bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Matthew 25
Matthew 25
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 24
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 26 →
1
আসন্ন স্বর্গরাজ্যের বর্ণনা এভাবে করা যেতে পারে: দশজন কুমারী কন্যা প্রদীপ হাতে বরকে বরণ করতে গেল।
2
তাদের মধ্যে পাঁচজন বুদ্ধিহীনা, আর পাঁচজন ছিল বুদ্ধিমতী।
3
বুদ্ধিহীনারা প্রদীপ নিল বটে, কিন্তু সঙ্গে তেল নিল না।
4
বুদ্ধিমতীরা কিন্তু প্রদীপের সঙ্গে পাত্রে করে তেলও নিয়ে গেল।
5
বর আসতে দেরী হওয়ায় তারা সবাই তন্দ্রায় আচ্ছন্ন হয়ে ঘুমিয়ে পড়ল।
6
মাঝরাতে সাড়া পড়ে গেল, ‘বর আসছে, বর আসছে, তাকে বরণ করতে এগিয়ে যাও’।
7
কুমারীরা তখন জেগে উঠে নিজেদের প্রদীপের সলতে ঠিক করে নিল।
8
বুদ্ধিহীনারা বুদ্ধিমতীদের বলল, ‘তোমাদের তেল থেকে কিছুটা আমাদের দাও, কারণ আমাদের প্রদীপ নিভে আসছে।’
9
কিন্তু বুদ্ধিমতীরা বলল, ‘তাহলে কিন্তু কারোরই কুলোবে না। তোমরা বরং দোকানে গিয়ে কিনে নাও।’
10
বুদ্ধিহীনা কুমারীরা তেল কিনতে গেল, এদিকে বর এসে পড়ল এবং যারা তৈরী ছিল তারাই গেল বরের সঙ্গে বিয়ের আসরে। তারপর দরজা বন্ধ হয়ে গেল।
11
অন্য কুমারীরা ফিরে এসে চীৎকার করতে লাগল, ‘প্রভু, প্রভু, দরজা খুলুন’।
12
কিন্তু বর উত্তর দিলেন, ‘সত্যিই বলছি, আমি তোমাদের চিনি না’।
13
কাজেই তোমরা সজাগ থেকো, কারণ সেই দিনক্ষণের কথা তোমরা জান না।
14
আসন্ন স্বর্গরাজ্যের কথা এভাবেও বলা যায়: কোন এক ব্যক্তি বিদেশে যাবার সময়ে তাঁর ভৃত্যদের ডেকে তাদের হাতে তাঁর সম্পত্তির ভার দিলেন।
15
প্রত্যেকের যোগ্যতা অনুসারে তিনি একজনকে পাঁচটি স্বর্ণমুদ্রা, অন্যজনকে দুটি স্বর্ণমুদ্রা ও আর একজনকে এক স্বর্ণমুদ্রা দিয়ে বিদেশে চলে গেলেন।
16
যে ভৃত্যটি পাঁচটি স্বর্ণমুদ্রা পেয়েছিল সে তখনই গিয়ে তা ব্যবসায় খাটিয়ে আরও পাঁচ স্বর্ণমুদ্রা লাভ করল।
17
অনুরূপভাবে যে দুই স্বর্ণমুদ্রা পেয়েছিল সে আরও দুটি স্বর্ণমুদ্রা লাভ করল।
18
কিন্তু যে ভৃত্যটি একটি স্বর্ণমুদ্রা পেয়েছিল সে গিয়ে তার মনিবের দেওয়া সেই স্বর্ণমুদ্রাটি মাটিতে পুঁতে রাখল।
19
অনেকদিন পরে সেই ভৃত্যদের মনিব ফিরে এসে তাদের সঙ্গে হিসাব-নিকাশ করতে বসলেন।
20
যে ভৃত্যটি পাঁচটি স্বর্ণমুদ্রা পেয়েছিল সে আরও পাঁচটি স্বর্ণমুদ্রা এনে বলল, হুজুর আপনি আমাকে পাঁচটি স্বর্ণমুদ্রা দিয়ে গিয়েছিলেন, ‘এই দেখুন, আমি তা দিয়ে আরও পাঁচটি মুদ্রা লাভ করেছি।’
21
তার মনিব তাকে বললেন, ‘বেশ করেছ, তুমি সৎ ও বিশ্বস্ত। তুমি সামান্য বিষয়ে বিশ্বস্ততা দেখিয়েছ, কাজেই তোমার উপরে অনেক বিষয়ের ভার দেব। এখন ভিতরে এসে তোমার মনিবের সঙ্গে আনন্দ কর।’
22
যে ভৃত্য দুটি মুদ্রা পেয়েছিল সেও এসে বলল, ‘হুজুর, আপনি আমাকে দুটি স্বর্ণমুদ্রা দিয়ে গিয়েছিলেন, দেখুন, আমি আরও দুটি মুদ্রা লাভ করেছি।’
23
তার মনিব তাকে বললেন, ‘বেশ করেছ, তুমি সৎ ও বিশ্বস্ত দাস, সামান্য বিষয়ে তুমি বিশ্বস্ত হয়েছ, কাজেই আমি তোমার উপরে অনেক বেশি বিষয়ের ভার দেব। এখন ভিতরে এসে তোমার প্রভুর সঙ্গে আনন্দ কর।’
24
আর যে ভৃত্যটি একটি মুদ্রা পেয়েছিল, সে এসে বলল, হুজুর, আমি জানতাম, ‘আপনি কঠিন লোক, যেখানে আপনি বীজ বপন করেন না, সেখানেও আপনি ফসল কাটেন এবং যেখানে আপনি বীজ ছড়ান নি সেখানেও আপনি ফসল সংগ্রহ করেন।
