bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Luke 11
Luke 11
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 10
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 12 →
1
একদিন যীশু কোন একটি জায়গায় বসে প্রার্থনা করছিলেন। প্রার্থনা শেষ হলে তাঁর শিষ্যদের মধ্যে একজন তাঁকে বললেন, প্রভু, বাপ্তিষ্মদাতা যোহন যেমন তাঁর শিষ্যদের প্রার্থনা করতে শিখিয়েছেন তেমনি আপনিও আমাদের প্রার্থনা করতে শিখান।
2
তখন যীশু তাঁদের বললেন, যখন তোমরা প্রার্থনা করবে, বলোঃ পিতা, তোমার নাম পবিত্র বলে স্বীকৃত হোক। তোমার রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হোক।
3
আমাদের দৈনিক খাদ্য প্রতিদিন আমাদের দাও।
4
আমাদের সমস্ত পাপ ক্ষমা কর, যেমন আমরাও আমাদের কাছে যারা অপরাধী তাদের সকলের অপরাধ ক্ষমা করি। আমাদের প্রলুব্ধ হতে দিও না।’
5
তিনি তাদের বললেন, মনে কর, যদি কোন বন্ধুর কাছে তুমি মাঝরাতে গিয়ে বল, ‘বন্ধু, আমাকে তিনটে রুটি ধার দাও।
6
আমার একজন বন্ধু এক জায়গায় যাওযার পথে আমার কাছে এসেছে, কিন্তু তাকে খেতে দেবার মত আমার কিছুই নেই।’।
7
আর সে যদি ভিতর থেকে এই উত্তর দেয়, ‘আমাকে বিরক্ত করো না। দরজা এখন বন্ধ, ছেলেমেয়েরা আমার সঙ্গে ঘুমোচ্ছে, আমি এখন উঠে তোমাকে কিছু দিতে পারব না।’
8
তোমাদের আমি বলছি, বন্ধুত্বের খাতিরে সে তাকে কিছু না দিলেও তার কুকুত্তে উত্যক্ত হয়ে সে উঠে এসে তার যচা কিছু দরকার দেবেই।
9
তাই তোমাদের বলছি, চাও, তোমাদের দেওয়া হবে। সন্ধান কর পাবে, দ্বারে আঘাত কর, দ্বার খুলে দেওয়া হবে।
10
যে চায় সে পায় এবং যে সন্ধান করে, সে সন্ধান পায়। যে দ্বারে করাঘাত করে, তার জন্য দ্বার খুলে দেওয়া হয়।
11
তোমাদের মধ্যে এমন পিতা কে আছে যার কাছে তার পুত্র মাছ চাইলে সে তাকে মাছের বদলে সাপ দেবে
12
কিম্বা ডিম চাইলে বিছে দেবে?
13
তোমরা মন্দ লোক হয়েও যদি তোমাদের সন্তানদের ভাল জিনিস দিতে জান তাহলে স্বর্গের পিতার কাছে যারা চাইবে, তিনি তাদের নিশ্চয়ই আরও অনেক বেশী পরিমাণে পবিত্র আত্মা দান করবেন।
14
যীশু একটি লোকের মধ্যে থেকে একটি বোবা অপদেবতাকে দূর করে দিলেন। অপদেবতাটি বেরিয়ে গেলে সেই বোবা লোকটি কথা বলতে লাগল। এই ব্যাপার দেখে সমস্ত লোক খুব আশ্চর্য হয়ে গেল।
15
কিন্তু এদের মধ্যে কিছু লোক বলল, ইনি অপদেবতার রাজা বেলসবুলের সাহায্যে অপদেবতার দূর করেন।
16
অন্যেরা আবার তাঁর পরীক্ষা করবার জন্য তাঁর কাছ থেকে কোন অলৌকিক কাজ দেখতে চাইল।
17
যীশু তাদের মনোভাব বুঝতে পেরে বললেন, যদি কোন রাজ্যের লোক নিজেদের মধ্যে বিবাদ করে পৃথক হয়ে পড়এ তাহলে রাজ্যটি ধ্বংস হয়ে যায়। নিজেদের মধ্যে বিরোধে বিভক্ত পরিবারও ভেঙ্গে পড়ে।
18
ঠিক তেমনি, শয়তানের দলেও যদি বিরোধ দেখা দেয়, তাহলে তার রাজ্য টিকবে কেমন করে? তোমরা বলছ, আমি বেলসবুলের সাহায্যে অপদেবতা তাড়াচ্ছি।
19
কিন্তু আমি যদি বেলসবুলের সাহায্যে অপদেবতা তাড়াই তবে তোমাদের সন্তানেরা তাদের দূর করে কার সাহায্যে? সুতরাং তারাই তোমাদের এ কথার বিচার করবে।
20
কিন্তু আমি যদি ঈশ্বরের পরাক্রমে অপদেবতা দূর করে থাকি তাহলে বুঝতে হবে যে ঈশ্বরের রাজ্য তোমাদেরর মাঝে নেমে এসেছে।
21
