bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Matthew 18
Matthew 18
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 17
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 19 →
1
সেই সময়ে শিষ্যেরা যীশুর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন, ম্বর্গরাজ্যে সবচেয়ে বড় কে?
2
যীশু একটি শিশুকে ডেকে তাঁদের মাঝখানে দাঁড় করিয়ে বললেন,
3
আমি তোমাদের সত্যই বলছি, তোমরা যদি ঈশ্বরের দিকে ফিরে না আস এবং শিশুদের মত না হও, তবে তোমরা কিছুতেই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না।
4
যে এই শিশুর মত নিজেকে নত করে স্বর্গরাজ্যে সে-ই শ্রেষ্ঠ।
5
আর যে এমন একটি শিশুকে আমার নামে গ্রহণ করে, সে আমাকেই বরণ করে।
6
কেউ যদি আমার প্রতি বিশ্বাসী এই নগণ্য শিশুদের একজনেরও বিঘ্নের কারণ হয় তবে তার গলায় ভারী যাঁতা বেঁধে তাকে সমুদ্রের অতল জলে ডুবিয়ে দেওয়া তার পক্ষে বরং ভাল।
7
বাধাবিঘ্ন সৃষ্টির জন্য জগতকে ধিক্। বাধাবিঘ্ন অবশ্যই আসবে। কিন্তু ধিক্ সেই ব্যক্তিকে, যে বাধা সৃষ্টি করে।
8
যদি তোমার হাত কিম্বা পা তোমরা স্খলনের কারণ হয়, তাহলে তা কেটে ফেলে দাও। দুটি হাত কিম্বা পা নিয়ে অনন্ত অগ্নিতে নিক্ষিপ্ত হওয়ার চেয়ে বরং খঞ্জ বা বিকলাঙ্গ হয়ে অনন্ত জীবনে উত্তরণ তোমার পক্ষে শ্রেয়।
9
তোমার চোখ যদি তোমার স্খলনের কারণ হয় তবে তা উপড়ে ফেলে দাও। দুটি চোখ নিয়ে নরকাগ্নিতে নিক্ষিপ্ত হওয়ার চেয়ে বরং একটি চোখ নিয়ে অনন্ত জীবনে উত্তরণ তোমার পক্ষে শ্রেয়।
10
দেখ, এই নগণ্যদের একজনকেও অবজ্ঞা করো না, কারণ আমি তোমাদের বলছি, স্বর্গে তাদের রক্ষকদূতেরা আমার স্বর্গস্থ পিতার শ্রীমুখ সতত দর্শন করেন।
12
কোন লোকের যদি একশোটি মেষ থাকে ও তার মধ্যে যদি একটি হারিয়ে যায় তবে সে কি সেই নিরাব্বইটি মেষ পাহাড়ে ফেলে রেখে সেই হারানো মেষটিকে খুঁজতে যাবে না? তোমরা কি মনে কর?
13
আর সে যদি কোন প্রকারে ঐটিকে খুঁজে পায়, তবে আমি তোমাদের সত্যই বলছি, যে নিরানব্বইটি মেষ হারায়নি, তাদের চেয়ে সেই ফিরে পাওয়া মেষটির জন্যই সে বেশি আনন্দ করবে।
14
তেমনি এই নগণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে একজনও বিনষ্ট হয়, এ আমার স্বর্গস্থ পিতার অভিপ্রেত নয়।
15
তোমার ভাই যদি তোমার বিরুদ্ধে কোন দোষ করে তবে তার কাছে গিয়ে একান্তে তার দোষ দেখিয়ে দাও। সে যদি তোমার কথা শোনে তবে তুমি তোমার ভাইকে ফিরে পেলে।
16
কিন্তু যদি না শোনে তবে আরও দু'একজনকে সঙ্গে নিয়ে যাও, যেন দুজন বা তিনজনের সাক্ষাতে সব ব্যাপারের নিষ্পত্তি হয়ে যায়।
17
আর সে যদি তাদের কথাও না শোনে তাহলে মণ্ডলীকে জানাও। যদি মণ্ডলীর কথাও সে শুনতে না চায় তাহলে তাকে অবিশ্বাসী ও কর আদায়কারীদের মতই গণ্য করবে।
18
আমি তোমাদের সত্যিই বলছি, পৃথিবীতে তোমরা যা কিছু বদ্ধ করবে স্বর্গেও তা আবদ্ধ হবে এবং পৃথিবীতে যা কিছু মুক্ত করবে স্বর্গেও তা উন্মুক্ত হবে।
19
তোমাদের আরও বলছি, পৃথিবীতে তোমাদের মধ্যে দুজন যদি কোনো কোনো বিষয়ে একমত হয়ে প্রার্থনা কর তাহলে আমার স্বর্গস্থ পিতা সেই প্রার্থনা পূর্ণ করবেন।
20
যেখানে আমার নামে দুই কিম্বা তিনজন উপাসনায় মিলিত হয় সেখানে আমি তাদের মধ্যে উপস্থিত থাকি।
21
পিতর তখন যীশুর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন, প্রভু, আমার ভাই যদি আমার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ করে, তবে আমি তাকে কতবার ক্ষমা করব?
