bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Matthew 12
Matthew 12
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 11
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 13 →
1
সেই সময়ে যীশু এক সাব্বাথ দিনে শস্যক্ষেত্রের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর শিষ্যরা ক্ষুধার্ত ছিলেন। তাই তাঁরা শস্যের শীষ ছিঁড়ে খেতে লাগলেন।
2
এই দেখ ফরিশীরা যীশুকে বললেন, দেখুন, সাব্বাথদিনে যা করা বিধান সম্মত নয়, আপনার শিষ্যরা তা-ই করছে।
3
তিনি তাদের বললেন, দাউদ ও তাঁর সঙ্গীরা যখন ক্ষুধার্ত হয়ে পড়েছিলেন সেই সময়ে তাঁরা কি করেছিলেন তা কি তোমরা পড় নি?
4
তিনি ঈশ্বরের মন্দিরে প্রবেশ করে ঈশ্বরের উপস্থিতির প্রতীক যে রুটি বেদীর উপরে থাকে তা-ই খেয়েছিলেন। যে রুটি কেবল পুরোহিতরাই খেতে পারেন, তাঁর ও তাঁর সঙ্গীদের পক্ষে তা খাওয়া বিধানসম্মত ছিল না।
5
কিম্বা তোমরা কি বিধান শাস্ত্রে পড় নি যে সাব্বাথদিনে মন্দিরের মধ্যে পুরোহিতরা প্রকৃতপক্ষে সাব্বাথ লঙ্ঘন করলেও নির্দোষ থাকে?
6
আমি তোমাদের বলছি, মন্দিরের চেয়ে মহত্তর কিছু এখানে উপস্থিত।
7
‘দয়াতেই আমার প্রীতি, বলিদানে নয়,’ এ কথার মর্ম যদি বুঝতে তাহলে তোমরা নির্দোষকে দোষী সাব্যস্ত করতে না।
8
মানবপুত্রই সাব্বাথ দিনের অধিপতি।
9
সেই স্থান ত্যাগ করে যীশু একটি সমাজভবনে গিয়ে প্রবেশ করলেন।
10
সেখানে এমন একজন লোক ছিল যার একখানি হাত শুকিয়ে গিয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার উদ্দেশ্যে তারা তাঁকে জিজ্ঞাসা করল, সাব্বাথদিনে সুস্থ করা কি বিধানসম্মত?
11
তিনি তাদের বললেন, তোমাদের মধ্যে এমন কেউ কি আছে যে তার একমাত্র মেষটি সাব্বাথদিনে গর্তে পড়ে গেলে তাকে তুলবে না?
12
একটা মেষের চেয়ে একজন মানুষের মূল্য অনেক বেশী! কাজেই সাব্বাথদিনে সৎকার্য করা বিধান সম্মত।
13
তারপর, তিনি লোকটিকে বললেন, তোমার হাতটি বাড়িয়ে দাও। সে হাত বাড়িয়েদিল এবং সেটা অন্যটার মতই সম্পূর্ণ সুস্থ হল।
14
ফরিশীরা কিন্তু বাইরে গিয়ে কিভাবে তাঁকে ধ্বংস করা যায় তাই নিয়ে ষড়যন্ত্র করতে লাগল।
15
যীশু ষড়যন্ত্রের কথা জানতে পেরে সেখান থেকে চলে গেলেন। বহু লোক তাঁর সঙ্গে সঙ্গে চলল। তিনি তাদের সকলকে সুস্থ করে দিলেন,
16
আর তাদের কঠোর ভাবে নিষেধ করে দিলেন যেন তাঁর কথা তারা প্রকাশ না করে।
17
যাতে তাঁর সম্বন্ধে নবী যিশাইয়ের ভবিষ্যদ্বাণী পূর্ণ হয়:
18
দেখ, ইনিই আমার সেবক, যিনি আমার মনোনীত, আমার প্রিয়তম, আমার প্রাণ এঁর প্রতি প্রীত, এঁর উপরেই অধিষ্ঠান করবে আমার আত্মা, সর্বজাতির কাছে ইনিই ঘোষণা করবেন বিচারের বাণী।
19
তিনি বিবাদে প্রবৃত্ত হবেন না, তাঁর কন্ঠ হবে না সোচ্চার। পথে ঘাটে তংআর স্বরও শোনা যাবে না।
20
দলিত নল তিনি ভাঙ্গবেন না তিনি নিভিয়ে ফেলবেন না ধূমায়িত সলিতা, যতদিন না প্রতিষ্ঠিত হয় তাঁর ন্যায়-বিচার।
21
তাঁর নামই হবে সর্বজাতির ভরসা।
22
অপদেবতাগ্রস্ত একজন অন্ধ বোবাকে তাঁর কাছে আনা হল। তিনি তাকে সুস্থ করে দিলেন, তখন সেই লোকচি কথা বলল ও দেখতে পেল।
23
এই দেখে সমগ্র জনতা বিস্ময়ে, অভিভূত হয়ে বলতে লাগল, ইনিই কি সেই দাউদ কুলতিলক নন.
