bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Luke 23
Luke 23
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 22
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 24 →
1
তারপর সকলে দল বেঁধে যীশুকে পীলাতের কাছে নিয়ে গেল।
2
তারা তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলতে লাগল, আমরা দেখেছি, এই লোকটা সমস্ত জাতিকে বিপথে নিয়ে যাচ্ছে, সীজারকে কর দিতে বারণ করছে। সে নিজেকে মশীহ —রাজা বলে দাবী করছে।
3
পীলাত তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কি ইহুদীদের রাজা? যীশু উত্তর দিলেন, সে কথা আপনিই বলছেন।
4
তখন পীলাত পুরোহিতদেরর নেতৃবৃন্দ ও জনতাকে বললেন, আমি এই ব্যক্তির কোন অপরাধ খুঁজে পাচ্ছি না।
5
কিন্তু তারা আরও জোর করে বলল, এই লোকটা শিক্ষা দিয়ে সবাইকে উত্তেজিত করে তুলছে।
6
পীলাত এই কথা শুনে জানতে চাইলেন যে এই লোকটি গালীল দেশের লোক কি না?
7
যখন তিনি জানতে পারলেন যে যীশু হেরোদের শাসনের এলাকাভুক্ত, তকন তিনি তাঁকে হেরোদের কাছে পাঠিয়ে দিলেন। এই সময় হেরোদ জেরুশালেমে ছিলেন।
8
যীশুকে দেখে হেরোদ খুব খুশি হলেন কারণ বহুদিন ধরে তিনি তাঁকে দেখতে চেয়েছিলেন। তিনি যীশুর কথা শুনেছিলেন এবং যীশুর অলৌকিক কাজ দেখার খুব ইচ্ছা ছিল তাঁর।
9
তাই হেরোদ তাঁকে অনেক কথা জিজ্ঞাসা করলেন। কিন্তু যীশু কোন কথার উত্তর দিলেন না।
10
পুরোহিতদের নেতৃবৃন্দ ও শাস্ত্রবিদেরা সেখানে দাঁড়িয়ে তীব্রভাবে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে লাগলেন।
11
হেরোদ এবং তাঁর সৈনিকেরা তাঁকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে বিদ্রূপ করলেন। তারপর তাঁকে জমকালো পোষাক পরিয়ে পীলাতের কাছে ফেরৎ পাঠিয়ে দিলেন।
12
এই উপলক্ষে সেদিন হেরোদ ও পীলাতের মধ্যে বন্ধুত্ব স্থাপিত হল। এর আগে তাঁদের মধ্যে শত্রুতা ছিল।
13
পীলাত তখন পুরোহিতদের নেতৃবৃন্দকে, সমাজপতিদের ও জনতার সকলকে এক সঙ্গে ডেকে বললেন,
14
প্রজাদের বিভ্রান্ত করছে —এই অভিযোগে এই লোকটিকে তোমরা আমার কাছে এনেছ। তোমাদের সামনেই আমি একে জেরা করলাম। কিন্তু দেখ, এর সম্বন্ধে তোমরা যে সব অভিযোগ করছ, তার একটিতেও আমি একে দোষী সাব্যস্ত করতে পারলাম না।
15
হেরোদও এর কোন দোষ পাননি, তাই একে ফেরৎ পাঠিয়েছেন। দেখ, মৃত্যুদণ্ডের যোগ্য কোন দোষই এ করেনি।
16
সুতরাং আমি একে কিছু শাস্তি দিয়ে ছেড়ে দেব।
17
প্রতি বৎসর জাতীয় মুক্তি উৎসবের সময় তিনি তাদের জন্য একজন বন্দীকে মুক্তি দিতেন।
18
কিন্তু তারা সকলে সমস্বরে চীৎকার করে বলতে লাগল, ওকে খতম কর, আমাদের জন্য বারাব্বাকে ছেড়ে দাও।