25
সেজন্য আমি ভয়ে ভয়ে আপনার স্বর্ণমুদ্রাটি মাটিতে পুঁতে রেখেছিলাম। দেখুন, আপনার জিনিস আপনারই রয়েছে।’
26
কিন্তু তার মনিব তাকে বললেন, ‘ওরে অলস, দুষ্ট দাস! তুই যদি জানতিস যে আমি যেখানে বীজ বপন করিনি সেখানেও ফসল কাটি এবং কোন বীজ না ছড়িয়েও ফসল সংগ্রহ করি,
27
তাহলে তোর উচিত ছিল মহাজনদের হাতে আমার ধন গচ্ছিত রাখা, তাহলে আমি ফিরে এসে সুদ সমেত আমার আসল ফিরে পেতাম।
28
তোমরা এর কাছ থেকে মুদ্রাটি কেড়ে নাও এবং যার দশটি মুদ্রা আছে তাকে দিয়ে দাও।
29
যার আছে তাকে আরও দেওয়া হবে, তার বাড়বাড়ন্ত হবে। যার নেই তার যা আছে তাও তার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হবে।
30
তোমরা এই অপদার্থ ভৃত্যকে বাইরের অন্ধকারে ফেলে দাও। সেখানে অনুশোচনা ও আক্ষেপের আর্তস্বর শোনা যাবে।’
31
মানবপুত্র আপন মনিমায় বিভূষিত হয়ে স্বর্গদূতদের সঙ্গে নিয়ে আবির্ভূত হবেন, উপবেশন করবেন তাঁর মহিমামণ্ডিত সিংহাসনে,
32
তখন তাঁর সম্মুখে সর্ব জাতিকে একত্র করা হবে। মেষপালক যেমন ছাগ ও মেষ পৃথক করে, ঠিক সেইভাবে তিনি তাদের পৃথক করবেন।
33
তিনি মেষপালকে রাখবেন তাঁর ডান পাশে আর ছাগগুলোকে রাখবেন বাম পাশে।
34
রাজা তখন তাঁর ডান পাশের লোকদের বলবেন, এস, তোমরা আমার পিতার আশীর্বাদের পাত্র। জগৎ সৃষ্টির শুরু থেকে যে রাজ্য তোমাদের জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে তার অধিকার গ্রহণ কর।
35
কারণ আমি ক্ষুধিত ছিলাম, তোমরা আমাকে খাদ্য দিয়েছ। আমি তৃষ্ণার্ত ছিলাম, আমাকে তোমরা পানীয় দিয়েছ। আমি অপরিচিত হলেও তোমরা আমাকে আশ্রয় দিয়েছ
36
আমি বস্ত্রহীন ছিলাম, আমাকে তোমরা বস্ত্রদান করেছ, আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম, তোমরা আমার যত্ন নিয়েছ, আমি কারাগারে বন্দী ছিলাম, তোমরা আমাকে দেখতে এসেছ।
37
তখন ধার্মিকেরা তাঁকে বলবে, প্রভু, কখন আমরা আপনাকে ক্ষুর্ধাত দেখে খেতে দিলাম, কিম্বা তৃষ্ণার্ত দেখে পান করতে দিলাম?
38
কখনই বা আপনাকে অপরিচিত দেখেও আশ্রয় দিলাম কিম্বা আপনাকে বিবসন দেখে বসন পরালাম?
39
আর কখনই বা আপনাকে অসুস্থ দেখে বা কারারুদ্ধ দেখে আপনার কাছে এসেছিলাম?
40
তখন রাজা তাদের বললেন, আমি তোমাদের সত্যিই বলছি, আমার এই দীনহীন ভাইদের একজনের জন্যও যা তোমরা করেছ, জেনো তা আমারই জন্য করেছ।
41
তারপর তিনি তাঁর বাম পাশের লোকদের বলবেন, অভিশাপের পাত্র তোমরা, আমার কাছ থেকে দূর হও। শয়তান ও তার অনুচরদের জন্য যে চিরন্তন অগ্নিকুণ্ড প্রজ্বলিত রয়েছে তোমরা তার মধ্যে যাও।
42
কারণ আমি ক্ষুধার্ত ছিলাম, তোমরা আমাকে খাদ্য দাও নি, তৃষ্ণার্ত ছিলাম পানীয় দাওনি,
43
অপরিচিত ছিলাম, আশ্রয় দাওনি, বিবসন ছিলাম, বসন পরাওনি, অসুস্থ ছিলাম, কারারুদ্ধ ছিলাম, সেবাযত্ন করনি।
44
তখন তারাও উত্তরে বলবে, ‘কখন আমরা আপনাকে ক্ষুধার্ত, তৃষ্ণার্ত, অপরিচিত কিম্বা বিবসন, অসুস্থ বা কারারুদ্ধ দেখে আপনার সেবা করিনি?’
45
উত্তরে তিনি তাদের বললেন, এই দীনতমদের মধ্যে কোনো একজনের জন্যও যা তোমরা করনি, তা আমারই জন্য করনি।
46
এরা যাবে অনন্ত দণ্ড ভোগ করতে, কিন্তু ধার্মিকদের উত্তরণ হবে শাশ্বত জীবনে।
← Chapter 24
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 26 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28