22
সাতবার? যীশু তাঁকে বললেন, না, সাতবার নয়, কিন্তু সত্তরগুণ সাতবার।
23
স্বর্গরাজ্যের তুলনা এভাবে করা যায়-একজন রাজা তাঁর কর্মচারীদের কাছে হিসাব চাইলেন।
24
তিনি যখন হিসাব নিতে শুরু করলেন, তখন তাঁর কাছে এমন একটি লোককে আনা হল যার ঋণ ছিল দশ হাজার তালন্ত ।
25
কিন্তু ঋণ পরিশোধ করার জন্য সঙ্গতি তার না থাকায় মনিব তাকে, তার স্ত্রী পুত্র এবং তার যা কিছু ছিল সবই বিক্রী করে ঋণ প্রতিশোধ করতে আদেশ দিলেন।
26
সেই লোকটি তখন তাঁর পায়ে পড়ে বলল, হুজুর আমাকে সময় দিন, আমি আপনার সমস্ত দেনা শোধ করে দেব।
27
তখন তার মনিব তার প্রতি করুণাপরবেশ হয়ে সমস্ত ঋণ মকুব করে তাকে মুক্ত করে দিলেন।
28
সে তখন বাইরে এসে তার সহকর্মীদের একজনকে দেখতে পেল। লোকটি তার কাছে একশো জীনার ধারত। সে তার গলা টিপে ধরে বলল, আমার দেনা এখনই শোধ করে দাও।
29
তার সহকর্মী তখন তার পায়ে পড়ে অনুনয় করে বলল, আমাকে সময় দাও, আমি তোমার সব ঋণ পরিশোধ করে দেব।
30
কিন্তু সে তাতে রাজী হল না, বরং ঋণ পরিশোধ না করা পর্যন্ত তাকে কারাগারে ফেলে রাখল।
31
এই ব্যাপার দেখে তার সহকর্মীরা খুবই দুঃখিত হল এবং তাদের মনিবের কাছে গিয়ে সমস্ত বিষয় বিস্তারিতভাবে জানাল।
32
তার মনিব তখন তাকে ডেকে এনে বললেন, ওরে পাষণ্ড! তুই কাকুতিমিনতি করেছিলি বলে আমি তোর সমস্ত ঋণ মকুব করে দিয়েছি।
33
আমি যেমন তোর প্রতি দয়া করেছি তেমনি তোরও কি উচিত ছিল না তোর সহকর্মীকে দয়া করা?
34
তার মনিব খুবই ক্রুদ্ধ হলেন এবং সমস্ত ঋণ পরিশোধ না করা পর্যন্ত তাকে পীড়নের জন্য রক্ষীদের হাতে তুলে দিলেন।
35
কাজেই তোমরা যদি প্রত্যেকে পরস্পরকে সর্বান্তঃকরণে ক্ষমা না কর, তবে আমার স্বর্গস্থ পিতাও তোমাদের সঙ্গে এরকম আচরণ করবেন।
← Chapter 17
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 19 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28