যখন কোন শক্তিমান লোক সশস্ত্র হয়ে নিজের বাড়ি পাহারা দেয় তখন তার সম্পত্তি নিরাপদে থাকে।
22
কিন্তু যখন তার চেয়েও শক্তিমান আর একজন এসে তাকে আক্রমণ করে পরাজিত করে, তখন যে অস্ত্র-শস্ত্রে সেই গৃহস্বামী নির্ভর করত —সেগুলি সে কেড়ে নেয় এবং সব জিনিসপত্র লুঠ করে নেয়।
23
যে আমার পক্ষে নয়, সে আমার বিপক্ষে এবং যে আমার সঙ্গে কুড়ায় না সে ছড়ায়।
24
কোন অপদেবতা মানুষের মধ্যে থেকে বার হয়ে যাবার পর শুকনো জায়গায় বিশ্রামের জন্য শুষ্ক স্থানে আশ্রয় খুঁজে বেড়ায়। তারপর খুঁজে না পেলে বলে, ‘আমি যেখান থেকে এসেছি, আমার সেই আশ্রয়েই ফিরে যাব।’
25
ফিরে এসে সে যদি দেখে আশ্রয়স্থলটি পরিষ্কার ও সাজানো রয়েছে,
26
তখন সে গিয়ে তার চেয়েও দুষ্ট অন্য সাতজন অপদেবতাকে ডেকে আনে। তারা এসে সেখানে বাস করতে থাকে। ফলে এই ব্যক্তির শেষ দশা প্রথম দশার চেয়েও খারাপ হয়ে দাঁড়ায়।
27
যীশু কথা বলে চললেন, এমন সময় একজন মহিলা উচ্চকণ্ঠে তাঁকে বলল, ধন্য সেই গর্ভ যা আপনাকে ধারণ করেছিল এবং ধন্য সেই স্তন্য যা আপনি পান করেছিলেন।
28
কিন্তু যীশু বললেন, তার চেয়ে বরং যারা ঈশ্বরের বাক্য শোনে এবং পালন করে তারাই ধন্য।
29
ক্রমে ভিড় বাড়তে থাকলে যীশু বলতে আরম্ভ করলেন, এ যুগের লোকেরা মন্দ। এরা অলৌকিক ক্রিয়াকলাপ দেখতে চায় কিন্তু যোনার অভিজ্ঞান ছাড়া আর কোন অভিজ্ঞান এরা দেখতে পাবে না।
30
যোনা যেমন নীনবী নগরের লোকদের কাছে অভিজ্ঞান স্বরূপ হয়েছিলেন, মানবপুত্র তেমনি এ যুগের লোকদের কাছে অভিজ্ঞান স্বরূপ।
31
বিচারের দিন দক্ষিণ দেশের রাণী এ যুগের লোকদের সঙ্গে পুনরুত্থিত হয়ে এদের দোষী সাব্যস্ত করবেন। কারণ শলোমনের কাছে জ্ঞানের কথা শোনার জন্য পৃথিবীর প্রান্ত থেকে তিনি এসেছিলেন আর এখানে শলোমনের চেয়েও মহান একজন রয়েছেন।
32
নীনবীর লোকেরাও এই যুগের লোকদের সঙ্গে বিচারে দাঁড়িয়ে এদের দোষী সাব্যস্ত করবে। কারণ যোনার প্রচারের ফলে তারা হৃদয় পরিবর্তন করেছিল। আর এখানে যোনার চেয়েও মহান একজন রয়েছেন।
33
প্রদীপ জ্বেলে কেউ ভূগর্ভস্থ কক্ষে রাখে না বা পাত্রের নীচে ঢাকা দিয়েও রাখে না। কিন্তু বাতিদানের ওপরেই রাখে, যাতে যারা ভিতরে আসবে, তারা যেন সবাই আলো দেখতে পায়।
34
তোমার চোখই তোমার দেহের প্রদীপ। তোমার দৃষ্টি যদি সরল হয়, তাহলে সারা দেহ উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। কিন্তু দৃষ্টি যদি মন্দ হয়, তাহলে তোমার সারা দেহ অন্ধকারে ছেয়ে যাবে।
35
সুতরাং সাবধান থেক, যেন তোমার অন্তরের আলো আঁধারে ঢেকে না যায়।
36
তাই, যদি তোমার দেহ আলোকময় হয়, কোন অংশেই অন্ধকার না থাকে, তাহলে দীপের আলো যেমন সব কিছু আলোকিত করে তোলে, তেমনি তোমার দেহও সম্পূর্ণ উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
37
যীশু কথা বলছেন, এমন সময় একজন ফরিশী তাঁকে তার সঙ্গে আহারে আমন্ত্রণ জানাল। তিনি তখন তার ঘরে গিয়ে তার সঙ্গে খেতে বসলেন।
38
খাওয়ার আগে তিনি হাত-পা ধুলেন না দেখে সেই ফরিশী খুব আশ্চর্য হয়ে গেল।
39
তখন প্রভু তাকে বললেন, তোমরা ফরিশীরা বাসনপত্রের বাইরের দিকটাই শুধু পরিষ্কার করে থাক কিন্তু তোমাদের অন্তর দৌরাত্ম্য ও দুষ্টতায় পূর্ণ।
40
ওরে মূর্খ! যিনি বাইরের দিকটা তৈরী করেছেন তিনি কি ভেতরের দিকটাও তৈরী করেননি?
