bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Luke 18
Luke 18
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 17
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 19 →
1
যীশু তখন তাঁদের শিক্ষা দেবার জন্য এই উপাখ্যানটি বললেন যেন তাঁরার নিরুৎসাহ না হয়ে সব সময় প্রার্থনা করে।
2
তিনি বললেন, কোন নগরে একজন বিচারক ছিলেন, তিনি ঈশ্বরকেও ভয় করতেন না, মানুষকেও গ্রাহ্য করতেন না।
3
সেই নগরেই একজন বিধবা স্ত্রীলোক ছিল। সে বার বার তাঁর কাছে এসে আবেদন জানাত, ‘আমার প্রতিবাদীর বিরুদ্ধে আমার অভিযোগের সুবিচার করুন।’
4
কিছুদিন তিনি তাকে ফিরিয়ে দিলেন কিন্তু শেষে ভাবলেন, ‘যদিও ঈশ্বরকে আমি ভয় করি না, মানুষকেও গ্রাহ্য করি না।
5
কিন্তু এই বিধবা আমাকে ভীষণ জ্বালাতন করছে। কাজেই আমাকে তার সুবিচারের ব্যবস্থা করতে হবে, নইলে বার বার সে এসে আমাকে বিরক্ত করবে।’
6
প্রভু বললেন, ঐ বিচারক কি বলেন শোন।
7
তাহলে যারা ঈশ্বরের মনোনীত লোক, যারা দিনরাত তাঁর কাচে কাতর আবেদন জানাচ্ছে, তাদের বিষয়ে কি তিনি সুবিচার করবেন না? তিনি কি এই ব্যাপারে দেরী করবেন?
8
তোমাদের আমি বলছি, অতি শীঘ্রই তিনি তাদের সুবিচারের ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু মানবপুত্র যখন আসবেন, তখন কি তিনি পৃথিবীতে এই বিশ্বাসে খুঁজে পাবেন?
9
যারা নিজেদের ধার্মিক বলে বিশ্বাস করত এবং অন্যদের তুচ্ছ জ্ঞান করত, তাদের উদ্দেশ্যে যীশু আর একটি উপাখ্যান বললেন,
10
দুজন লোক মন্দিরে গেল প্রার্থনা করতে। একজন ফরিশী ও অন্যজন কর-আদায়কারী।
11
সেই ফরিশী দাঁড়িয়ে এইভাবে প্রার্থনা করতে লাগল, ‘হে ঈশ্বর, তোমায় আমি কৃতজ্ঞতা জানাই যে, আমি অত্যাচারী, অসাধু লোকদের মত ব্যভিচারী কিম্বা ঐ কর-আদায়কারীর মত নই।
12
আমি সপ্তাহে দুবার উপবাস করি, আমার সমস্ত আয়ের দশমাংশ আমি দান করি।’
13
কিন্তু সেই কর-আদায়কারী আকাশের দিকে তাকাতে পর্যন্ত পারল না। দূরে দাঁড়িয়ে বুক চাপড়ে বলতে লাগল, ‘হে ঈশ্বর, এই পাপীকে দয়া কর।’
14
তোমাদের আমি বলছি, ঐ ফরিশীর চেয়ে বরং এই ব্যক্তিই ধার্মিক প্রতিপন্ন হয়ে নিজের ঘরে ফিরে গেল। যে নিজের গৌরব করে, তাকে নত করা হবে কিন্তু যে নিজেকে নত করে, সে গৌরবান্বিত হবে।
15
জনতা শিশুদেরও তাঁর কাছে নিয়ে আসতে লাগল, যেন তিনি তাদের স্পর্শ করেন। শিষ্যেরা এই দেখে তাদের তিরস্কার করতে লাগলেন।
16
কিন্তু যীশু তাদের ডেকে বললেন, শিশুদের আমার কাছে আসতে দাও, বারণ করো না ওদের। ঈশ্বরের রাজ্য এদের মত লোকদের জন্যই।
17
তোমাদের আমি সত্যিই বলছি, শিশুর মত হয়ে যে ঈশ্বরের রাজ্য গ্রহণ না করে, সে সেখানে কখনও প্রবেশ করতে পারবে না।
18
একজন ইহুদী সমাজপতি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, সদ্গুরু, কি করলে আমি শাশ্বত জীবনের অধিকারী হব?
