bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Luke 19
Luke 19
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 18
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 20 →
1
যীশু যেরিকো নগরের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন।
2
ঐ নগরে সক্কেয় নামে একজন ধনী ব্যক্তি ছিল, সে ছিল প্রধান কর-আদায়কারী।
3
সে দেখবার চেষ্টা করছিল, কে এই যীশু। কিন্তু সে ছিল অত্যন্ত খর্বকায় তাই ভীড়ের জন্য সে তাঁকে দেখতে পেল না।
4
তখন সে দৌড়ে গিয়ে যে পথ দিযে যীশু যাবেন সেই পথের পাশে একটি জুমুর গাছে উঠে বসল।
5
যীশু সেখানে এসে উপরের দিকে চেযে তাকে বললেন, সক্কেয়, শিগ্গির নেমে এস। আজ যে আমাকে তোমার বাড়িতেই থাকতে হবে।
6
সক্কেয় তাড়াতাড়ি নিচে নেমে এসে সানন্দে তাঁকে স্বাগত জানাল।
7
এই ব্যাপার দেখে সকলে অসন্তুষ্ট হয়ে কানাঘুষো করতে লাগল, ইনি কেন পাপীর গৃহে অতিথি হলেন?
8
সক্কেয় উঠে দাঁড়িয়ে প্রভুকে বললেন, প্রভু দেখুন, আমি আমার উপার্জনের অর্ধেক গরীবদের বিলিয়ে দিই এবং যদি অন্যায় করে কারও কিছু নিয়ে থাকি, তবে তার চারগুণ পিরিয়ে দিই।
9
যীশু তাকে বললেন, এই পরিবারটি আজ পরিত্রাণ লাভ করল, এই ব্যক্তিই অব্রাহামের প্রকৃত সন্তান।
10
যারা হারিয়ে গেছে, মানবপুত্র তাদের সন্ধান ও উদ্ধার কররার জন্য এসেছেন।
11
জনতা তাঁর এই সমস্ত কথা শুনছিল। তিনি তাদের কাছে আর একটি উপাখ্যান বলতে আরম্ভ করলেন। তিনি জেরুশালেমের কাছাকাছি এসে পড়েছিলেন তাই জনতা মনে করেছিল, অবিলম্বেই ঈশ্বরের রাজ্যের আবির্ভাব ঘটবে।
12
সেইজন্য যীশু বললেন, একজন অভিজাত ব্যক্তি রাজকীয় সনদ আনার জন্য দূরবর্তী কোন এক দেশে যাওয়ার উদ্যোগ করলেন।
13
যাবার সময় তাঁর দশজন ভৃত্যকে ডেকে, দশটি স্বর্ণ মুদ্রা দিয়ে বললেন, ‘যতদিন না আমি ফিরে আসি, এই অর্থ দিয়ে ব্যবসা কর।’
14
তাঁর নগরের অধিবাসীরা কিন্তু তাঁকে বিদ্বেষ করত। তাই তারা তাঁর পিছন পিছন লোক, মারফৎ রাজার কাছে বলে পাঠাল, ‘এই লোকটি আমাদের উপর কর্তৃত্ব করুক, এ আমরা চাই না।’
15
রাজার কাছ থেকে সনদ নিয়ে ফিরে আসার পর তিনি যে সব ভৃত্যদের অর্থ দিয়ে গিয়েছিলেন, তাদের ডেকে পাঠালেন। জানতে চাইলেন ব্যবসাতে তারা কে কতটা লাভ করেছে।
16
প্রথমজন এসে বলল, ‘আজ্ঞে, আপনার অর্থ দিয়ে আরও দশ মুদ্রা লাভ হয়েছে।’
17
তিনি তাকে বললেন, ‘বেশ করেছ, তুমি ভাল কর্মচারী। নিতান্ত সামান্য বিষয়ে তুমি বিশ্বস্ত হয়েছ, এইজন্য দশটি তালুকের ভার তোমায় দিলাম।’
18
দ্বিতীয়জন এসে বলল, ‘আজ্ঞে, আপনার অর্থ দিয়ে আরও পাঁচটি মুদ্রা লাভ করেছি।’
19
তাকেও তিনি বললেন, ‘তোমাকেও পাঁচটি তালুকের ভার দিলাম।’
20
তারপর আর একজন এসে বলল, ‘আজ্ঞে, এই নিন আপনার স্বর্ণ মুদ্রা। এটা আমি রুমালে বেঁধে তুলে রেখে দিয়েছিলাম।
21
কারণ আপনি খুব কড়া লোক, তাই আপনাকে ভয় করি। যা আপনি রাখেননি, তাই নিয়ে থাকেন এবং যেখানে আপনি বোনেননি, তাই নিয়ে থাকেন এবং যেখানে আপনি বোনেননি, সেখানেও আপনি কাটেন।’
22
তিনি তাকে বললেন, ‘ওরে দুষ্ট কর্মচারী। তোর কথাতেই আমি তোকে দোষী করব। আমি কড়া লোক! যা রাখি না তাই তুলে নিই আর যা বুনি না, তাই কাটি —এ কথা তুই জানতিস?
23
তাহলে সেই মুদ্রা মহাজনের কাছে রেখে দিলি না কেন, তাহলে আমি এসে আমার অর্থ সুদ সমেত ফেরত পেতাম?’