24
কিন্তু ফরিশীরা এ কথা শুনে বলল, এ লোকটি নিজের ক্ষমতায় নয় অপদেবতাদের অধিপতি, বেলসবুলের সাহায্যেই অপদেবতাদের তাড়ায়।
25
তাদের মনোভাব জানতে পেরে যীশু তাদের বললেন, কোনো রাজ্য যদি অন্তর্বিরোধে বিভক্ত হয় তাহলে তার ধ্বংস অনিবার্য। যে নগর বা গৃহ আত্মকলহে বিচ্ছিন্ন হয় সে স্থায়ী হতে পারে না।
26
কাজেই শয়তান যদি শয়তানকে তাড়ায় তাহলে সে নিজেই স্ববিরোধ বিভক্ত। এ অবস্থায় তার রাজ্য কি কখনও সুরক্ষিত হতে পারে?
27
আমি যদি বেলসবুলের দ্বারা অপদেবতাদের বিতাড়িত করে থাকি তাহলে তোমাদের অনুচরেরা তাড়ায় কার সাহায্যে? অতএব এ বিষয়ে তারাই তোমাদের বিচার করুক।
28
কিন্তু আমি যদি ঈশ্বরের আত্মার সাহায্যে অপদেবতাদের তাড়িয়ে থাকি তাহলে বুঝতে হবে ঈশ্বরের রাজ্য তোমাদের মধ্যে সমাগত।
29
কোন বলবান লোকের গৃহে কেউ কি অনায়াসে প্রবেশ করে তার জিনিসপত্র লুট করতে পারে? সর্বাগ্রে তাকে বেঁধে ফেলতে হবে, তার পরেই তার বাড়ি লুঠ করা সম্ভব।
30
যে আমার স্বপক্ষে নয় সে আমার বিপক্ষে। যে আমার সঙ্গে কুড়ায় না, সে ছড়িয়ে ফেলে।
31
আর এজন্যই আমি তোমাদের বলছি, মানুষের সমস্ত পাপ ও ঈশ্বর নিন্দা ক্ষমা করা হবে, কিন্তু পবিত্র আত্মার বিরুদ্ধে নিন্দার ক্ষমা নেই।
32
মানবপুত্রের বিরুদ্ধে কেউ কোনো কথা বললে সে ক্ষমা লাভ করবে, কিন্তু পবিত্র আত্মার বিরুদ্ধে যদি কেউ কোনো কথা বলে তার ক্ষমা সে কিছুতেই পাবে না-ইহকালেও নয়, পরকালেও নয়।
33
যদি বল গাছটি ভাল, তাহলে তার ফলও ভাল হবে, আর যদি বল গাছটি খারাপ, তবে তার ফলও খারাপ হবে। কারণ ফলের দ্বারাই গাছের পরিচয়।
34
কাল সাপের বংশ! তোমরা নিজেরা অসৎ, ভাল কথা তোমরা বলবে কি করে?