41
বরং ভেতরে যা আছে, ভিক্ষারূপে তা দান কর, দেখবে তাতে তোমার সব কিছুই শুচি হয়ে গেছে।
42
হায় ফরিশীরা, দুর্ভাগ্য তোমাদের! তোমরা পদিনা, তেজপাতা ও সবরকম শাকের দশমাংশ দিয়ে থাক কিন্তু ন্যায়বিচার ও ঈশ্বর-ভক্তি অবহেলা কর। এইগুলি হেলা না করেও তোমরা অন্য কর্তব্যগুলি পালন করতে পারতে।
43
দুর্ভাগ্য তোমাদের, তোমরা সমাজভবনের সবচেয়ে ভাল আসনটি পেতে ও হাটে-বাজারে লোকদের অভিবাদন পেতে ভালবাস।
44
দুর্ভাগ্য তোমাদের, যে তোমরা অদৃশ্য কবরের মত, লোক না জেনে যার ওপর দিয়ে চলাফেরা করে।
45
একজন শাস্ত্রগুরু তখন তাঁকে বলল, গুরুদেব, এ কথা বলে আপনি আমাদেরও অপমান করেছেন।
46
তখন যীশু তাকে বললেন, শাস্ত্রজ্ঞের জল, তোমরাও হতভাগ্য, তোমরা মানুষের উপর দুর্বল বোঝা চাপিয়ে দাও, কিন্তু নিজেরা একটি আঙ্গুল দিয়েও তা স্পর্শ কর না।
47
দুর্ভাগ্য তোমাদের, তোমাদের পিতৃপুরুষেরা যে নবীদের হত্যা করেছিল, তোমরা তাঁদেরই স্মৃতিস্তম্ভ রচনা কর।
48
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, তোমরাই তোমাদের পূর্বপুরুষদের অপকর্মের সাক্ষী এবং তোমরা সে কথা স্বীকারও করছ। কারণ তারা তাঁদের করেছিল হত্যা, আর তোমরা গাঁথছ তাঁদের স্মৃতিস্তম্ভ।
49
এই জন্য ঈশ্বর তাঁর প্রজ্ঞা দ্বারা ব্যক্ত করেছেন, আমি তাদের কাছে নবী ও প্রেরিত পুরুষদের পাঠাব। এঁদের মধ্যে কাউকে তারা করবে হত্যা, কাউকে করবে নির্যাতন।
50
এইজন্য জগতের পত্তন থেকে নবীদের যত রক্ত পাতিত হয়েছে, হেবল থেকে আরম্ভ করে যজ্ঞবেদী ও মন্দিরের মাঝখানে নিহত সখরিয়ের রক্ত পর্যন্ত —সব রক্তের শোধ এই যুগের লোকদের দিতে হবে। হ্যাঁ, এই যুগের লোকদের কাছেই তা আদায় করা হবে।
52
ধিক তোমাদের, শাস্ত্রগুরুরা! জ্ঞান রাজ্যের চাবি তোমরা কেড়ে নিয়েছ। তোমরা নিজেরা সেখানে প্রবেশ করনি আর যারা প্রবেশ করতে চেয়েছিল, তাদেরও বাধা দিয়েছ।
53
যীশু সেখান থেকে চলে গেলে শাস্ত্রগুরু ও ফরিশীরা তাঁকে খুব পীড়াপীড়ি করতে লাগল এবং অনেক বিষয়ে তারা তাঁকে কথা বলানোর চেষ্টা করতে লাগল।
54
আর তাঁর কথার দোষ ধরার জন্য ওৎ পেতে রইল।
← Chapter 10
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 12 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24