24
পাশে যারা দাঁড়িয়েছিল, তাদের তিনি বললেন, ‘এর কাছ থেকে মুদ্রাটি কেড়ে নিয়ে যার কাছে দশটি মুদ্রা আচে তাকে দাও।’
25
তারা বলল, ‘আজ্ঞে, ওর তো দশটি মুদ্রা আছে।’
26
তিনি বললেন, ‘আমার হুকুম, যার আছে, তাকে আরও বেশি দেওয়া হবে, কিন্তু যার নেই, তার যেটুকু আছে, তাও কেড়ে নেওয়া হবে।
27
আর আমার ঐ শত্রুরা, যারা চায়নি যে, আমি তাদের উপর রাজত্ব করি, তাদের ধরে আন এবং আমার সামনে বধ কর।’
28
উপাখ্যানটি শেষ করের যীশু জেরুশালেমের দিকে এগিয়ে চললেন।
29
অলিভ পর্বতে বেথফাগে ও বেথানির কাছাকাছি এসে তিনি তাঁর দুজন শিষ্যকে পাঠালেন।
30
বললেন, সামনের ঐ গ্রামটিতে যাও, সেখানে ঢুকেই দেখতে পাবে, একটি গর্দভ শাবক বাঁধা রয়েছে যার ওপর কেউ কোন দিন বসেনি। ওটি খুলে নিয়ে এস।
31
কেউ যদি জিজ্ঞেস করে, ‘এর বাঁধন কুলছ কেন?’ তাহলে বলবে, ‘প্রভুর কাজের জন্য একে দরকার।’
32
তাঁরা তখন সেখানে গিয়ে যীশুর কথা মত সব কিছু দেখতে পেলেন।
33
তাঁরা শাবকটির বাঁধন খুলতে গেলে, তার মালিকেরা তাঁদের বলল, ‘এটাকে খুলছ কেন?’
34
তাঁরা বললেন, ‘প্রভুর কাজের জন্য একে দরকার।’
35
তারপর তাঁরা গর্দভ শাবকটিকে যীশুর কাছে এনে নিজেদের কাপড় তার পিঠের ওপর পেতে যীশুকে বসালেন।
36
গাধায় চড়ে এগিয়ে চললেন যীশু, আর লোকে পথের ওপর নিজেদের জামা বিছিয়ে দিতে লাগল।
37
অলিভ পাহাড়ের উৎরাইয়ের রকাছে তিনি এসে পৌঁছাতেই তাঁর সমস্ত শিষ্যদল, যাঁরা তাঁর মহাপরাক্রমের কাজ দেখেছিলেন —তাঁরার মহানন্দে উচ্চকণ্ঠে ঈশ্বরের জয়গান করে
38
বলতে লাগলেন, ধন্য রাজন, প্রভুর প্রতিনিধিরূপে যিনি আসছেন —স্বর্গলোকে শান্তি ও পরাৎপরের মহিমা হোক।
39
ভীড়ের মধ্যে থেকে কয়েকজন ফরিশী তাঁকে বললেন, গুরুদেব, আপনার শিষ্যদের ধমক দিন।
40
যীশু উত্তর দিলেন, তোমাদের আমি বলছি, এরা যদি নীরব হয়ে যায় তবে এই পাথরগুলিও চীৎকার করে উঠবে।
41
নগরের কাছে এলে নগরটিকে দেখতে পেয়ে যীশু তার জন্য তিনি কাঁদলেন।
42
বললেন, তোমার শান্তির জন্য কি দরকার, তা যদি অন্ত আজ জানতে পারতে। কিন্তু আজ তা তোমার দৃষ্টির আড়ালে।
43
কারণ এমন দিন আসবে, যেদিন তোমার শত্রুরা তোমার চারিদিকে প্রাচীর তুলবে, ঘিরে ধরবে তোমাকে সব দিক দিয়ে।
44
তোমাকে ও তোমার দেওয়ালের বেষ্টনীর মধ্যে তোমার যত সন্তান আছে, সবাইকে তারা ধ্বংস করে ফেলবে। তোমার একটি পাথরের উপর আর একটি পাথর তারা রাখবে না। কারণ ঈশ্বরের অনুগ্রহ যখন তোমার কাছে এসেছিল, তখন তুমি তা গ্রাহ্য করনি।
45
যীশু মন্দিরে প্রবেশ করে সেখানে যারা ব্যবসা করছিল তাদের তাড়াতে আরম্ভ করলেন। তাদের তিনি বললেন,
46
শাস্ত্রে লেখা আছে, ‘আমার ভবন হবে প্রার্থনাভবন, কিন্তু তোমরা একে করে তুলেছ দস্যুর আস্তানা।’
47
এরপর থেকে তিনি মন্দিরে প্রতিদিন জনতাকে শিক্ষা দিতে লাগলেন। পুরোহিতদের নেতৃবৃন্দ, শাস্ত্রবিদ্ ও সমাজের কর্তাব্যক্তিরা তাঁকে ধ্বংস করার সুযোগ খুঁজতে লাগল।
48
কিন্তু কি করে এ কাজ তারা সম্পন্ন করবে, তা ভেবে পেল না, কারণ জনসাধারণ মুগ্ধ হয়ে তাঁর কথা শুনত।
← Chapter 18
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 20 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24