bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Matthew 23
Matthew 23
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 22
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 24 →
1
যীশু জনতা ও তাঁর শিষ্যদের লক্ষ্য করে বললেন,
2
শাস্ত্রবিদ ও ফরিশীরা মোশির আসন গ্রহণ করেছে।
3
কাজেই তারা তোমাদের যা কিছু আদেশ করে তা মেনে নিয়ে তোমরা পালন কর। কিন্তু তারা যা করে তা করো না, কারণ তারা কথায় যা বলে কাজে তা করে না।
4
তারা ভারী ও দুর্বহ বোঝা লোকের কাঁধে চাপিয়ে দেয়, অথচ নিজেরা একটি আঙ্গুল দিয়েও সেই বোঝা সরাতে চায় না।
5
তারা যা কিছু করে সমস্তই লোক দেখানো। তারা শাস্ত্র বচন বোঝাই বড় বড় কবচ ধারণ করে, আর আলখাল্লার ঝালর লম্বা করে।
6
ভোজে প্রধান স্থান ও সমাজ ভবনে শ্রেষ্ঠ আসন লাভ করতে তারা ভালবাসে।
7
হাটেবাজারে অভিবাদন ও লোকের কাছে ‘রব্বি’ সম্ভাষণ পেতে তারা পছন্দ করে।
8
তোমরা নিজেদের ‘রব্বি’ বলে অভিহিত হতে দিয়ো না, কারণ তোমাদের একজন মাত্র গুরু আছেন এবং তোমরা সকলে পরস্পর ভাই।
9
এই পৃথিবীতে তোমরা কাউকে পিতা বলে সম্বোধন করো না, কারণ তোমাদের পিতা একজনই। তাঁর আবাস স্বর্গে।
10
তোমরা ‘আচার্য’ বলে সম্ভাষিত হয়ো না। কারণ আচার্য তোমাদের একজনই, তিনি খ্রীষ্ট।
11
তোমাদের মধ্যে যে শ্রেষ্ঠ, সে হবে তোমাদের সেবক।
12
যে নিজেকে উন্নত করে, তাকে অবনত করা হবে, আর যে নিজেকে নত করে তাকেই উন্নত করা হবে।
13
ভণ্ড শাস্ত্রী ও ফরিশীর দল, ধিক তোমাদের। তোমরা লোকের সামনে স্বর্গরাজ্যের দরজা বন্ধ করে দাও। নিজেরা তো প্রবেশ করই না, যারা চায় তাদেরও ঢুকতে দাও না।
14
( ভণ্ড শাস্ত্রী ও ফরিশীর দল, ধিক তোমাদের। তোমরা বিধবাদের বিষয়-সম্পত্তি গ্রাস কর, অথচ ধর্মের ভাণ করে লম্বাচওড়া প্রার্থনা আওড়াও, এজন্য বিচারে তোমাদের আরও গুরুতর শাস্তি হবে।)
15
ভণ্ড শাস্ত্রবিদ ও ফরিশীর দল। ধিক তোমাদের! একটি লোককে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টায় তোমরা জলে স্থলে ঘুরে বেড়াও, আর কাউকে যদি তা করতে পার তাহলে তোমরা তাকে নিজেদের চেয়েও বড় পাষণ্ড করে তোল।
16
অন্ধ পথ-প্রদর্শকের দল। ধিক তোমাদের! তোমরা বলে থাক, ‘কেউ যদি মন্দিরের নামে দিব্যি করে তাতে কিছু যায় আসে না, কিন্তু কেউ যদি মন্দিরের স্বর্ণের দিব্যি করে তাহলে সে শপথবদ্ধ হয়।’
17
নির্বোধ ও অন্ধের দল! বল দেখি, কোনটি বড়? সোনা, না সোনাকে যে পবিত্র করেছে সেই মন্দির?
18
এ কথাও তোমরা বলে থাক, যদি কেউ বেদীর নামে দিব্যি করে তাতে কিছু আসে যায় না, কিন্তু যে বেদী উপরে নৈবেদ্যের দিব্যি করে তবে সে শপথবদ্ধ হয়।
19
ওরে অন্ধের দল! কোনটার গুরত্ব বেশি? নৈবেদ্যেকে পবিত্র করে তার?
