেন।
23
একজন তাঁকে জিজ্ঞাসা করল, প্রভু পরিত্রাণ প্রাপ্ত লোকের সংখ্যা বোধহয় অল্প, তাই না? তিনি
24
বললেন, সঙ্কীর্ণ দ্বার দিয়েই প্রবেশ করতে প্রাণপণে চেষ্টা কর। তোমাদের আমি বলে দিচ্ছি, অনেকেই প্রবেশ করতে চেষ্টা করবে কিন্তু পারবে না।
25
বাড়ির কর্তা দরজা বন্ধ করে দেওয়ার পর তোমরা বাইরে দাঁড়িয়ে দরজায় ঘা দিয়ে বলবে, ‘প্রভু দরজা খুলে দিন’ কিন্তু তিনি বলবেন, ‘তোমরা কোথা থেকে এসেছ, আমি জানি না।’
26
তোমরা তখন বলবে, ‘আপনার সামনে আমরা খাওয়া-দাওয়া করেছি, আমাদের পথে পথে আপনি শিক্ষা দিয়েছেন।’
27
কিন্তু তিনি বলবেন, ‘আমি বলছি, আমি জানি না তোমরা কোথা থেকে দূর হও।’
28
তোমরা দেখবে অব্রাহাম, ইস্হাক, যাকোব ও নবীরা সকলে ঈশ্বরের রাজ্যে রয়েছেন কিন্তু তোমরা বিতাড়িত হয়েছ, তখন তোমরা কাঁদবে ও হা-হুতাশ করবে।
29
পূর্ব ও পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ দিক থেকে লোকেরা ঈশ্বরের রাজ্যে এসে আসন গ্রহণ করবে। দেখ,
30
যারা পিছনে আছে তাদের মধ্যে কেউ কেউ প্রথম স্থান পাবে এবং যারা প্রথমে রয়েছে তাদের কারো কারো স্থান হবে সকলের শেষে।
31
ঠিক সেই সময়ে কয়েকজন ফরিশী এসে যীশুকে বললেন, আপনি এখান থেকে চলে যান, কারণ হেরোদ আপনাকে হত্যা করতে চায়।
32
তিনি তাদের বললেন, যাও, ঐ শেয়ালটাকে গিয়ে বল যে, আজ ও আগামী কাল আমি অপদেবতা দূর করছি ও রোগীদের সুস্থ করছি, তৃতীয় দিনে আমি আমার কাজ শেষ করব।
33
আমি চিরকাল আমার পথেই চলব কারণ জেরুশালেমের বাইরে কোন নবীর মৃত্যু হবে, এ হতেই পারে না।
34
জেরুশালেম, জেরুশালেম, তুমি নবীদের হত্যা করেছ, তোমার কাছে যাদের পাঠানো হয়েছিল, তাদের তুমি পাথর মেরেছ, পক্ষীমাতা যেমন তার ডানার তলায় বাচ্চাদের জড়ো করে রাখে তেমনি আমি কতবার তোমাদের একত্র করে রাখতে চেয়েছি, কিন্তু তোমরা থাকলে না।
35
দেখ, তোমাদের গৃহ পরিত্যক্ত হল। তোমাদের আমি বলে দিলাম, যতদিন না তোমরা বলবে, ‘যিনি প্রভুর নামে আসছেন ধন্য তিনি’, ততদিন তোমরা আমাকে আর দেখতে পাবে না।
← Chapter 12
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 14 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24