bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Matthew 22
Matthew 22
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 21
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 23 →
1
যীশু আবার একটি উপাখ্যানের মাধ্যমে জনতাকে বলতে লাগলেন, স্বর্গরাজ্যের তুলনা এ ভাবে করা যায়:
2
একজন রাজা তাঁর পুত্রের বিবাহের আয়োজন করেছিলেন।
3
উৎসবে নিমন্ত্রিত ব্যক্তিদের ডেকে আনার জন্য তিনি তাঁর কর্মচারীদের পাঠিয়ে দিলেন, কিন্তু তারা কেউই আসতে চাইল না।
4
তিনি আবার অন্য একদল কর্মচারী পাঠিয়ে তাদের বললেন, তোমরা নিমন্ত্রিতদের গিয়ে বল, দেখুন, ভোজ প্রস্তুত। বৃষ ও অন্যান্য হৃষ্টপুষ্ট পশু সব মারা হয়েছে। সব কিছুই তৈরী। আপনারা এবার এসে ভোজে যোগ দিন।
5
কিন্তু এই আহ্বানকে উপেক্ষা করে তারা কেউ বা মাঠের কাজে, কেউ বা ব্যবসার কাজে চলে গেল।
6
বাকী সকলে রাজার কর্মচারীদের ধরে অপমান করল এবং হত্যা করল।
7
এ কথা শুনে রাজা ক্রুদ্ধ হলেন এবং তাঁর সৈন্যদল পাঠিয়ে হত্যাকারীদের বধ করে তাদের নগর জ্বালিয়ে দিলেন।
8
তারপর তিনি তাঁর কর্মচারীদের বললেন, ‘বিবাহ-ভোজ প্রস্তুত, কিন্তু যাদের আমি নিমন্ত্রণ করেছিলাম তারা অযোগ্য।
9
এখন তোমরা রাজপথের মোড়ে মোড়ে গিয়ে যত লোককে দেখতে পাও তাদের সকলকে বিবাহ-ভোজে ডেকে নিয়ে এস।’
10
কর্মচারীরা বাইরে রাজপথে গিয়ে ভালমন্দ যত লোকের দেখা পেল সকলকে জড়ো করে নিয়ে এল বিবাহের আসর অতিথির ভিড়ে করে গেল।
11
রাজা অতিথিদের আপ্যায়ন করার জন্য এলেন। সেখানে এমন একজনকে তিনি দেখতে পেলেন যার পরণে বিবাহ উৎসবের পোষাক ছিল না।
12
তিনি, তাকে বললেন, বন্ধু, বিবাহ উৎসবের পোষাক ছাড়া তুমি কি করে এখানে এলে? সে নিরুত্তর রইল।
13
রাজা তখন তাঁর কর্মচারীদের বললেন, এই লোকটার হাত-পা বেঁধে বাইরের অন্ধকারে ফেলে দাও, যেখান থেকে উত্থিত হচ্ছে অনুশোচনা ও আক্ষেপের আর্তস্বর।
14
বাস্তবিক, অনেকেই আহূত কিন্তু অল্পই মনোনীত।
15
ফরিশীরা তখন গিয়ে নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করতে লাগলেন, কিভাবে তাঁকে তঁরা কথার ফাঁদে ফেলতে পারেন।
16
তারা হেরোদের দলের লোকদের সঙ্গে নিজেদের শিষ্যদের পাঠিয়ে তাঁকে বললেন, গুরুদেব, আমরা জানি, আপনার মধ্যে কোন ছল নেই, সত্যনিষ্ঠভাবে আপনি ঈশ্বরনির্দিষ্ট পথের বিষয় শিক্ষা দিয়ে থাকেন। লোকে কি ভাবল সে সম্বন্ধে আপনার ভ্রূক্ষেপ নেই, কারণ আপনি মানুষের মুখ চেয়ে কাজ করেন না।
17
কাজেই রোমসম্রাটকে কর দেওয়া উচিত কিনা, এ সম্বন্ধে আপনার মত কি আমাদের বলুন।
18
যীশু তাঁদের কুমতলব বুঝতে পেরে বললেন, ভণ্ডের দল, আমাকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করছ?