19
নগরে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও নরহত্যা করার জন্য এই লোকটিকে কারারুদ্ধ করা হয়েছিল।
20
যীশুকে মুক্তি দেবার কথা পীলাত আবার তাদের বলরলেন,
21
কিন্তু তারা চীৎকার করে বলল, ক্রুশে দাও! ওকে ক্রুশে দাও।
22
তৃতীয়বার তিনি বললেন, কেন, কি অপরাধ এ করেছে? আমি তো মৃত্যুদণ্ডের যোগ্য কোন অপরাধই এর পাচ্ছি না। আমি বরং একে কিছু শাস্তি দিয়ে ছেড়ে দেব।
23
কিন্তু তারা জিদ ধরে রইল। চীৎকার করে দাবি জানাতে লাগল যেন তাঁকে ক্রুশে দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত তারা চীৎকার করেই জিতে গেল।
24
পীলাত তখন তাদের দাবির স্বপক্ষে রায় দিলেন।
25
যে লোকটিকে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও হত্যা-অপরাধের জন্য কারাগারে রাখা হয়েছিল, যার মুক্তি তারা চেয়েছিল, তাকেই তিনি মুক্ত করে দিলেন এবং যীশুকে তাদের ইচ্ছানুযায়ী তাদেরই হাতে তুলে দিলেন।
26
যীশুকে যখন তারা নিয়ে যাচ্ছিল, সেই সময় কুরিন-নিবাসী শিমোন নামে একটি লোক গ্রাম থেকে শহরে আসছিল। তারা তাকে জোর করে ধরে আসছিল। তারা তাকে জোর করে ধরে আনল এবং যীশুর পিছনে পিছনে বয়ে নিয়ে যাবার জন্য ক্রুশটা তার কাঁধে চাপিয়ে দিল।
27
নারী-পুরুষের বিরাট এক জনতা বিলাপ করতে করতে যীশুর পিছন পিছন যাচ্ছিল।
28
তিনি তাদের দিকে ফিরে বললেন, ওগো জেরুশালেমের মেয়েরা, আমার জন্য কেঁদো না, বরং তোমাদের নিজেদের জন্য এবং তোমাদের সন্তানদের জন্য কাঁদ।
29
কারণ দেখ, এমন দিন আসছে, যেদিন লোকে বলবে, ধন্য সেই বন্ধ্যা নারীরা, যারা কোনদিন গর্ভে সন্তান ধারণ করেনি, যারা কোনদিন স্তন্য দান করেনি।
30
তারা তখন পর্বতগুলিকে বলবে, ‘আমাদের উপর এসে পড়’, পাহাড়গুলিকে বলবে, ‘ঢেকে ফেল আমাদের।’
31
গাছ সজীব থাকতে থাকতেই যদি তারা এমন করে, তাহলে তা শুকিয়ে গেলে কি অবস্থা হবে?
32
আরও দুজন অপরাধীকে তাঁর সঙ্গে মৃত্যুদণ্ড দেওয়অর জন্য সেখানে নিয়ে যাওয়া হল।
33
করোটি* নামক স্থানে এসে তারা তাঁকে ক্রুশে বিদ্ধ করল এবং সেই অপরাধীদের একজনকে তাঁর ডান দিকে আর একজনকে তাঁর বাঁ দিকে ক্রুশে বিদ্ধ করল।
34
তখন যীশু বললেন, পিতা ক্ষমা কর এদের, কারণ এরা কি করছে, তা জানে না। তারা তাঁর পোষাক ভাগ করে নেওয়ার জন্য পাশার দান ফেলল।
35
জনতা আশে পাশে দাঁড়িয়ে সব দেখল। সমাজপতিরা তাঁকে উপহাস করে বললেন, এই লোকটা অন্যদেরর বাঁচিয়েছে, সে যদি ঈশ্বরের সেই খ্রীষ্ট, সেই মনোনীত ব্যক্তি হয় তাহলেল এবার নিজেকে বাঁচাক।
36
সৈনিকেরাও তাঁকে উপহাস করতে লাগল।
37