35
সৎ লোক তার ভাল জিনিসের ভাণ্ডার থেকে ভাল জিনিসই বের করে, আর অসৎ লোক তার মন্দ জিনিসের ভাণ্ডার থেকে মন্দ জিনিসই বের করে আনে।,
36
আমি তোমাদের বলছি, লোকে যে অনর্থক কথা বলে বিচারের দিনে সেই প্রত্যেকটি কতার জন্য তাদের জবাবদিহি করতে হবে।
37
কারণ তোমার কথার দ্বারা তোমাকে নির্দোষ প্রতিপন্ন করা হবে, আবার তোমার কথাই তোমাকে দোষী সাব্যস্ত করবে।
38
সেই সময়ে কয়েকজন শাস্ত্রী ও ফরিশী যীশুকে বললেন, আপনার কাছ থেকে কোনো একটি অলৌকিক নিদর্শন আমরা দেখতে চাই।
39
তিনি তাঁদের বললেন, এ যুগের দুষ্ট ও ভ্রষ্টাচারী মানুষ নিদর্শনের খোঁজ করে। কিন্তু নবী যোনার নিদর্শন ছানা আর কোনো নিদর্শনই তাদের দেওয়া হবে না।
40
যোনা যে ভাবে তিন দিন তিন রাত্রি তিমিমাছের উদরে ছিলেন, মানবপুত্রও তেমনিভাবে তিন দিন তিন রাত্রি ভূগর্ভে অবস্থান করবেন।
41
বিচারের দিনে নিনভির মানুষ এ যুগের লোকদের পাশে দাঁড়িয়ে এদের দোষী সাব্যস্ত করবে, কারণ যোনার প্রচারের ফলে তারা তাদের হৃদয় পরিবর্তন করেছিল। অথচ যোনার চেয়ে মহান কেউ এখানে আছেন।
42
দক্ষিণে দেশের রাণীও বিচারের দিনে এ যুগের লোকদের পাশে উঠে দাঁড়িয়ে এদের দোষী সাব্যস্ত করবেন। কারণ শলোমনের জ্ঞানগর্ভ উপদেশ শোনার জন্য তিনি পৃথিবীর সুদূর প্রান্ত থেকে এসেছিলেন। অথচ শলোমনের চেয়ে মহান একজন এখানে আছেন।
43
অশুচি আত্মা কোন মানুষকে ছেড়ে বেরিয়ে যাবার পর নানা প্রান্তর পরিভ্রমণ করে সে বিশ্রামের জায়গা খুঁজে বেড়ায়, কিন্তু পায় না।
44
তখন সে বলে, ‘যেখান থেকে বেরিয়ে এসেছিলাম আমার সেই পুরানো আস্তানায় আবার ফিরে যাব’। ফিরে এসে দেখে, গৃহটি শূন্য, সুমার্জিত ও সুসজ্জিত।
45
তখন সে গিয়ে তার চেয়েও মন্দ আরও সাতটা আত্মাকে সঙ্গে করে নিয়ে আসে। তারা এসে এক সঙ্গে সেখানে বাস করতে থাকে। ফলে সেই লোকটির পরের দশা পূর্বের চেয়েও শোচনীয় হয়ে পড়ে। এ যুগের অসৎ লোকদের দশাও এই রকমই হবে।
46
যীশু তখনও জনতাকে উপদেশ দিচ্ছিলেন, সেই সময় তাঁর মা ও ভাইরা এসে পৌঁছালেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলার জন্য তাঁরা বাইরে অপেক্ষা করছিলেন।
47
কেউ একজন তাঁকে বললেন, আপনার মা ও ভাইয়েরা বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাঁরা আপনার সঙ্গে কথা বলতে চান।
48
যীশু বললেন, আমার মা কে? আমার ভাইয়েরাই বা কারা?
49
তারপর তিনি তাঁর শিষ্যদের দেখিয়ে বললেন, এরাই আমার মা ও ভাই।
50
যে কেউ আমার স্বর্গস্থ পিতার ইচ্ছা পালন করে, সেই আমার ভাই, আমার বোন ও মা।
← Chapter 11
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 13 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28