19
যে মুদ্রায় তোমরা কর দাও তার একটি আমাকে দেখাও। তারা একটি দীনার এনে তাঁর হাতে দিল।
20
তিনি তাদের জিজ্ঞাসা করলেন, এর উপরে যে ছবি ও নাম রয়েছে সেটি কার? তারা বলল, রোমসম্রাট সীজারের।
21
যীশু তখন তাদের বললেন, তাহলে সীজারের যা প্রাপ্য তা সীজারকে দাও, আর ঈশ্বরের যা প্রাপ্য তা ঈশ্বরকে দাও।
22
এ কথা শুনে তারা হতবাক হয়ে চলে গেল।
23
সেদিন সদ্দুকী সম্প্রদায়ের কয়েকজন লোক তাঁর কাছে এসেছিল। (এরা বলত পুনরুত্থান বলে কিছু নেই)।
24
তারা বলল, গুরুদেব, মোশি বলেছেন, ‘কেউ যদি নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যায়, তাহলে মৃতের ভাই সেই বিধবাকে বিয়ে করে নিজের ভাইয়এর বংশ রক্ষা করবে’।
25
সাতটি ভাই আমাদের এখানে বাস করত। বড় ভাইটি বিয়ের পর মারা গেল এবং তার কোন সন্তান না থাকায় তার ভাই তার স্ত্রীকে বিয়ে করল।
26
অনুরূপ ভাবে দ্বিতীয় তৃতীয় থেকে শুরু করে সপ্তম ভাই পর্যন্ত সকলেই তাই করল।
27
স্ত্রীলোকটি নিজেও শেষে মারা গেল।
28
তাহলে পুনরুত্থানে এই সাতজনের মধ্যে সে কার স্ত্রী হবে? কারণ সকলেই তো তাকে বিয়ে করেছিল।
29
যীশু তাদের বললেন, তোমরা ভুল করছ, তোমাদের না আছে শাস্ত্রজ্ঞান, না আছে ঈশ্বরের শক্তি সম্বন্ধে কোনো ধারণা।
30
মৃতেরা যখন পুনরুত্থিত হয় তখন তারা বিয়ে করে না, কাউকেও আর বিয়ে দেওয়া হয় না, তারা হয় স্বর্গদূতের মত।
31
মৃতদের পুনরুত্থান সম্বন্ধে স্বয়ং ঈশ্বর কি বলেছেন তা কি তোমরা পড় নি?
32
তিনি বলেছেন, ‘আমি অব্রাহামের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর ও যাকোবের ঈশ্বর’। এর অর্থ হল যে তিনি মৃতদের ঈশ্বর নন, তিনি জীবিতদের ঈশ্বর।
33
যীশুর কথা শুনে ও তাঁর শিক্ষায় তারা চমৎকৃত হল।
34
যীশু সদ্দুকীদের নিরুত্তর করে দিয়েছেন একথা শুনে ফরিশীরা দল বেঁধে তাঁর কাছে এল।
35
তাদের অন্যতম একজন শাস্ত্রী তাঁকে পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করল,
36
গুরুদেব, বিধানের শ্রেষ্ঠ আজ্ঞা কোনটি?
37
যীশু উত্তর দিলেন, তুমি কায়মনোবাক্যে তোমার ঈশ্বরকে ভালবাসবে-
38
এটি হল সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সর্বপ্রথম আদেশ।
39
আর দ্বিতীয়টিও এরই তুল্য, তুমি তোমার প্রতিবেশীকে আত্মজ্ঞানে ভালবাসবে।
40
মোশির বিধান ও নবীদের সমস্ত শিক্ষার ভিত্তি হল এ দুটি আদেশ।
41
ফরিশীরা এসে এক জায়গায় জড়ো হলে যীশু তাদের জিজ্ঞাসা করলেন,
42
খ্রীষ্ট সম্বন্ধে তোমাদের কি অভিমত? তিনি কার বংশধর? তারা উত্তর দিল, তিনি দাউদের বংশধর।
43
তিনি তাদের বললেন, তাহলে দাউদ কি করে আত্মার আবেশে তাকে প্রভু বলে সম্বোধন করেছেন? তিনি বলেছেন,
44
‘প্রভু পরমেশ্বর আমার প্রভুকে বলেন, যিনি আমার রাজা, তুমি আমার দক্ষিণে বস, যতক্ষণ না তোমার শত্রুদের আমি তোমার পাদপীঠ করি।’
45
দাউদ যখন তাঁকে প্রভু বলে সম্বোধন করেছেন তখন তিনি কি করে দাউদের বংশধর হতে পারেন?
46
এর উত্তরে তারা তাঁকে একটি কথাও বলতে পারল না এবং সেদিন থেকে তাঁকে আর কেউ কোন প্রশ্ন করতেও সাহস করেনি।
← Chapter 21
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 23 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28