কাছে এসে তাঁকে শির্কা দিয়ে বলল, তুমি যদি ইহুদীদের রাজা হও, তবে নিজেকে বাঁচাও।
38
তাঁর মাথার উপরে এই অভিযোগ লিপিও টাঙ্গিয়ে দেওয়া হলঃ ‘ইনি ইহুদীদের রাজা’।
39
ক্রুশবিদ্ধ অপরাধীদের একজন তাঁকে উপহাস করে বলল, তুমিই না খ্রীষ্ট? তাহলে নিজেকে এবং আমাদেরও উদ্ধার কর।
40
কিন্তু অন্য জন তাকে ধমক দিয়ে বলল, তুমি কি ঈশ্বরকে ভয় কর না? তুমি ওঁরই মত একই দণ্ড ভোগ করছ।
41
আমাদের দণ্ড তো ন্যায্যই হয়েছে, আমরা আমাদের কাজের উপযুক্ত প্রতিফল পাচ্ছি কিন্তু ইনি তো কোন অপরাধ করেননি।
42
তারপর সে বলল, যীশু, আপনি যখন আপনার রাজকীয় ক্ষমতায় আসবেন, তখন স্মরণ করবেন আমাকে।
43
যীশু তাকে বললেন, সত্যিই আমি তোমাকে বলছি, আজই তুমি আমার সঙ্গে স্বর্গলোকে যাবে।
44
তখন প্রায় বেলা বারোটা, সেই সময় থেকে বেলা তিনটে পর্যন্ত সারা দেশ অন্ধকারে ছেয়ে গেল, সূর্যের আলো নিভে গেল এবং মন্দিরের মহাপবিত্র স্থানের পর্দা দুভাগ হয়ে ছিঁড়ে গেল।
46
তখন যীশু উচ্চকণ্ঠে চীৎকার করে বললেন, পিতা, তোমার হাতে আমার আত্মা সমর্পণ করি। —এই কথা বলে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন।
47
এই ঘটনা দেখে সেনাপতি ঈশ্বরের স্তুতি করে বললেন, সত্যিই ইনি ধার্মিক ছিলেন।
48
ঘটনাস্থলে যারা উপস্থিত ছিল, তারা এই সমস্ত ঘটনা দেখে বুকে করাঘাত করতে করতে বাড়ি ফিরে গেল।
49
যীশুর পরিচিত লোকেরা এবং যে সমস্ত মহিলা গালীল থেকে তাঁর সঙ্গে এসেছিলেন, তাঁরা দূরে দাঁড়িয়ে সমস্ত ঘটনা শেষ পর্যন্ত দেখলেন।
50
ইহুদীদের ধর্মসভায় একজন সৎ ও ধার্মিক সদস্য ছিলেন। তাঁর নাম যোষেফ। তিনি ছিলেন ইহুদী-প্রধান শহর আরিমাথিয়ার অধিবাসী।
51
তিনি ইহুদী ধর্মসভার নীতি ও সিদ্ধান্ত সমর্থন করেননি। তিনি ঐশরাজ্য প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশায় ছিলেন।
52
পীলাতের কাছে গিয়ে তিনি যীশুর মৃতদেহটি চেয়ে নিলেন।
53
তারপর সেটিকে নামিয়ে রেশমী কাপড়ে জড়িয়ে পাহাড়ের গায়ে খোদাই করা একটি সমাধির মধ্যে তাঁকে রেখে দিলেন। এখানে এর আগে কাউকে রাখা হয়নি।
54
সেদিন ছিল শুক্রবার, সাব্বাথ দিন পালনের প্রস্তুতির দিন। সাব্বাথ শুরু হতে তখন আর বেসী দেরী ছিল না।
55
গালীল থেকে যে মহিলারা যীশুর সঙ্গে এসেছিলেন তাঁরা এসে তাঁর সমাধিস্থানটি এবং কিভাবে তাঁর দেহটি রাখা হল, সব দেখলেন।
56
তারপর তাঁরা ফিরে গিয়ে সুগন্ধি মশলা আর তেল তৈরী করলেন। সাব্বাথ দিনের বিধান অনুযায়ী তাঁরা কর্মবিরতি পালন করলেন।
← Chapter 22
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 24 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24