bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Matthew 21
Matthew 21
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 20
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 22 →
1
জেরুশালেমের কাছে এসে তাঁরা বেথ-ফাগে নামক একটি গ্রামে উপস্থিত হলেন। ঐ গ্রামটি ছিল অলিভ পাহাড়ের ধারে।
2
যীশু তাঁর দু'জন শিষ্যকে এ কথা বলে পাঠিয়ে দিলেন, তোমরা সামনের ঐ গ্রামে যাও। সেখানে গেলেই দেখতে পাবে, শাবক সমেত একটা গাধা বাঁধা রয়েছে। তাদের খুলে নিয়ে আমার কাছে চলে এস।
3
কেউ যদি তোমাদের কিছু বলে, তবে বলবে, ‘প্রভুর দরকার আছে’, তাহলে সে গাধা দুটি পাঠিয়ে দেবে।
4
এই ঘটনায় নবীর মুখনিঃসৃত বাণী পূর্ণ হলঃ
5
সিয়োন তনয়াকে তোমরা বল: ঐ দেখ, তোমরা অধিরাজ আসছেন তোমারই কাছে তিনি নম্র, গর্দভ-পৃষ্ঠে আসীন ভারবাহী পশুশাবকই তাঁর বাহন।
6
শিষ্যেরা গিয়ে যীশুর নির্দেশ মত কাজ করলেন।
7
তাঁরা শাবকসমেত গাধাটাকে এনে তাদের পিঠের উপরে নিজেদের কাপড় পেতে দিলেন আর যীশু তার উপরে বসলেন।
8
সমবেত জনতার মধ্য থেকে অনেকে পথের মাঝখানে নিজেদের পোষাক বিছিয়ে দিল, আর অন্যেরা গাছের ডাল ভেঙ্গে এনে পথের উপরে ছড়িয়ে দিল।
9
তাঁর সামনে ও পিছনে জনতা চীৎকার করে বলতে লাগল: ‘হোশান্না! দাউদ কুলতিলক! ধন্য তিনি প্রভুর প্রতিভূরূপে যাঁর আগমন। ঊর্ধ্বলোকে হোক হোশান্না ধ্বনি।
10
যীশু জেরুশালেমে প্রবেশ করলেন সমস্ত নগরে এক মহা আলোড়নের সৃষ্টি হল।
11
লোকে জিজ্ঞাসা করল, কে ইনি? উত্তরে জনতা উত্তর দিল, ইনি যীশু, গালীলের নাসরত নগরের সেই নবী।
12
যীশু মন্দিরে প্রবেশ করলেন। মন্দিরের মধ্যে যারা বেচাকেনা করছিল তিনি তাদের সকলকে তাড়িয়ে দিলেন। তিনি পোদ্দারদের টেবিল ও ঘুঘু ব্যাপারীদের আসন উলটিয়ে ফেলে দিলেন।
13
তাদের বললেন, শাস্ত্রে লেখা আছে, ‘আমার গৃহ প্রার্থনা ভবন রূপে আখ্যাত হবে’। কিন্তু তোমরা একে দস্যুর আস্তানায় পরিণত করেছ।
14
মন্দিরে মধ্যে অন্ধ ও খঞ্জেরা তাঁর কাছে এল, তিনি তাদের সুস্থ করে দিলেন।
15
প্রধান পুরোহিত ও শাস্ত্রীরা তাঁর অলৌকিক কাজ দেখে এবং মন্দিরের মধ্যে ছেলেমেয়েদের “হোশান্না দাউদ কুলতিলক।” এই চীৎকার শুনে খুব ক্রুদ্ধ হলেন।
16
তাঁরা যীশুকে বললেন, ওরা কী বলতে শুনতে পাচ্ছ? যীশু তাঁদের বললেন, হ্যাঁ, শুনতে পাচ্ছি। কিন্তু তোমরা কি কখনও একথা পাঠ করনি, ‘তুমি বালক ও দুগ্ধপোষ্য শিশুদের মুখ প্রশংসায় করেছ মুখরিত'?