19
যীশু তাঁকে বললেন, তুমি আমাকে সৎ বলছ কেন? একমাত্র ঈশ্বর ছাড়া সৎ আর কেউ নেই।
20
ঈশ্বরের আজ্ঞাগুলি তুমি জানঃ ব্যভিচার করো না, নরহত্যা করো না, চুরি করো না, মিথ্যা সাক্ষ্য দিও না, পিতামাতাকে সম্মান কর।’
21
তিনি বললেন, এ সব আজ্ঞা তো আমি ছোটবেলা থেকেই পালন করে আসছি।
22
এ কথা শুনে যীশু তাঁকে বললেন, এখনও তোমার একটি জিনিসের অভাব রয়েছে। তোমার যা কিছু আছে, সমস্ত বিক্রী করে গরীবদের বিলিয়ে দাও, তাহলে স্বর্গে তোমার ধন সঞ্চিত হবে। তারপর এস, আমার অনুসরণ কর।
23
এ কথা শুনে সে খুব দুঃখিত হল, কারণ সে ছিল বিরাট ধনী ব্যক্তি।
24
যীশুর তার দিকে চেয়ে বললেন, ধনীদের পক্ষে ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করা কত কঠিন!
25
একজন ধনী ব্যক্তির ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করার চেয়ে বরং সূচের ছিদ্র পথে একটি উটের পেরিয়ে যাওয়া সহজ।
26
যারা এ কথা শুনল তারা জিজ্ঞাসা করল, তাহলে পরিত্রাণ কে পাবে?
27
তিনি বললেন, মানুষের পক্ষে যা অসম্ভব, ঈশ্বরের পক্ষে তা সম্ভব।
28
পিতর তাঁকে বললেন, দেখুন, আমরা আমাদের ঘর-বাড়ি ছেড়ে আপনার অনুসরণ করছি।
29
যীশু তাঁদের বললেন, আমি তোমাদের সত্যিই বলছি, ঈশ্বরের রাজ্যের জন্য যারা ঘর-বাড়ি, স্ত্রী-পুত্র, মা-বাবা, ভাইকে ত্যাগ করেছে,
30
তারা সকলেই ইহজীবনে তার বহুগুণ এবং আগামী যুগে অনন্ত জীবন লাভ করবে।
31
যীশু তাঁর বারোজন শিষ্যকে একান্তে নিয়ে গিয়ে তাঁদের বললেন, দেখ, এখন আমরা জেরুশালেমে যাচ্ছি, মানবপুত্রের সম্বন্ধে নবীরা যা কিছু লিখে গেছেন, সেই সমস্তই এবার পূর্ণ হবে।
32
অ-ইহুদীদের হাতে তাঁকে সমর্পণ করা হবে। তারা তাঁকে বিদ্রূপ করবে, গায়ে থুতু দেবে,
33
কশাঘাত করবে, তারপর তাঁকে হত্যা করবে। তৃতীয় দিনে তিনি পুনরুজ্জীবিত হবেন।
34
তাঁরা কিন্তু এসব কথার অর্থ বুঝতে পারলেন না। তাঁর এই কথা তাঁদের কাছে রহস্যাবৃত হয়ে রইল, যে কথা বলা হল কেউ তা হৃদয়ঙ্গম করতে পারলেন না।
35
তিনি যখন যেরিকো নগরের কাছাকাছি এসেছেন, এক অন্ধ ভিখারী তখন পথের ধারে বসে ভিক্ষা করছিল।
36
জনতার চলার শব্দ শুনে সে কি ব্যাপার জানতে চাইল।
37
লোকে তাকে বলল, নাসরতের যীশু আসছেন।
38
তখন সে চীৎকার করে বলে উঠল, হে যীশু, দাউদ-সন্তান, আমার প্রতি দয়া করুন।
39
সামনে যারা ছিল, তারা তাকে ধমক দিয়ে চুপ করতে বলল, কিন্তু সে আরও জোরে চেঁচিয়ে বলতে লাগল, হে দাউদ-সন্তচান, আমার প্রতি দয়া করুন।
40
যীশু সেখানে থেমে দাঁড়ালেন, আদেশ দিলেন তাকে তাঁর কাছে আনতে। সে কাছে এলে তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন,
41
তুমি কি চাও? তোমার জনে আমি কি করব? সে বলল, প্রভু আমি যেন দেখতে পাই।
42
যীশু তাকে বললেন, দৃষ্টিলাভ কর, তোমার বিশ্বাস তোমাকে সুস্থ করল।
43
সঙ্গে সঙ্গে সে দৃষ্টিলাভ করল এবং ঈশ্বরের মহিমা কীর্তন করতে করতে তাঁর পিছন পিছন চলল। এই দেখে সমস্ত লোক ঈশ্বরের স্তুতি করতে লাগল।
← Chapter 17
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 19 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24