20
কাজেই যে কেউ বেদীর দিব্যি করে, সে বেদীর এবং তার উপরে যা কিছু আছে সেগুলিরও দিব্যি করে।
21
আর যে মন্দিরের দিব্যি করে সে মন্দিরের ও মন্দিরের মধ্যে যিনি বাস করেন তাঁর নামেও দিব্যি করে।
22
যে কেউ স্বর্গের দিব্যি করে, সে ঈশ্বরের সিংহাসনের দিব্যিও করে এবং সেই সিংহাসন যিনি অধিষ্ঠিত তাঁর দিব্যি করে।
23
ভণ্ড শাস্ত্রী ও ফরিশীর দল! ধিক তোমাদের! তোমরা পুদিনা, মৌরা এবং জিরারও দশমাংশ দান করে থাক, কিন্তু বিধানের যে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ-ন্যায়পরায়ণতা, দয়া ও সততা, এগুলিকে তোমরা উপেক্ষা করেছ। তোমাদের উচিত ছিল ঐগুলির সঙ্গে এই নির্দেশগুলিও পালন করা।
24
অন্ধ পথপ্রদর্শকের দল! তোমরা মশা ছেঁকে ফেল, কিন্তু উট গিলে নাও।
25
ভণ্ড শাস্ত্রী ও ফরিশীর দল! ধিক তোমাদের! তোমরা তোমাদের বাসনপত্রের বাইরের দিকটা পরিষ্কার করে থাক, কিন্তু তোমাদের ভেতরটা লোভ ও অসংযমে পরিপূর্ণ।
26
অন্ধ ফরিশী! ভিতরটা আগে পরিষ্কার কর তাহলে বাইরের দিকটা আপনিই পরিষ্কার হয়ে যাবে।
27
ভণ্ড শাস্ত্রী ও ফরিশীর দল! তোমরা চুণকাম করা কবরের মত। বাইরের দিকটা দেখতে সুন্দর, কিন্তু ভেতরটা মড়ার হাড় ও সব রকম আর্বজনায় পূর্ণ হয়ে আছে।
28
ঠিক সেইভাবে বাইরে লোকের চোখে তোমরা ধার্মিক, কিন্তু তোমাদের অন্তর ভণ্ডামি ও উচ্ছৃঙ্খলতায় পরিপূর্ণ।
29
ভণ্ড শাস্ত্রী ও ফরিশীর দল! ধিক তোমাদের! তোমরা নবীদের জন্য সমাধি রচনা কর ও সাধুদের স্মৃতিস্তম্ভকে সাজাও।
30
আর বল, ‘আমাদের পিতৃপুরুষদের আমলে যদি আমরা বেঁচে থাকতাম তাহলে নবীদের হত্যাকাণ্ডে আমরা অংশগ্রহণ করতাম না।’
31
এ কথার দ্বারা তাহলে তোমরা স্বীকার করছ যে নবীদের যারা খুন করেছে তোমরা তাদেরই সন্তান।
32
তোমরাও তোমাদের পিতৃপুরুষদের ধারা অনুসরণ করে চলেছ।
33
ওরে সর্পের দল!কেউটের বংশ! নরক দণ্ড এড়াবে কি করে?
34
দেখ, আমি তোমাদের কাছে পাঠাব নবীদের, জ্ঞানী ব্যক্তি ও শাস্ত্রবিদদের। তাঁদের কাউকে তোমরা করবে হত্যা, কাউকে করবে ক্রুশবিদ্ধ, কাউকে তোমাদের সমাজভবনে নিয়ে কশাঘাত করবে এবং এক নগর থেকে অন্য নগরে তাদের তাড়া করে বেড়াবে।
35
আর এভাবে ধার্মিক হেবলের রক্তপাত থেকে শুরু করে বরখিয়ের পুত্র সখরিয় যাঁকে তোমরা মন্দির ও যজ্ঞবেদীর মাঝখানে হত্যা করেছিলে-তাঁর রক্তপাত পর্যন্ত পৃথিবীতে যত নির্দোষ রক্ত পাত হয়েছে, তার সমস্ত দায় তোমাদের উপর বর্তাবে।
36
আমি তোমাদের সত্য বলছি, এ যুগের লোকেরাই এ সবের জন্য দায়ী হবে।
37
জেরুশালেম, ওগো জেরুশালেম, তুমি নবীদের হত্যা করেছ এবং তোমার কল্যাণের জন্য যাঁরা প্রেরিত হয়েছিলেন, তাঁদের করেছ প্রস্তরাঘাত। পক্ষীজননী যেমন নিজের ডানার নীচে তার শাবকদের জড়ো করে রাখে, তেমনি কতবার আমি তোমার সন্তানদের একত্র করতে চেয়েছি, কিন্তু তা তুমি করতে দাওনি।
38
তাই, তোমার মন্দির হবে ঈশ্বর পরিত্যক্ত ও জনশূন্য।
39
আমি তোমাদের বলছি, তোমরা যতদিন না বলবে, ‘ধন্য তিনি, প্রভুর নামে যাঁর আগমন’ ততদিন তোমরা আর আমার দর্শন পাবে না।
← Chapter 22
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 24 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28