bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Matthew 17
Matthew 17
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 16
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 18 →
1
ছয়দিন পরে যীশু পিতর, যাকোব ও তাঁর ভাই যোহনকে সঙ্গে নিয়ে এক উঁচু পাহাড়ে নিভৃত স্থানে গেলেন।
2
তাঁদের সামনেই তাঁর রূপান্তর ঘটল। সূর্যের এত দীপ্তিমান হয়ে উঠল তাঁর মুখমণ্ডল, তাঁর বসন হল আলোকশুভ্র।
3
ঐ সময়ে মোশি ও এলিয় তাঁদের সামনে আবির্ভূত হয়ে যীশুর সঙ্গে কথা বলতে লাগলেন।
4
তখন পিতর যীশুকে বললেন, প্রভু, আমরা এখানে থাকলেই ভাল হয়। যদি আপনার ইচ্ছা হয় তাহলে আমি এখানে তাঁবু খাটিয়ে ফেলি-আপনার জন্য একটি, মোশির জন্য একটি ও এলিয়ের জন্য একটি।
5
তিনি যখন কথা বলছিলেন সেই সময়ে উজ্জ্বল একখণ্ড মেঘ এসে তাঁদের ঢেকে ফেলল এবং সেই মেঘের মধ্য থেকে এই বাণী ঘোষিত হলঃ ইনিই আমার প্রিয় পুত্র, আমার পরম প্রীতিভাজন-এঁর কথা শোন।
6
এই কথা শুনে শিষ্যেরা ভয়ে অভিভূত হয়ে মাটির উপর উপুড় হয়ে পড়ে গেলেন।
7
যীশু কাছে এসে তাঁদের স্পর্শ করে বললেন, ওঠ, ভয় করো না।
8
তাঁরা তখন তাকিয়ে দেখলেন, যীশু ছাড়া আর কেউ সেখানে নেই।
9
পাহাড় থেকে নেমে আসার সময়ে যীশু তাঁদের এই আদেশ দিলেন, মানবপুত্র যতদিন না মৃতদের মধ্য থেকে পুনরুত্থিত হন ততদিন এই দর্শনের কথা তোমরা কাউকে বলো না।
10
শিষ্যেরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, তবে শাস্ত্রীরা কেন বলেন যে প্রথমে এলিয়ের আবির্ভাব হবে?
11
তিনি বললেন, এলিয় অব্যশই আসবেন এবং সমস্তই পুনস্থাপন করবেন।
12
কিন্তু আমি তোমাদের বলছি, এলিয় তো এসেছেন, কিন্তু কেউ তাঁকে চিনতে পারেনি, বরং তাঁর প্রতি যথেচ্ছ দুর্ব্যবহার করা হয়েছে। ঠিক তেমনি মানবপুত্রকেও লোকের হাতে অনেক নির্যাতন ভোগ করতে হবে।
13
শিষ্যরা তখন বুঝতে পারলেন যে তিনি বাপ্তিষ্মদাতা যোহন সম্পর্কেই এ কথা বলছেন।
14
তাঁরা যখন জনতার কাছে এলেন তখন এ লোক যীশুর কাছে এগিয়ে এসে নতজানু হয়ে তাঁকে বলল,
15
প্রভু আমার ছেলেটির প্রতি দয়া করুন। মৃগীরোগে আক্রান্ত হয়ে সে দারুণ কষ্ট পাচ্ছে। অনেকবার সে আগুনে ও জলে পড়ে গেছে।
16
আমি তাকে আপনার শিষ্যদের কাছে নিয়ে এসেছিলাম, কিন্তু তাঁরা তাকে সুস্থ করতে পারলেন না।
17
যীশু বললেন, অবিশ্বাসী ও স্বেচ্ছাচারী বংশ। আর কত কাল আমি তোমাদের মধ্যে থাকব? কতকাল আমি তোমাদের সহ্য করব?
18
যীশু তাকে ধমক দিলেন তখনই সেই অশুচি আত্মা ছেলেটিকে ছেড়ে বেরিয়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে সে সুস্থ হল।
19
তখন শিষ্যেরা একান্তে যীশুর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন, আমরা কেন ওটাকে তাড়াতে পারলাম না?
20
তিনি তাঁদের বললেন, এর কারণ হল তোমাদের বিশ্বাস দুর্বল। আমি সত্যিই বলছি, তোমাদের যদি একটি সরষে-পরিমাণ বিশ্বাস থাকে, আর তোমরা যদি পর্বতকে বল, ‘এখান থেকে সরে ওখানে যাও-তবে তা সরে যাবে। তোমাদের অসাধ্য কিছুই থাকবে না।’
22
তাঁরা সকলে যখন গালীল পরিভ্রমণ করছিলেন তখন যীশু তাঁদের বললেন, মানবপুত্রকে মানুষের অধীনে সমর্পণ করা হবে,
23
তারা তাঁকে হত্যা করবে কিন্তু তৃতীয় দিনে তিনি পুনরুত্থিত হবেন। এ কথা শুনে শিষ্যরা অত্যন্ত বিষণ্ণ হলেন।
24
তাঁরা কফরনাউমে এসে পৌঁছালে মন্দিরের কর আদায়কারীরা পিতরের কাছে এসে বলল, তোমাদের গুরুদেব কি মন্দিরের কর দেন না?
25
তিনি বললেন, হ্যাঁ, দেন। পিতর বাড়িতে ফিরে এলে যীশুই তাঁকে আগে বললেন, তোমার কি মনে হয়? এই পৃথিবীর রাজারা কাদের কাছ থেকে চুঙ্গি কর বা শুল্ক আদায় করেন? প্রজাদের কাছ থেকে না অন্যদের কাছ থেকে?
26
পিতর বললেন, অন্যদের কাছ থেকে। যীশু তাঁকে বললেন, তাহলে প্রজারা করমুক্ত।
27
যাই হোক, আমাদের বিরুদ্ধে যাতে ওদের কোন বিক্ষোভ না থাকে, তার জন্য তুমি গিয়ে সাগরে বড়শি ফেল। প্রথমে যে মাছটি উঠবে, তার মুখ খুললে একটি মুদ্রা পাবে। তোমার ও আমার জন্য ঐ মুদ্রাই তাদের হাতে দেবে।
← Chapter 16
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 18 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28