17
তাদের কাছ থেকে তিনি নগরের বাইরে বেথানিয়া গ্রামে চলে গেলেন এবং সেখানেই রাত কাটালেন।
18
ভোরবেলায় শহরে ফিরে যাবার পথে যীশু ক্ষুধার্ত হলেন।
19
পথের পাশে একটি ডুমুর গাছ দেখতে পেয়ে তিনি কাছে এগিয়ে এলেন, কিন্তু গাছটিতে পাতা ছাড়া আর কিছুই তিনি দেখতে পেলেন না। গাছটাকে লক্ষ্য করে তখন তিনি বললেন, আর কখনও যেন তোমাতে ফল না ধরে। ডুমুর তখনই শুকিয়ে গেল।
20
শিষ্যেরা তা দেখে আশ্চর্য হয়ে বললেন, ডুমুর গাছটা সঙ্গে সঙ্গেই শুকিয়ে গেল কি করে?
21
যীশু তাঁদের বললেন, আমি তোমাদের সত্যিই বলছি, যদি তোমাদের বিশ্বাস থাকে এবং সন্দেহ না কর, তবে ডুমুর গাছের প্রতি যা করা হল শুধু যে তা-ই তোমরা করতে পারবে তা নয়, এমন কি এই পাহাড়টিকে যদি তোমরা বল, ‘ওঠ, সাগরে গিয়ে পড়,’ তাহলে তা-ই হবে।
22
প্রার্থনায় যা তোমরা চাইবে, বিশ্বাস যদি কর, তবে তা পাবেই।
23
তিনি মন্দিরে এলে প্রধান পুরোহিত ও ইহুদীসমাজের প্রবীণবৃন্দ তাঁর কাছে এসে বললেন, তুমি কোন অধিকারে এসব কাজ করছ এবং তোমাকে এসব অধিকার কে-ই বা দিয়েছে?
24
যীশু তাঁদের বললেন, আমিও তোমাদের একটি প্রশ্ন করব, তার উত্তর যদি তোমরা দাও তবে আমিও তোমাদের বলব, কোন অধিকারে এসব আমি করছি।
25
বাপ্তিস্ম দেবার অধিকার যোহন কোথা থেকে পেয়েছিলেন? স্বর্গ থেকে না মানুষের কাছ থেকে? তাঁরা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগলেন, আমরা যদি বলি, ‘স্বর্গ থেকে’ তাহলে সে আমাদের বলবে, ‘তবে তোমরা তাঁকে বিশ্বাস করনি কেন?’
26
আর যদি বলি, ‘মানুষের কাছ থেকে’ তাহলে জনসাধারণের ভয় আছে, কারণ সকলেই যোহনকে নবী বলে মানে।
27
তাই যীশুকে তাঁরা বললেন, আমরা জানি না। তিনিও তাঁদের বললেন, কী অধিকারে আমি এসব করছি, আমিও তা তোমাদের বলব না।
28
তোমাদের কি মনে হয়? একজন লোকের দুটি ছেলে ছিল। প্রথম ছেলেটির কাছে গিয়ে তিনি বললেন, ‘বাবা আজ তুমি আমার দ্রাক্ষাকুঞ্জে গিয়ে কাজ কর।’
29
ছেলেটি বলল, ‘আজ্ঞে আমি যাব’। কিন্তু পরে সে গেল না।
30
তারপর বাবা দ্বিতীয় ছেলেটির কাছে এসে একই কথা বললেন। ছেলেটি বলল, ‘না, আমি যাব না। ‘কিন্তু পরে অনুতপ্ত হয়ে সে কাজে গেল।
31
এ দুজনের মধ্যে কে পিতার আদেশ পালন করল? তাঁরা বললেন, শেষের জন। যীশু তাঁদের বললেন, আমি তোমাদের সত্যিই বলছি, কর-আদায়কারী ও বারবণিতারা তোমাদের আগেই ঈশ্বরের রাজ্যে গিয়ে প্রবেশ করবে।
32
