bible
ra
🌐 Language
English
Español
Français
Deutsch
Português
Italiano
Nederlands
Русский
中文
日本語
한국어
العربية
Türkçe
Tiếng Việt
ไทย
Indonesia
All Languages
Home
/
Bengali
/
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
/
Matthew 9
Matthew 9
Bengali CL BSI 2016 (পবিএ বাইবেল CL Bible (BSI))
← Chapter 8
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 10 →
1
নৌকায় করে পার হয়ে যীশু নিজের শহরে এলেন।
2
কয়েকজন লোক একজন পক্ষাঘাতগ্রস্তকে খাটিয়ায় শুইয়ে তাঁর কাছে নিয়ে এল। তাদের বিশ্বাস দেখে যীশু সেই পক্ষাঘাতগ্রস্ত লোকটিকে বললেন, বৎস, ভয় নেই, তোমার সব পাপ ক্ষমা করা হল।
3
এ কথা শুনে শাস্ত্রীদের মধ্যে কয়েকজন মনে মনে বলতে লাগল, এই লোকটা ঈশ্বর নিন্দা করছে।
4
যীশু কিন্তু তাদের মনের কথা জানতে পারলেন। বললেন, তোমরা মনে মনে কুচিন্তা করছ কেন?
5
কোন কথাটি বলা সহজ, তোমার পাপ ক্ষমা করা হল; না ‘ওঠ, হেঁটে বেড়াও'?
6
তোমাদের জানা দরকার যে পাপ ক্ষমা করার অধিকার মানব পুত্রের আছে। তিনি তখন পক্ষাঘাতগ্রস্ত লোকটিকে বললেন, ওঠ, তোমার খাট তুলে নিয়ে বাড়ি যাও।
7
তখনই সে উঠে বাড়ি চলে গেল।
8
এই ঘটনা দেখে জনতা বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে পড়ল এবং ঈশ্বর মানুষকে এমন ক্ষমতা দিয়েছেন দেখে তাঁর জয়গান করতে লাগল।
9
সেখান থেকে যীশু আরও এগিয়ে গেলেন, দেখলেন মথি নামে একজন লোক কর আদায়ের দপ্তরে বসে আছেন। তিনি তাঁকে বললেন, আমার অনুগামী হও। মথি তখনই সব ছেড়ে উঠে এসে তাঁর অনুগামীই হলেন।
10
পরে যীশু যখন মথির বাড়িতে আহারে বসেছিলেন, অনেক কর আদায়কারী ও সমাজচ্যুত ব্যক্তি এসে যীশু ও তাঁর শিষ্যদের সঙ্গে খেতে বসল।
11
কয়েকজন ফরিশী তা দেখতে পেয়ে তাঁর শিষ্যদের বললেন, তোমাদের গুরু করগ্রাহক ও পতিতদের সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করেন কেন?
12
এ কথা শুনতে পেয়ে যীশু বললেন, রোগীর জন্যই চিকিৎসকের দরকার, সুস্থ লোকের জন্য নয়।
13
‘বলিদান নয়, দয়াই আমার কাম্য'-এ কথার অর্থ কী, আগে তা বোঝার চেষ্টা কর। ধার্মিকদের নয় আমি এসেছি, পতিতদেরই আমন্ত্রণ জানাতে।
14
সে সময়ে বাপ্তিষ্মদাতা যোহনের শিষ্যরা যীশুর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করল, আমরা এবং ফরিশীরা প্রায়ই উপবাস করে থাকি। কিন্তু আপনার শিষ্যরা মোটেই তা করেন না, এর কারণ কি?
15
যীশু তচাদের উত্তর দিলেন, বর যখন বরযাত্রীদের সঙ্গে থাকে তখন কি তারা শোকাচ্ছন্ন হয়ে থাকতে পারে? কিন্তু এমন দিন আসবে যখন বরকে তাদের কাছ থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে, তখন তারা উপবাস করবে।
16
পুরানো কাপড়ে কেউ নতুন কাপড়ের তালি লাগায় না, কারণ তাতে তালিটা ঐ জামা থেকে খসে পড়ে আর ছেঁড়াটা আরও বড় হয়ে যায়।
17
পুরানো পাত্রে কেউ টাটকা সুরা ঢালে না। কেউ যদি তা করে তাহলে পাত্র ফেটে গিয়ে সুরা পড়ে যায়, পাত্রও নষ্ট হয়। টাটকা সুরা নতুন পাত্রেই ঢালা হয়, তাতে দুটিই ভাল থাকে।
18
যীশু তাদের এসব কথা বলছেন, এমন সময়ে একজন সমাজপতি তাঁর কাছে এসে তাঁকে প্রণাম করে বললেন, আমার মেয়েটি এই মাত্র মারা গেছে তবুও আপনি দয়া করে আসুন আপনার হাতের স্পর্শে সে বেঁচে উঠবে।
19
যীশু তখনই উঠে শিষ্যদের নিয়ে তাঁর সঙ্গে চললেন।
20
পথে একটি স্ত্রীলোক যীশুর পিছন দিকে গিয়ে তাঁর পোষাকের প্রান্ত স্পর্শ করল। এই স্ত্রীলোকটি বারো বছর ধরে প্রদর রোগে ভুগছিল।
21
সে ভাবছিল, আমি যদি শুধু তাঁর পোষাক স্পর্শ করি তাহলেই আমি সুস্থ হব।
22
ফিরে তাকিয়ে তাকে দেখতে পেয়ে যীশু বললেন, ওগো মেয়ে, ভয় করো না, তোমার বিশ্বাসই তোমাকে সুস্থ করল। সেই মুহূর্তেই স্ত্রীলোকটি রোগমুক্ত হল।মৃত বালিকার জীবনলাভ
23
তারপর যীশু এলেন সেই সমাজপতির বাড়িতে। সেখানে বাঁশীওয়ালারা ও অন্যান্য লোকজন সোরগোল করছিল।
24
তিনি তাদের বললেন, তোমরা সরে যাও দেখি, মেয়েটি তো মারা যায় নি, ঘুমিয়ে রয়েছে। তারা তাঁকে উপহাস করতে লাগল।
25
ভীড় সরিয়ে দেবার পর তিনি ঘরের মধ্যে গিয়ে মেয়েটির হাতখানি ধরলেন, সে সঙ্গে সঙ্গেই উঠে বসল।
26
এই সংবাদ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ল।
27
যীশু যখন সেখান থেকে চলে যাচ্ছিলেন তখন দুজন অন্ধ তাঁর পিছন পিছন যেতে লাগল। তারা চিৎকার করে বলল, হে দাউদ সন্তান, আমাদের প্রতি দয়া করুন।
28
তিনি বাড়িযে এলে সেই দুই অন্ধ তাঁর কাছে এল। যীশু তাদের বললেন, আমি এ কাজ করতে পারি তা কি তোরা বিশ্বাস কর? তারা উত্তর দিল, হ্যাঁ প্রভু করি।
29
যীশু তখন তাদের চোখ ছুঁয়ে বললেন, তোমাদের যেমন বিশ্বাস তেমনই হোক।
30
তারা তখনই দৃষ্টি ফিরে পেল। যীশু তাদের সাবধান করে দিয়ে বললেন, দেখ, কেউ যেন একথা জানতে না পারে।
31
কিন্তু সেখান থেকে বেরিয়ে গিয়ে তারা সারা দেশে যীশুর কাহিনী ছড়িয়ে দিল।
32
তাঁরা সবাই সেখান থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন এমন সময় একজন অপদেবতাগ্রস্ত বোবাকে যীশুর কাছে আনা হল।
33
অপদেবতা বিতাড়িত হওয়া মাত্রই সেই বোবা কথা বলতে শুরু করল। তাতে সমবেত লোকজন অবাক হয়ে বলতে লাগল, ইসরায়েল দেশে এমন কাজ আর কখনো দেখা যায়নি।
34
কিন্তু ফরিশীরা বলল, অপদেবতাদের অধিপতির সাহায্যেই লোকটা অপদেবতা বিতাড়িত করে।
35
এরপর যীশু প্রতিটি নগর ও পল্লী পরিভ্রমণ করে বেড়ালেন, সমাজভবনে গিয়ে লোকদের শিক্ষা দিতে লাগলেন, ঐশ রাজ্যের সুসমাচার প্রচার করলেন, এবং সর্বপ্রকার রোগব্যাধি থেকে তাদের সুস্থ করলেন।
36
বহুলোকের ভীড় দেখে তাদের জন্য যীশুর মনে করুণার সঞ্চার হল, কারণ পালকহীন মেষের মতই তারা ছিল আর্ত ও অসহায়।
37
তিনি তাঁর শিষ্যদের বললেন, ফসল প্রচুর কিন্তু কাজ করার লোক অল্প।
38
কাজেই ফসলের মালিকের কাছে মিনতি জানাও, তিনি যেন তাঁর ফসল সংগ্রহ করার জন্য আরও কাজের লোক পাঠিয়ে দেন।
← Chapter 8
Jump to:
Chapter 1
Chapter 2
Chapter 3
Chapter 4
Chapter 5
Chapter 6
Chapter 7
Chapter 8
Chapter 9
Chapter 10
Chapter 11
Chapter 12
Chapter 13
Chapter 14
Chapter 15
Chapter 16
Chapter 17
Chapter 18
Chapter 19
Chapter 20
Chapter 21
Chapter 22
Chapter 23
Chapter 24
Chapter 25
Chapter 26
Chapter 27
Chapter 28
Chapter 10 →
All chapters:
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28