যোহন এসেছিলেন তোমাদের কাছে, তিনি ধর্মপথে চলতেন, তোমরা তাঁকে বিশ্বাস করনি। কিন্তু কর-আদায়কারী ও বারবণিতারা তাঁকে বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু তা দেখেও তোমরা অনুশোচনা করলে না, তাঁকে বিশ্বাস করলে না।
33
আর একটি উপখ্যান শোন। একজন ভূস্বামী একটি দ্রাক্ষাকুঞ্জ তৈরী করলেন। তার চারপাশে বেড়া দিয়ে দিলেন। দ্রাক্ষা মাড়াই করার জন্য একটি কুণ্ড তৈরী করলেন এবং সেখানে একটি উঁচু চৌকিঘর তৈরী করলেন। তারপর জমিটা চাষীদের বিলি করে দিয়ে তিনি বিদেশে বেড়াতে গেলেন।
34
ফলের মরশুম এলে ভূস্বামী তাঁর ভাগ নেবার জন্য চাষীদের কাছে তাঁর ভৃত্যদের পাঠালেন।
35
চাষীরা তাঁর ভৃত্যদের ধরে কাউকে মারধর করল, কাউকে বা পাথর ছুঁড়ে মারল।
36
ভূস্বামী তখন প্রথমবারের চেয়েও সংখ্যায় অনেক বেশী ভৃত্য পাঠালেন। চাষীরা তাদের প্রতিও অনুরূপ ব্যবহার করল।
37
অবশেষে তিনি নিজের ছেলেকে পাঠালেন। তিনি ভাবলেন, তারা অন্তত আমার ছেলেকে সম্মান করবে।
38
কিন্তু চাষীরা যখন ভূস্বামীর ছেলেটিকে দেখতে পেল, তারা তখন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে লাগল, এ-ই হল উত্তরাধিকারী, এস, একে মেরে ফেলে এর সম্পত্তি আমরা দখল করে নিই।
39
তারা তাকে ধরে দ্রাক্ষাকুঞ্জের বাইরে ফেলে হত্যা করল।
40
তবে দ্রাক্ষাকুঞ্জের মালিক যখন আসবেন তখন এই চাষীদের প্রতি তিনি কি রকম ব্যবহার করবেন?
41
তারা যীশুকে বলল, তিনি সেই পাপিষ্ঠদের অবশ্যই বিনাশ করবেন এবং দ্রাক্ষাকুঞ্জটি এমন চাষীদের কাছে বিলি করবেন যারা ফলের মরশুমে তাঁর প্রাপ্য অংশ তাঁকে দেবে।
42
যীশু তাদের বললেন, তোমরা কি কোনদিন শাস্ত্রে এ কথা পড়নি? যে শিলাস্তম্ভটি স্থপতিরা করেছিল বর্জন সেটিই হল কোণের প্রধান প্রস্তর এ মহান কীর্তি প্রভুরই! আমাদের দৃষ্টিতে বিস্ময়কর।
43
এ জন্য আমি তোমাদের বলছি, ঈশ্বরের রাজ্য তোমাদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হবে, এবং দেওয়া হবে এমন প্রজাদের যারা তার উপযুক্ত ফল উৎপাদন করবে।
45
এ সমস্ত উপাখ্যান শুনে প্রধান পুরোহিত ও ফরিশীরা বুঝতে পারলেন যে তিনি তাঁদের সম্পর্কেই এই সব কথা বলছেন।
46
তাঁরা তাঁকে গ্রেপ্তার করার সুযোগ খুঁজতে লাগলেন, কিন্তু জনসাধারণের ভয়ে তাঁরা নিরস্ত হলেন, কারণ লোকে তাঁকে নবী বলে মানত।
← Chapter 20
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 22 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28